1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
ডাকাতির প্রকোপে দিশেহারা ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা     রাসিক প্রশাসক এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎবগুড়া জেলা সমিতির প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অবশেষে মনপুরা-চরফ্যাশনের তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ হচ্ছে মির্জাপুরে ডাকাতি চেষ্টাকালে গণপিটুনিতে ডাকাতের মৃত্যু চরফ্যাশন ইউএনওর ব্যাতিক্রমী দৃস্টান্ত, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন খাল খননের অবশিষ্ট ১ কোটি ২ লাখ টাকা  রাসিক প্রশাসকের আসাম কলোনী বায়তুল আমান জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় ও ১৮নং ওয়ার্ডের আসাম কলোনী এলাকা পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার স্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, রাজশাহীতে গ্রেফতার ১ রাতের অন্ধকারে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, ৭ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ মির্জাপুরে সনাতনী যুবক অনিক কর্মকারের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ শিবগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের তিন সদস্য গ্রেপ্তার

সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ: দুই আইনের কঠোর প্রয়োগই কি মুক্তির পথ?

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
____ ড. মোঃ আমিনুল ইসলাম ৥
​ভূমিকা: ​একটি রাষ্ট্রের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় হলো দুর্নীতি। দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশ যখন বিশ্বমঞ্চে নিজের অবস্থান সুসংহত করছে, তখনো অভ্যন্তরীণ সুশাসনের অভাব ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি আমাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে। এই প্রেক্ষাপটে আইনজীবী ও রাজনীতি বিশ্লেষক অ্যাডভোকেট আবু হেনা রাজ্জাকী একটি সাহসী প্রস্তাব পেশ করেছেন। তার মতে, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মাত্র দুটি আইনের কঠোর প্রয়োগই বাংলাদেশের অধিকাংশ সমস্যার সমাধান করতে পারে। ​
ফোকাসড দুটি বিষয় ও তার কারণ ​অ্যাডভোকেট রাজ্জাকী মূলত রাষ্ট্রের দুটি প্রধান স্তম্ভের ওপর আলোকপাত করেছেন:
​১. জনপ্রতিনিধিদের (MP) জবাবদিহিতা: সংসদ সদস্যরা নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের শীর্ষে থাকেন। ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়া মাত্রই পদ হারানো এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ২. সরকারি কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা: প্রশাসনের মেরুদণ্ড হলো আমলাতন্ত্র। দুর্নীতি প্রমাণিত হলে সরাসরি চাকরি থেকে অব্যাহতি এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করার বিধান থাকলে প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ফিরে আসা সম্ভব। ​কেন এই দু’টি বিষয়েই ফোকাস দেওয়া হয়েছে? ​
মূল উৎপাটন: দুর্নীতি মূলত নীতি-নির্ধারক (জনপ্রতিনিধি) এবং বাস্তবায়নকারী (কর্মকর্তা)—এই দুই পক্ষের যোগসাজশেই ঘটে। এই দুই জায়গার ছিদ্র বন্ধ করলে দুর্নীতির কাঠামো ভেঙে পড়বে। ​দৃষ্টান্ত স্থাপন: উচ্চপর্যায়ে শাস্তির নিশ্চয়তা থাকলে নিচের স্তরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। ​
যথার্থতা বিশ্লেষণ: কেন এটি কার্যকর? ​এই প্রস্তাবনাটির যথার্থতা নিচের পয়েন্টগুলোর মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে: ​জবাবদিহিতার সংস্কৃতি: বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের ‘দায়মুক্তি’র সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে এই আইন দুটি ‘ডিটারেন্স’ বা ভীতি হিসেবে কাজ করবে। অপরাধী যেই হোক, পার পাবে না—এই বার্তাটি প্রতিষ্ঠিত হবে। ​
দ্রুত বিচার ও প্রশাসনিক গতিশীলতা: বর্তমানে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার কারণে অপরাধীরা সুযোগ পায়। প্রস্তাবিত সরাসরি ব্যবস্থা গ্রহণ ও দ্রুত বিচার পদ্ধতি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে আনবে। ​
অর্থনৈতিক নিরাপত্তা: এই সংস্কারের ফলে রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের সিস্টেম লস এবং অর্থ পাচার রোধ হবে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা ও ভোগান্তি কমবে।
​আস্থার পুনর্নির্মাণ: রাষ্ট্র ও বিচারব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের হারানো আস্থা ফিরে আসবে, যা একটি স্থিতিশীল গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য।
​উপসংহার: ​পরিশেষে বলা যায়, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে শুধু আইন থাকলেই চলবে না, তার নিরপেক্ষ ও আপসহীন প্রয়োগ প্রয়োজন। অ্যাডভোকেট আবু হেনা রাজ্জাকীর এই ফর্মুলা দুর্নীতির উৎসমুখ বন্ধ করার একটি কার্যকর পথ। রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা যদি এই দুটি শর্ত নিশ্চিত করতে পারে, তবে একটি স্বনির্ভর ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।#
লেখক একজন শিক্ষক কবি গবেষক ও প্রাবন্ধিক

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট