1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ: দুই আইনের কঠোর প্রয়োগই কি মুক্তির পথ? - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
দেবহাটা উপজেলাকে শিশুশ্রম ও স্কুল বহির্ভূত শিশুমুক্ত ঘোষণা কোভিড প্রকল্পে জালিয়াতি: সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৬ মামলা অপপ্রচার চালিয়ে জনগণের দৃষ্টি উন্নয়ন থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে: রুহুল কবির রিজভী এমপি চাঁদকে সংবর্ধনা দিল মনিগ্রাম কলেজ; শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় দুই আসামির জামিন: আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তীব্র বিক্ষোভ শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবারো অনিয়ম ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, ম্যানেজের চেষ্টার অভিযোগ নাচোলে কৃষি ডিপ্লোমা কলেজ জামে মসজিদে ওযুখানা ও টয়লেট নির্মাণকাজের উদ্বোধন পোরশায় নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস উৎপাদনে কসাইদের প্রশিক্ষণ রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফের উরস শরীফ ২০২৭ উপলক্ষ্যে কালীগঞ্জে দাওয়াতী জলসা অনুষ্ঠিত

সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ: দুই আইনের কঠোর প্রয়োগই কি মুক্তির পথ?

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
____ ড. মোঃ আমিনুল ইসলাম ৥
​ভূমিকা: ​একটি রাষ্ট্রের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় হলো দুর্নীতি। দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশ যখন বিশ্বমঞ্চে নিজের অবস্থান সুসংহত করছে, তখনো অভ্যন্তরীণ সুশাসনের অভাব ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি আমাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে। এই প্রেক্ষাপটে আইনজীবী ও রাজনীতি বিশ্লেষক অ্যাডভোকেট আবু হেনা রাজ্জাকী একটি সাহসী প্রস্তাব পেশ করেছেন। তার মতে, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মাত্র দুটি আইনের কঠোর প্রয়োগই বাংলাদেশের অধিকাংশ সমস্যার সমাধান করতে পারে। ​
ফোকাসড দুটি বিষয় ও তার কারণ ​অ্যাডভোকেট রাজ্জাকী মূলত রাষ্ট্রের দুটি প্রধান স্তম্ভের ওপর আলোকপাত করেছেন:
​১. জনপ্রতিনিধিদের (MP) জবাবদিহিতা: সংসদ সদস্যরা নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের শীর্ষে থাকেন। ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়া মাত্রই পদ হারানো এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ২. সরকারি কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা: প্রশাসনের মেরুদণ্ড হলো আমলাতন্ত্র। দুর্নীতি প্রমাণিত হলে সরাসরি চাকরি থেকে অব্যাহতি এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করার বিধান থাকলে প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ফিরে আসা সম্ভব। ​কেন এই দু’টি বিষয়েই ফোকাস দেওয়া হয়েছে? ​
মূল উৎপাটন: দুর্নীতি মূলত নীতি-নির্ধারক (জনপ্রতিনিধি) এবং বাস্তবায়নকারী (কর্মকর্তা)—এই দুই পক্ষের যোগসাজশেই ঘটে। এই দুই জায়গার ছিদ্র বন্ধ করলে দুর্নীতির কাঠামো ভেঙে পড়বে। ​দৃষ্টান্ত স্থাপন: উচ্চপর্যায়ে শাস্তির নিশ্চয়তা থাকলে নিচের স্তরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। ​
যথার্থতা বিশ্লেষণ: কেন এটি কার্যকর? ​এই প্রস্তাবনাটির যথার্থতা নিচের পয়েন্টগুলোর মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে: ​জবাবদিহিতার সংস্কৃতি: বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের ‘দায়মুক্তি’র সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে এই আইন দুটি ‘ডিটারেন্স’ বা ভীতি হিসেবে কাজ করবে। অপরাধী যেই হোক, পার পাবে না—এই বার্তাটি প্রতিষ্ঠিত হবে। ​
দ্রুত বিচার ও প্রশাসনিক গতিশীলতা: বর্তমানে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার কারণে অপরাধীরা সুযোগ পায়। প্রস্তাবিত সরাসরি ব্যবস্থা গ্রহণ ও দ্রুত বিচার পদ্ধতি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে আনবে। ​
অর্থনৈতিক নিরাপত্তা: এই সংস্কারের ফলে রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের সিস্টেম লস এবং অর্থ পাচার রোধ হবে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা ও ভোগান্তি কমবে।
​আস্থার পুনর্নির্মাণ: রাষ্ট্র ও বিচারব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের হারানো আস্থা ফিরে আসবে, যা একটি স্থিতিশীল গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য।
​উপসংহার: ​পরিশেষে বলা যায়, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে শুধু আইন থাকলেই চলবে না, তার নিরপেক্ষ ও আপসহীন প্রয়োগ প্রয়োজন। অ্যাডভোকেট আবু হেনা রাজ্জাকীর এই ফর্মুলা দুর্নীতির উৎসমুখ বন্ধ করার একটি কার্যকর পথ। রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা যদি এই দুটি শর্ত নিশ্চিত করতে পারে, তবে একটি স্বনির্ভর ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।#
লেখক একজন শিক্ষক কবি গবেষক ও প্রাবন্ধিক

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট