1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবারো অনিয়ম ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, ম্যানেজের চেষ্টার অভিযোগ - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
এমপি চাঁদকে সংবর্ধনা দিল মনিগ্রাম কলেজ; শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় দুই আসামির জামিন: আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তীব্র বিক্ষোভ শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবারো অনিয়ম ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, ম্যানেজের চেষ্টার অভিযোগ নাচোলে কৃষি ডিপ্লোমা কলেজ জামে মসজিদে ওযুখানা ও টয়লেট নির্মাণকাজের উদ্বোধন পোরশায় নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস উৎপাদনে কসাইদের প্রশিক্ষণ রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফের উরস শরীফ ২০২৭ উপলক্ষ্যে কালীগঞ্জে দাওয়াতী জলসা অনুষ্ঠিত দেবহাটায় ৮৭ শিশুকে শিক্ষায় ফিরিয়ে শিশুশ্রম ও ঝরেপড়ামুক্ত উপজেলা ঘোষণা রাজশাহীতে ক্রীড়া ও কারাতে প্রসারে রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কারাতে রেফারি কমিশনের বৈঠক রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুর রহমানের প্রয়াণে রাসিক প্রশাসকের গভীর শোক

শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবারো অনিয়ম ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, ম্যানেজের চেষ্টার অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মোহা: সফিকুল ইসলাম, শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বহিরাগত অ্যাম্বুলেন্স চালক দিয়ে রোগীর শরীরে ইনজেকশন পুশ করানোসহ নানা ধরণের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব ঘটনা ধামাচাপা দিতে এবং গণমাধ্যমকর্মীদের ম্যানেজ করতে অবৈধ চেষ্টা চালিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজির আহমেদ।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা ৩০ মিনিটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একজন বহিরাগত অ্যাম্বুলেন্স চালক এক নারী রোগীর শরীরে ইনজেকশন পুশ করছেন। ওই সময় জরুরি বিভাগে দায়িত্বে ছিলেন ডা. আলমগীর হোসেন ও মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট আব্দুস সালাম।

Open photo

এছাড়া, হাসপাতালে কোনো রোগী আসলেই দালাল চক্র জোরপূর্বক তাদের বাইরের ক্লিনিকে নিয়ে যায় এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সরকারি হাসপাতালে না করিয়ে বাইরের প্রাইভেট ক্লিনিকে পাঠাতে বাধ্য করে।

দাইপুকুরিয়া ইউনিয়নের ভুক্তভোগী মোহা. দুরুল হোদা অভিযোগ করে বলেন, “আমি অত্যন্ত গরীব মানুষ। আমার ছেলে দেলোয়ার হোসেন বিষপান করলে চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসি। সেখানে নাইট গার্ড সেলিম আমার কাছ থেকে জোর করে ৫০০ টাকা হাতিয়ে নেয়।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জুড়ে দীর্ঘদিন ধরে দালালদের দৌরাত্ম্য চললেও তা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেই। পাশাপাশি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজির আহমেদের দুর্ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। অমানবিক আচরণের পাশাপাশি প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত তিনি নিজ চেম্বারে কাউকে প্রবেশ করতে দেন না বলেও জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার খারাপ আচরণের কারণেই কোনো ভালো চিকিৎসক এখানে বেশিদিন থাকতে চান না এবং দ্রুত বদলি হয়ে চলে যান।

Open photo

এদিকে ২১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাজাহারুল ইসলাম উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৫০টি ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট বিতরণ করতে হাসপাতালে আসেন। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “হাসপাতালে বাইর থেকে কেউ এসে বিশৃঙ্খলা বা হাঙ্গামা করা অত্যন্ত দুঃখজনক।” তিনি হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতায় অসন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেন।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজির আহমেদ নিজের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্ব্যবহারের কথা অস্বীকার করে বলেন, “আমি কারো সাথে দুর্ব্যবহার করি না। আজও এক দালালকে ধরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বহিরাগত চালক দিয়ে ইনজেকশন পুশ করানোর বিষয়ে শোকজ করা হয়েছে। এছাড়া জনবল সংকট, আল্ট্রাসোনোগ্রাম মেশিন ও এক্স-রে ফিল্মের সংকটের কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

তিনি সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার চেষ্টা সম্পূর্ণ অস্বীকার করলেও, সম্প্রতি গণমাধ্যমকর্মীদের কৌশলে ম্যানেজ করার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ঘটনার সত্যতা মিলেছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট