1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহী অঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাটির বাড়িঘর - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
খুলনার দেবহাটার সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদে ভিডাব্লিউ কার্ডের চাল বিতরণ শিবপুরে আইয়ূবপুর ইউনিয়নে মসজিদ ও অবকাশ কেন্দ্র উদ্বোধন বাগমারায় গাওড়া বিল মৎস্য চাষ প্রকল্প ভন্ডুলের চেষ্টার অভিযোগ পোরশায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত: র‍্যালি ও আলোচনা সভা তাহেরপুরে ফসলি জমিতে অবৈধ পুকুর খনন: ১ জনের কারাদণ্ড, অপরজনের জরিমানা শিবগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রোগীর চিকিৎসা সহায়তা, বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান 📰 শিবগঞ্জে ওয়াকফ ও এজমালি সম্পত্তির ৩ আমগাছ গোপনে বিক্রির অভিযোগ 📰 শিবগঞ্জে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ভোলাবাসীর স্বপ্ন গ্যাসভিত্তিক শিল্প-কারখানা: দুই যুগেও বাস্তবায়িত হয়নি প্রতিশ্রুতি এশিয়ার বৃহত্তম কানসাট আম বাজারে এখন মিলছে বারো মাসই!

রাজশাহী অঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাটির বাড়িঘর

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ নাজিম হাসান,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি: রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন মফস্বল এলাকা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার চির ঐতিহ্যের নিদর্শন সবুজ শ্যামল ছায়া-ঘেরা শান্তির নীড় মাটির বাড়ি। যা এক সময় ছিল গ্রামের মানুষের কাছে মাটির ঘর গরীবের এসি বাড়ি নামে পরিচিত। কিন্তু কালের আর্বতে আজ হারিয়ে যাচ্ছে এই ঐতিহ্যবাহী মাটির বাড়ি।বেশিদিনের কথা নয়, বাংলার প্রতিটি গ্রামে নজরে পড়তো এই মাটির বাড়ি। ঝড়-বৃষ্টি থেকে বাঁচার পাশাপাশি প্রচুর গরম ও শীতে বসবাস উপযোগী মাটির তৈরি এসব বাড়ি এখন আর তেমন একটা নজরে পড়ে না। আধুনিকতার ছোঁয়ায় আর সময়ের পরিবর্তনে গ্রামবাংলা থেকে ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি বাড়ি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এই বাড়ি শীত ও গরম মৌসুমে আরামদায়ক বলে গ্রামের গরীব ও দরিদ্র মানুষের পাশাপাশি অনেক বিত্তবানও এই মাটির দ্বিতল বাড়ি তৈরি করতেন।

জানা যায়, অতি প্রাচীনকাল থেকেই মাটির বাড়ির প্রচলন ছিল। গ্রামের মানুষের কাছে এই বাড়ি ঐতিহ্যের প্রতীক ছিল। গ্রামের বিত্তবানরা এক সময় অনেক অর্থ ব্যয় করে মাটির দ্বিতল মজবুত বাড়ি তৈরি করতেন যা এখনও কিছু কিছু গ্রামে চোখে পড়ে। এঁটেল বা আঠালো মাটি কাদায় পরিণত করে ২-৩ ফুট চওড়া করে দেয়াল বা ব্যাট তৈরি করা হয়। ১০-১৫ ফুট উঁচু দেয়ালে কাঠ বা বাঁশের সিলিং তৈরি করে তার ওপর খড় বা টিনের ছাউনি দেয়া হয়। মাটির বাড়ি অনেক সময় দোতলা পর্যন্ত করা হতো। সব ঘর বড় মাপের হয় না। গৃহিণীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মাটির দেয়ালে বিভিন্ন রকমের আল্পনা এঁকে ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বর্ষা মৌসুমে মাটির ঘরের ক্ষতি হয় বলে বর্তমান সময়ে দীর্ঘস্থায়ীত্বের কারণে গ্রামের মানুষরা ইট-সিমেন্টের বাড়ি নির্মাণে আগ্রহী হচ্ছেন। ভূমিকম্প বা বন্যা না হলে একটি মাটির বাড়ি শত বছরেরও বেশি স্থায়ী হয়। কিন্তু বর্তমান সময়ে কালের বির্বতনে ইট-বালির দালান কোঠা আর বড় বড় অট্টালিকার কাছে হার মানছে মাটির বাড়ি।

রাজশাহীর গ্রাম এলাকার অনেকে জানান, মাটির তৈরি এই বাড়ি তারা পেয়েছেন পৈত্রিকভাবে। তাদের পূর্ব পুরুষরাও এই মাটির তৈরি বাড়িতেই জীবন কাটিয়ে গেছেন। তাই এখনও তারা এই বাড়িগুলো ভাঙেননি। মাটির বাড়ি বসবাসের জন্য আরামদায়ক হলেও যুগের পরিবর্তনে আধুনিকতার সময় অধিকাংশ মানুষ মাটির বাড়ি ভেঙে অধিক নিরাপত্তা ও স্বল্প জায়গায় দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনেক লোকের নিবাস কল্পে গ্রামের মানুষরা ইটের বাড়ি-ঘর তৈরি করছেন বলে অনেকের ধারণা।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট