1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
মির্জাপুরে গেড়ামারা বাজার–দীঘুলিয়া সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী, ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
হরিপুর কালিগঞ্জ বাজারে পূবালী ব্যাংক পিএলসির বাংলা কিউআর বুথ উদ্বোধন  রাজশাহীর শিরোইল বাস টার্মিনাল আধুনিকায়নের আশ্বাস দিলেন  আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট রাজশাহীর ভুবনমোহন পার্কে জুয়া খেলার সময় ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ রাজশাহীতে দরিদ্র নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ পাবনা জেলা বারের ২০২৬ ব্যাচের বিজ্ঞ আইনজীবী রেজাউল করিম রানা’র রুহের মাগফিরাত কামনায় শ্যামনগরে বাল্য বিয়ে বন্ধে স্কুল পর্যায়ে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা  রাজশাহী-আব্দুলপুর রেলপথ ডুয়েল গেজ চান রাজশাহীবাসী নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা ইয়াসমিন ময়লার ভাগাড়ে করলেন ফুল,ফল ও ঔষধি বাগান  নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে ৭টি শক্তিশালী পদক্ষেপ: গড়ে উঠুক নিরাপদ সমাজ নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর সাথে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মির্জাপুরে গেড়ামারা বাজার–দীঘুলিয়া সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী, ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# মো সাইফুল ইসলাম শান্ত, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গেড়ামারা বাজার–দীঘুলিয়া সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের পর কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। উপজেলা প্রকৌশলীর নির্দেশে সাইটে মজুদ রাখা নিম্নমানের খোয়া অপসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়ে নির্ধারিত মানের উপকরণ ব্যবহার করে পুনরায় কাজ সম্পন্নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের গেড়ামারা বাজার–দীঘুলিয়া সড়কের সাব-বেজ নির্মাণকাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কৃষ্ণা স্টুডিও এর প্রতিনিধি বেলাল রাতের অন্ধকারে নিম্নমানের খোয়া সাইটে এনে মজুদ করেন। পরে ওই খোয়া বালুর সঙ্গে মিশিয়ে কাজে ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ‎ ‎বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরার পাশাপাশি এলজিইডি কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পরদিন উপজেলা প্রকৌশলীসহ এলজিইডির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে নিম্নমানের খোয়া মজুদের সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ওই খোয়া ও সংশ্লিষ্ট মালামাল সাইট থেকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। ‎ ‎

এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে শোকজ করা হয়েছে। নিম্নমানের মালামাল অপসারণ করে এলজিইডির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে নির্ধারিত মানের খোয়া দিয়ে সাব-বেজের মিক্সসহ বাকি কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‎ ‎

উপজেলা প্রকৌশলীর স্বাক্ষরিত দাপ্তরিক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী মানসম্মত খোয়া সাইটে মজুদ ও অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত পরবর্তী নির্মাণকাজ বন্ধ থাকবে। নির্দেশনা অমান্য করলে বিল পরিশোধসহ পরবর্তী সব প্রশাসনিক জটিলতার দায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকেই বহন করতে হবে। ‎ ‎স্থানীয়দের মতে, সময়মতো প্রশাসনের হস্তক্ষেপে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার রোধ করা সম্ভব হয়েছে। তারা উন্নয়নকাজে নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ নিশ্চিত করা হয়।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট