1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ডাকাতির প্রকোপে দিশেহারা ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা     - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
ঠাকুরগাঁওয়ে বিধবা নারী ৩ দিন ধরে যুবকের সঙ্গে পালাতক হরিপুর কালিগঞ্জ বাজারে পূবালী ব্যাংক পিএলসির বাংলা কিউআর বুথ উদ্বোধন  রাজশাহীর শিরোইল বাস টার্মিনাল আধুনিকায়নের আশ্বাস দিলেন  আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট রাজশাহীর ভুবনমোহন পার্কে জুয়া খেলার সময় ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ রাজশাহীতে দরিদ্র নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ পাবনা জেলা বারের ২০২৬ ব্যাচের বিজ্ঞ আইনজীবী রেজাউল করিম রানা’র রুহের মাগফিরাত কামনায় শ্যামনগরে বাল্য বিয়ে বন্ধে স্কুল পর্যায়ে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা  রাজশাহী-আব্দুলপুর রেলপথ ডুয়েল গেজ চান রাজশাহীবাসী নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা ইয়াসমিন ময়লার ভাগাড়ে করলেন ফুল,ফল ও ঔষধি বাগান  নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে ৭টি শক্তিশালী পদক্ষেপ: গড়ে উঠুক নিরাপদ সমাজ

ডাকাতির প্রকোপে দিশেহারা ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা    

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১২৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
৥ সাব্বির আলম বাবু, ভোলা প্রতিনিধিঃ মহিষ ডাকাতির প্রকোপে উদ্বিগ্ন ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা। রাতের আঁধার নামলেই ভোলার চরাঞ্চলজুড়ে শুরু হয় আতঙ্কের রাজত্ব। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা ছোট-বড় ৮৫টি চরে এখন শুধুই হাহাকার। চোর আর ডাকাত সিন্ডিকেটের তাণ্ডবে চরাঞ্চলের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি মহিষের বাতানগুলো আজ ধ্বংসের মুখে। একের পর এক মহিষ চুরির ঘটনায় নিস্ব হয়ে পড়ছেন উপকূলের খামারিরা, অথচ প্রশাসন যেন দেখেও দেখছে না!
জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন চরে বর্তমানে ১ লাখ ২৪ হাজারেরও বেশি মহিষ লালন-পালন করা হয়। এসব বাতান থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ টন দুধ উৎপাদন হয়, যা ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষের দই শিল্পের প্রধান জোগান। তবে এই সম্ভাবনাময় শিল্পটি এখন চোর চক্রের পেটে চলে যাচ্ছে। দুর্গম চরাঞ্চলের সুযোগ নিয়ে কোনো না কোনো বাতানে হামলা চালাচ্ছে সংঘবদ্ধ চোর সিন্ডিকেট। ট্রলার নিয়ে এসে রাতের আঁধারে সাবাড় করে দেওয়া হচ্ছে পুরো খামার।
মাসুম নামের এক খামারী হতাশ হয়ে বলেন, “বলে আর কী হবে ভাই! গত রাতেও আমার মহিষ চুরি হয়ে গেছে। কোটি টাকার ক্ষতি হলো, এখন আমরা বাঁচব কীভাবে?
খামারিদের চরম ক্ষোভ, ঘটনা ঘটার পর থানা-পুলিশের দরজায় ঘুরেও কোনো সুফল মিলছে না। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও মেলেনি উদ্ধার হওয়া মহিষ, ধরা পড়েনি কোনো চোর। প্রশাসনের এই ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ ভূমিকার কারণেই দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে চোর চক্র।
ভোলাবাসীর প্রাণের দাবি অবিলম্বে চরাঞ্চলে নৌ-পুলিশের বিশেষ টহল জোরদার করতে হবে এবং রাতারাতি খামারিদের নিঃস্ব করা এই চোর সিন্ডিকেটকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে অচিরেই ধসে পড়বে ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষ ও দই শিল্প।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট