1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
অভয়নগর উপজেলা কৃষি অফিসে দুর্নীতির মহোৎসব - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
দেবহাটা উপজেলাকে শিশুশ্রম ও স্কুল বহির্ভূত শিশুমুক্ত ঘোষণা কোভিড প্রকল্পে জালিয়াতি: সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৬ মামলা অপপ্রচার চালিয়ে জনগণের দৃষ্টি উন্নয়ন থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে: রুহুল কবির রিজভী এমপি চাঁদকে সংবর্ধনা দিল মনিগ্রাম কলেজ; শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় দুই আসামির জামিন: আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তীব্র বিক্ষোভ শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবারো অনিয়ম ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, ম্যানেজের চেষ্টার অভিযোগ নাচোলে কৃষি ডিপ্লোমা কলেজ জামে মসজিদে ওযুখানা ও টয়লেট নির্মাণকাজের উদ্বোধন পোরশায় নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস উৎপাদনে কসাইদের প্রশিক্ষণ রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফের উরস শরীফ ২০২৭ উপলক্ষ্যে কালীগঞ্জে দাওয়াতী জলসা অনুষ্ঠিত

অভয়নগর উপজেলা কৃষি অফিসে দুর্নীতির মহোৎসব

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩১৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ কামাল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি: কাগুজে কৃষকের আড়ালে লোপাট ধানবীজ-ভর্তুকি, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সংঘবদ্ধ চক্রের দৌরাত্ম্য।যশোরের অভয়নগর উপজেলা কৃষি অফিসে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এখন প্রকাশ্য আলোচনার বিষয়। সরকারি প্রণোদনার আওতায় ধানের বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণের কথা থাকলেও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ভয়াবহ গড়মিল, কাগুজে কৃষকের নামে বরাদ্দ দেখিয়ে আত্মসাতের চিত্র এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সক্রিয়তা।

কাগজে কৃষক, মাঠে নেই, তবুও বরাদ্দ উত্তোলন! উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের কৃষক তালিকা যাচাই করে দেখা গেছে, একই মোবাইল নম্বর একাধিক কৃষকের নামে ব্যবহার করা হয়েছে। বহু নাম-ঠিকানার বাস্তব অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। প্রকৃত কৃষকের নাম তালিকায় থাকলেও তারা কখনো বীজ বা ভর্তুকি পাননি। স্থানীয়দের ভাষ্য, কাগজে কৃষক, মাঠে নেই, তবুও বরাদ্দ যায় প্রভাবশালীদের ঘরে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক বলেন,  তালিকায় আমার নাম আছে, মোবাইল নম্বরও আছে। কিন্তু জীবনে একবারও সরকারি বীজ বা সার পাইনি। ছবি তুলে প্রচার, বাস্তবে বঞ্চনা অভিযোগ রয়েছে, সীমিতসংখ্যক কৃষককে ডেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বীজ-সার বিতরণের ছবি তুলে তা গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়। এতে দেখানো হয় সবকিছু নিয়মমাফিক চলছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে অধিকাংশ কৃষকই বঞ্চিত। প্রশ্ন উঠেছে, যদি নিয়মিত ও স্বচ্ছ বিতরণ হয়, তবে প্রকৃত কৃষকেরা কেন সুবিধা পাচ্ছেন না? রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় রাঘববোয়ালদের দাপট স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের যোগসাজশে পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। কাগুজে তালিকা তৈরি করে বরাদ্দ উত্তোলন, পরে তা বণ্টনের নামে ভাগবাটোয়ারা, এমন চিত্রই উঠে এসেছে অনুসন্ধানে।

অভিযোগের তীর সরাসরি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুনের দপ্তরের দিকেও। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এমনটি যদি হয়ে থাকে তবে আমি তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নিব, সেই সাথে আমার সহকারী কৃষি অফিসারকে এবিষয়ে তলব করে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা করা হবে। কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব। প্রকৃত কৃষকেরা সময়মতো বীজ ও সার না পাওয়ায় চাষাবাদে বিঘ্ন ঘটছে। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি ভর্তুকি সঠিকভাবে না পৌঁছালে খাদ্য নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, তালিকাভুক্ত কৃষকদের সরেজমিন যাচাই মোবাইল নম্বর ও জাতীয় পরিচয়পত্র ক্রস-চেক ইউনিয়ন ভিত্তিক প্রকাশ্য তালিকা টানিয়ে দেওয়া ডিজিটাল মনিটরিং ও অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা কৃষকদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অভয়নগরের কৃষকসমাজ এখন একটাই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে, সরকারি সহায়তা কি কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি প্রকৃত কৃষকের ঘরে পৌঁছাবে? স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহিতাই পারে এই অভিযোগের জট খুলতে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট