1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মূখে হাসি - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ করলেন রাসিক প্রশাসক নাটোরের গুরুদাসপুরে সুরতহাল প্রতিবেদনে বাধার পর পুলিশের ওপর হামলা, আটক ৯ জাতীয় প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন বানোয়াট: কালীগঞ্জ বিএনপি বাগমারায় মাদক সম্রাজ্ঞী ‘ফেন্সি জুলেখা’র গ্রেফতারের দাবিতে বিশাল মানববন্ধন সফল হওয়ার আগে ভালো মানুষ হতে হবে: বোদায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ছুটির দিনেও মাঠে ইউএনও জিল্লুর রহমান, রহনপুর পৌরসভার উন্নয়নকাজে সরেজমিন নজরদারি রাসিক প্রশাসকের সাথে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ: রাজশাহীর সার্বিক উন্নয়নে মতবিনিময় রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি অ্যালামনাই পুনর্মিলনী রেজিস্ট্রেশন শুরু নাটোরের লালপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জন গ্রেফতার: ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজার গাছ ও মোটরসাইকেল উদ্ধার পঞ্চগড় জেলায় রাসায়নিক সারের কোনো সংকট নেই: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মূখে হাসি

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৭১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আরিফুল ইসলাম জয়, ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম……………………………………..

কুড়িগ্রাম এর ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় আমন ধানের জমিতে সোনালী ধানের শীষে ছেয়ে গেছে। সব জমিতেই আশানুরুপ ফলনের আশা করছেন চাষীরা। এরই মধ্যে জমি থেকে ধান কাটা শুরু হয়েছে। তাতে ভালো ফলন পাচ্ছেন কৃষকেরা। উপজেলা

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে ১৬ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা ছাড়িয়ে কৃষক ১৬ হাজার ৮৫৩ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করেন। আর ধান উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়ে ৭৭ হাজার মেট্রিক টন।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুজন কুমার ভৌমিক জানান, চলতি রোপা আমন মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো ফলন পেতে মাঠ পর্যায় কৃষকদের নানা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। সব ঠিক থাকলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলেও জানান তিনি। কথা হয় উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়ন এর মইদাম গ্রামের ধান চাষী আব্দুস সালামের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রথমে মনে করেছিলাম হয়তো এবার আমন ধনের ফলন ভালো হবে না। কারণ একদিকে যেমন খরা অন্য দিকে পোকা-মাকরের কারণে ফসল মার খেতে বসেছিলো। কিন্তু এখন দেখছি ধানের মান ভালো হয়েছে।

 

আব্দুস সালাম বলেন, এবার ১০ বিঘা জমিতে বি আর ৪৯ জাতের ধান আবাদ করেছি। প্রতি বিঘায় খরচ প্রায় ১১ হাজার টাকা। তবে ২০ মন হারে জমিতে ফলন হয়েছে। ধানের দাম বেশি থাকায় ৮ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকা বিঘা প্রতি লাভ হবে। চর বলদিয়া গ্রামের ধান চাষী বানু মিয়া বলেন, এবার পোকার মাকড় বেশি দেখা দিলেও কিটনাশক প্রয়োগ করার পর তা সেরে গেছে। আমি এবার ৮ বিঘা জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছি। প্রতি বিঘা খরচ বাদ দিয়ে ৩ হাজার টাকা লাভ হবে। সময়মত পরামর্শ দিয়ে কৃষকদের সহযোগিতা করায় ভালো ফলন হয়েছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট