1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মূখে হাসি - দৈনিক সবুজ নগর
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
পোরশায় ১০ মাসের শিশুকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, চাকুসহ বাবা গ্রেপ্তার নাচোলে ২ নং ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের নির্বাচনী গণসংযোগ সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযান: ৮ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ নাটোরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে হেলপার নিহত বগুড়ার শিশু আবু বক্করের চোখের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী বাঘায় পিজিআই ইন্টারন্যাশনাল ও সালাফী ট্রাভেলসের সেবা পরিচিতি সভা পত্নীতলায় শহীদ জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পত্নীতলায় পরিবেশ রক্ষা ও বজ্রপাত মোকাবিলায় তালবীজ রোপণ কালীগঞ্জে মাদক কারবারিকে ধরে ফেরার পথে কাভার্ডভ্যানের চাপায় এসআইসহ নিহত ২, আহত ২ উপ সম্পাদকীয়: জাতিসংঘের ৮১ বছর: প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ও বর্তমান বাস্তবতার হিসাব-নিকাশ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মূখে হাসি

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৯১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আরিফুল ইসলাম জয়, ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম……………………………………..

কুড়িগ্রাম এর ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় আমন ধানের জমিতে সোনালী ধানের শীষে ছেয়ে গেছে। সব জমিতেই আশানুরুপ ফলনের আশা করছেন চাষীরা। এরই মধ্যে জমি থেকে ধান কাটা শুরু হয়েছে। তাতে ভালো ফলন পাচ্ছেন কৃষকেরা। উপজেলা

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে ১৬ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা ছাড়িয়ে কৃষক ১৬ হাজার ৮৫৩ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করেন। আর ধান উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়ে ৭৭ হাজার মেট্রিক টন।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুজন কুমার ভৌমিক জানান, চলতি রোপা আমন মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো ফলন পেতে মাঠ পর্যায় কৃষকদের নানা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। সব ঠিক থাকলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলেও জানান তিনি। কথা হয় উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়ন এর মইদাম গ্রামের ধান চাষী আব্দুস সালামের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রথমে মনে করেছিলাম হয়তো এবার আমন ধনের ফলন ভালো হবে না। কারণ একদিকে যেমন খরা অন্য দিকে পোকা-মাকরের কারণে ফসল মার খেতে বসেছিলো। কিন্তু এখন দেখছি ধানের মান ভালো হয়েছে।

 

আব্দুস সালাম বলেন, এবার ১০ বিঘা জমিতে বি আর ৪৯ জাতের ধান আবাদ করেছি। প্রতি বিঘায় খরচ প্রায় ১১ হাজার টাকা। তবে ২০ মন হারে জমিতে ফলন হয়েছে। ধানের দাম বেশি থাকায় ৮ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকা বিঘা প্রতি লাভ হবে। চর বলদিয়া গ্রামের ধান চাষী বানু মিয়া বলেন, এবার পোকার মাকড় বেশি দেখা দিলেও কিটনাশক প্রয়োগ করার পর তা সেরে গেছে। আমি এবার ৮ বিঘা জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছি। প্রতি বিঘা খরচ বাদ দিয়ে ৩ হাজার টাকা লাভ হবে। সময়মত পরামর্শ দিয়ে কৃষকদের সহযোগিতা করায় ভালো ফলন হয়েছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট