
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও জেলায় (২২) বছর বয়সী এক বিধবা নারী এক সন্তানের জননী শ্রী মিনতি রানী তিন দিন ধরে পালাতক – প্রদীপ রায় এর প্রেম নীলায়। প্রদীপ রায় মিনতি রানী কে শুক্রবার : ২১/ ৮/ ২০২৬ ইং তারিখে পালিয়ে যায়, এলাকায় পালাতক বিষয়ে গুঞ্জন উঠে। একই বয়সী যুবক শ্রী প্রদীপ রায় এর সঙ্গে, এক সন্তানের জননী বিধবা মিনতি রানী পালিয়ে যায়। মিনতি রানীর বসবাস ছিল ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার ৫ নং বাচোর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড ভাংবাড়ি নাকাটি পাড়া গ্রামে।
মৃত সশদেব রায়ের ঘর সংসারে এক সন্তান জন্মগ্রহণ করেন শ্রী বিশাল রায় (৪) তার বাবার বাড়ি একই রানীশংকৈল উপজেলার ৫নং বাচোর ইউনিয়ন, ৭ নং ওয়ার্ড রাজোর কাতিহার হাট – কাতিহার তৈল পাম্পের পূর্ব পাশে। তার পিতার নাম শ্রী ভোল্টু রায়। অন্যদিকে অবিবাহিত প্রদীপ রায়ের পিতার নাম শ্রী নরেন রায়। তার বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৯ নং রায়পুর ইউনিয়ন, ৬ নং ওয়ার্ড সেধধুন্না কোন পাড়া গ্রামে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিধবা মিনতি রানী স্বামী মারা যাওয়ার পর এক সন্তান নিয়ে বসবাস করছিলেন। গত তিন দিন ধরে পালাতক বিষয়ে ছড়িয়ে পড়ে তিন পরিবারের এলাকায়। বিধবা শ্রী মিনতি রানী কে বউমা হিসেবে মেনে নিতে রাজি হননি প্রেমিক প্রদীপ রায় এর বাবা, মা, সহ আত্মীয়-স্বজনরা।
এ বিষয়ে উভয় পক্ষের পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করে, বগুড়া ও দিনাজপুর এলাকায় পালাতক থাকার খবর পাওয়া যায়, প্রদীপ রায় ও এক সন্তানের জননী বিধবা মিনতি রানী। দুই পরিবারের চাপে এক পর্যায়ে বিধবা মিনতি রানী কে প্রদীপ রায় এর নিজ বাড়িতে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সেনধুন্না গ্রামে নিয়ে আসে। গত সোমবার গভীর রাতে বিধবা মিনতি রানী কে প্রদীপ রায় এর বাবা মা আত্মীয়-স্বজন, উভয় ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড মেম্বার গণের মাধ্যমে সালিশের মাধ্য দিয়ে মেনে নেন।#