1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
শিবগঞ্জে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ-হলুদের বীজ ও সার বিতরণ - দৈনিক সবুজ নগর
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
এমপি মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় নাচোলে জরাজীর্ণ সড়ক পরিদর্শন, দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস বাগমারায় ইজারা নেওয়া পুকুর দখল ও মাছ চুরির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি ঋণখেলাপির তালিকা থেকে সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম মোল্লার নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশ মির্জাপুরে দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর, হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক মির্জাপুরের হাটুভাঙ্গায় টোল আদায় বন্ধের দাবি, চরম ক্ষোভে স্থানীয় ও পথচারীরা রাসিকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের হাতে আনুতোষিকের চেক তুলে দিলেন প্রশাসক রাজশাহীর চারঘাটে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার শিক্ষার্থীদের মেধার মূল্যায়ন না করলে আন্দোলন তীব্র হবে: রাকসু ভিপি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অ্যানথ্রাক্সের প্রাদুর্ভাব: দুই মাসে ৫৪ জন সংক্রামিত, ঝুঁকিতে গবাদিপশু ও মানুষ শিবগঞ্জে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ১

শিবগঞ্জে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ-হলুদের বীজ ও সার বিতরণ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
Oplus_131072

৥ বিশেষ প্রতিনিধি, শিবগঞ্জ : ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও হলুদের আবাদ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সারসহ উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা কৃষি অফিসের সামনে এসব বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক আহমেদ।

এ সময় তিনি বলেন, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে দেশের আমদানি নির্ভরতা কমবে এবং কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। এ ধরনের প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষকদের আধুনিক ও লাভজনক চাষাবাদে উৎসাহিত করবে। পাশাপাশি উপকরণগুলো সঠিকভাবে ব্যবহারের ওপর জোর দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার সরকার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহাদৎ হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবদুল্লা আল আজাদী ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহিন আকতার প্রমূখ।

শেষে উপজেলার ২০ কৃষককের প্রত্যেককে ১ কেজি পেঁয়াজ বীজ (কন্দ), ২৫ কেজি ইউরিয়া, ২৫ কেজি ডিএপি, ২৫ কেজি এমওপি, ২৫ কেজি জিপসাম, ১ কেজি জিংক, ১ কেজি বোরন, ২০০ কেজি জৈব সার, ৭ কেজি বালাইনাশক (কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক), একটি সাইনবোর্ড এবং ৩০ কৃষককের প্রত্যেককে হলুদের বীজ ১০০ কেজি, ৫ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার দেয়া হয়।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট