1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
শিবগঞ্জে বিএনপির নেতা কর্মীর সাথে প্রধান মন্ত্রীর  বিশেষ সহকারী ড,সাইমুম পারভেজের মতবিনিময়  নওগাঁর মহাদেবপুরে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা শিবগঞ্জে বি এনপির নেতা কর্মীর সাথে প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড,সাইমুম পারভেজের মতবিনিময়  সততা, নিষ্ঠা ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে: রূপসায় জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত ঠাকুরগাঁওয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান ই হাবিবের  বিদায় সোনামসজিদ সীমান্তে ১৮৫ বোতল ভারতীয় স্কাপ সিরাপ জব্দ শিবগঞ্জে দিনব্যাপী পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট, ব্যাহত হচ্ছে সেবা কার্যক্রম পোরশায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে সচেতনতা সভা ও দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পত্নীতলায় পুকুর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

রাজশাহীতে ৫ বছরে ঝরে পড়ছে ২৮ ভাগ শিক্ষার্থী

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২৩৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# আবুল কালাম আজাদ…………………………….

পাঁচ বছরে রাজশাহীতে প্রায় ২৮ শতাংশ শিক্ষার্থী বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ছে। পঞ্চম থেকে এসএসসি পরীক্ষা পর্যন্ত আসতে এ পরিমান শিক্ষার্থী বিদ্যালয় ছেড়েছে। শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার এ হার চিন্তার বিষয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষক ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

 

তারা বলছেন, করোনাকালে দেড় বছরের বেশি সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ছিল। এর মধ্যে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমে যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা আর বিদ্যালয়ে আসছে না।

 

রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ও রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জেলায় ২০১৫ সালে ৪৬ হাজার ৩২৪ জন শিক্ষার্থী পিইসি (প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। ওই ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ২০১৮ সালে অষ্টম শ্রেণির জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যেই ৭ হাজার ৭ জন শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে। পরীক্ষা দেয় ৩৯ হাজার ৩১৭ জন শিক্ষার্থী।

 

২০২১ সালে তারা এসএসসি পরীক্ষা দেয়। ওই সময় আরও ছয় হাজার শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে। সব মিলিয়ে ৫ বছরে জেলায় ১৩ হাজার ৭ জন শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে, যা মোট শিক্ষার্থীর ২৮ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

 

নগরের তালাইমারি এলাকার একটি স্কুলের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তাঁর বিদ্যালয়ে চর এলাকার শিক্ষার্থী রয়েছে। ছাত্রীরা মূলত বাল্যবিবাহের কারণে ঝরে পড়ে। শিক্ষার্থীদের মা-বাবা তাঁদের বলেন, মেয়ে বড় হলে নিরাপত্তা নিয়ে তাঁদের ভাবতে হয়। এ জন্যই ছোট থাকতে বিয়ে দিয়ে তাঁরা নির্ভার হতে চান। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত যেতে তাঁর বিদ্যালয়ের অর্ধেকের বেশি মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। মামলা ও জরিমানা করেও এই বাল্যবিবাহের প্রবণতা কমছে না।

 

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, দারিদ্র্য ও বাল্যবিবাহের কারণে বেশি শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে। এর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার বিষয়ে অমনোযোগী হয়ে পড়ার একটা প্রবণতাও লক্ষ করা যাচ্ছে। ঝরে পড়া রোধে তাঁরা অভিভাবক সমাবেশ করে থাকেন। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সময়ও এ ব্যাপারে বলা হয়ে থাকে। শিক্ষকেরা এ ব্যাপারে অভিভাবকদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করে পরিস্থিতির উন্নয়নের চেষ্টা করছেন।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হার ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর রাজশাহীতে ৭১ দশমিক ৯১ শতাংশ। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার এ হার চিন্তার বিষয় বলে জানিয়েছেন তিনি।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট