1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
শ্যামনগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর সঙ্গে উপজেলা জিএসএ-র সৌজন্য সাক্ষাৎ জনগণের প্রত্যাশা পূরণই পুলিশের প্রধান লক্ষ: আইজিপি বাঘায় জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা বৈমানিক থেকে মুক্তিযোদ্ধা,কিংবদন্তি নায়ক বীর উত্তম খাদেমুল বাশারের ৪৯তম প্রয়াণ দিবস আজ মির্জাপুরে নৌভ্রমণে এসে বিদ্যুতায়িত হয়ে প্রাণ গেল ২ যুবকের  ঠাকুরগাঁওয়ে মডেল টিটিসি বাস্তবায়নে সমন্বিত উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বিষয়ক মত বিনিময় সভা  রাজশাহীতে দুই ধর্ষণের ন্যায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সাফল্য শিবগঞ্জ ল্যাবরেটরি স্কুলের শিবগঞ্জে গৃহবধূ সুমাইয়া হত্যা নয়, এটি আত্মহত্যা, দাবি স্বামীর পরিবারের রাজশাহীতে শুরু হলো এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণ বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন

রাজশাহীতে ৫ বছরে ঝরে পড়ছে ২৮ ভাগ শিক্ষার্থী

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২৪৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# আবুল কালাম আজাদ…………………………….

পাঁচ বছরে রাজশাহীতে প্রায় ২৮ শতাংশ শিক্ষার্থী বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ছে। পঞ্চম থেকে এসএসসি পরীক্ষা পর্যন্ত আসতে এ পরিমান শিক্ষার্থী বিদ্যালয় ছেড়েছে। শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার এ হার চিন্তার বিষয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষক ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

 

তারা বলছেন, করোনাকালে দেড় বছরের বেশি সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ছিল। এর মধ্যে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমে যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা আর বিদ্যালয়ে আসছে না।

 

রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ও রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জেলায় ২০১৫ সালে ৪৬ হাজার ৩২৪ জন শিক্ষার্থী পিইসি (প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। ওই ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ২০১৮ সালে অষ্টম শ্রেণির জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যেই ৭ হাজার ৭ জন শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে। পরীক্ষা দেয় ৩৯ হাজার ৩১৭ জন শিক্ষার্থী।

 

২০২১ সালে তারা এসএসসি পরীক্ষা দেয়। ওই সময় আরও ছয় হাজার শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে। সব মিলিয়ে ৫ বছরে জেলায় ১৩ হাজার ৭ জন শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে, যা মোট শিক্ষার্থীর ২৮ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

 

নগরের তালাইমারি এলাকার একটি স্কুলের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তাঁর বিদ্যালয়ে চর এলাকার শিক্ষার্থী রয়েছে। ছাত্রীরা মূলত বাল্যবিবাহের কারণে ঝরে পড়ে। শিক্ষার্থীদের মা-বাবা তাঁদের বলেন, মেয়ে বড় হলে নিরাপত্তা নিয়ে তাঁদের ভাবতে হয়। এ জন্যই ছোট থাকতে বিয়ে দিয়ে তাঁরা নির্ভার হতে চান। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত যেতে তাঁর বিদ্যালয়ের অর্ধেকের বেশি মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। মামলা ও জরিমানা করেও এই বাল্যবিবাহের প্রবণতা কমছে না।

 

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, দারিদ্র্য ও বাল্যবিবাহের কারণে বেশি শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে। এর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার বিষয়ে অমনোযোগী হয়ে পড়ার একটা প্রবণতাও লক্ষ করা যাচ্ছে। ঝরে পড়া রোধে তাঁরা অভিভাবক সমাবেশ করে থাকেন। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সময়ও এ ব্যাপারে বলা হয়ে থাকে। শিক্ষকেরা এ ব্যাপারে অভিভাবকদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করে পরিস্থিতির উন্নয়নের চেষ্টা করছেন।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হার ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর রাজশাহীতে ৭১ দশমিক ৯১ শতাংশ। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার এ হার চিন্তার বিষয় বলে জানিয়েছেন তিনি।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট