1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
শিবগঞ্জে গৃহবধূ সুমাইয়া হত্যা নয়, এটি আত্মহত্যা, দাবি স্বামীর পরিবারের - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
না জানিয়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: সৌদি সরকারকে চিঠি পাঠাল ঢাকা একাদশে ভর্তির শেষ ধাপের আবেদন ২৬ ও ২৭ অক্টোবর সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখতে দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা বাড়ানোর আহ্বান রুহুল কবির রিজভীর সিদ্ধিরগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক স্থায়ী বহিষ্কার বাঘায় ৪৭ বোতল নিষিদ্ধ ইস্কাফ সিরাপসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার, স্বামী পলাতক দুর্গাপূজা ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ও সাইবার নজরদারি বাড়াল এসআরবি-৬ পোরশায় শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করলেন ১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আরিফুল ইসলাম নাচোলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে দুঃস্থ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে এমপি সানজিদা ইয়াসমিন তুলির শাড়ি বিতরণ শ্যামনগরে আদিবাসীদের ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত রূপসায় ‘লোক কৃষ্টি’ সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

শিবগঞ্জে গৃহবধূ সুমাইয়া হত্যা নয়, এটি আত্মহত্যা, দাবি স্বামীর পরিবারের

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ২২০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
oplus_0

৥ শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তারকে হত্যা করা হয়নি। সে নিজেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। কারণ ছিল সুমাইয়া রিমনের সাথে সংসার করতে না চাওয়ায় তার মা রুনা বেগমের সাথে কথা কাটাকাটি হলে তার মা রুনা বেগম  জোর করে তার স্বামীর বাড়িতে রেখে যায়। সেই রাতেই  স্বামী  বাড়িতে না থাকায়  অবস্থায়  গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার দুপুরে সোনামসজিদ এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রিমনের আত্মীয় সাদিয়া খাতুন লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

রিমনের চাচী ফরিদা বেগম বলেন, পুর্বে সুমাইয়ার আরো একটি বিয়ে হযেছিল। বিবাহিত  অবস্থায় স্বামী থাকার পর পরকীয়ার জেরে পূর্বের স্বামীর সংসার ত্যাগ করে রিমনকে বিয়ে করেন। পরে আবারো সে তার পূর্বের স্বামীর কাছে ফিরে যেতে চাইলে সুমাইয়ার মা-বাবাসহ অন্যান্য আত্মীয়রা বাধা দিয়ে রিমনের সংসার করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে বর্তমান স্বামীর সংসার করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। ফলে সুমাইয়ার সাথে তার মার সাথে কথা কাটাকাটি হয় এবং সে রাতেই তাকে জোর করে স্বামীর বাড়িতে রেখে যায়। তার মা বাড়ি থেকে যাবার সময় সুমাইয়া বলেছিল আমাকে আর জীবিত অবস্থায় পাবি না। তার মা যাবার পরই  রিমন বাড়িতে না থাকার সুযোগে  সুমাইয়া গলায় ফাঁস দিযে আত্ম হত্যা করে।

তারা আরো বলেন সুমাইয়ার সাথে রিমনের কোন ঘটনা আমরা শুনিনি। আমাদের জানা মতে রিমন কোনদিন যৌতুক দাবী করেনি। তিনি আরও বলেন, যদিও এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের দায়ের করা মামলা তদন্তধীন রয়েছে। তদন্ত প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। তারপরও সুমাইয়ার আত্মীয় স্বজনরা বিভিন্নভাবে তাদেরকে হয়রানী করছে ও হুমকি দিয়ে আসছে। সংবাদ সমেমলনে রিমনের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা  উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার ওসি মতিউর রহমান জানান, এ ঘটনায় সুমাইয়ার মা হত্যা মামলা দায়ের করলেও  এবং একাধিকবার তদন্ত হলেও শেষ অবধি ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে আত্মহত্যার প্রমান মিলেছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট