1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
শ্যামনগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর সঙ্গে উপজেলা জিএসএ-র সৌজন্য সাক্ষাৎ জনগণের প্রত্যাশা পূরণই পুলিশের প্রধান লক্ষ: আইজিপি বাঘায় জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা বৈমানিক থেকে মুক্তিযোদ্ধা,কিংবদন্তি নায়ক বীর উত্তম খাদেমুল বাশারের ৪৯তম প্রয়াণ দিবস আজ মির্জাপুরে নৌভ্রমণে এসে বিদ্যুতায়িত হয়ে প্রাণ গেল ২ যুবকের  ঠাকুরগাঁওয়ে মডেল টিটিসি বাস্তবায়নে সমন্বিত উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বিষয়ক মত বিনিময় সভা  রাজশাহীতে দুই ধর্ষণের ন্যায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সাফল্য শিবগঞ্জ ল্যাবরেটরি স্কুলের শিবগঞ্জে গৃহবধূ সুমাইয়া হত্যা নয়, এটি আত্মহত্যা, দাবি স্বামীর পরিবারের রাজশাহীতে শুরু হলো এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণ বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন

বৈমানিক থেকে মুক্তিযোদ্ধা,কিংবদন্তি নায়ক বীর উত্তম খাদেমুল বাশারের ৪৯তম প্রয়াণ দিবস আজ

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ জিয়াউল কবীর: আকাশের দক্ষ বৈমানিক, মাটির অকুতোভয় যোদ্ধা এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর রূপকার। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ৬ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল মোহাম্মদ খাদেমুল বাশার বীর উত্তমের আজ ৪৯তম প্রয়াণ দিবস।

১৯৭৬ সালের এই দিনে একটি প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় তেজগাঁওয়ে শহীদ হন তিনি। রাষ্ট্র স্বাধীনতাযুদ্ধে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করে। শৈশব থেকে আকাশে ১৯৩৪ সালের ২৮ মার্চ নাটোরের সিংড়া উপজেলার ছাতারবাড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন খাদেমুল বাশার। পিতা হাসমতুল্লাহ শাহ্ ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। শৈশবে ‘ডিকেন’ নামে পরিচিত মেধাবী এই ছাত্র সাতক্ষীরা প্রাণনাথ হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং রাজশাহী কলেজ থেকে আইএসসি সম্পন্ন করেন। ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনী একাডেমিতে যোগদানের মাধ্যমে শুরু হয় তার বৈমানিক জীবন। ১৯৫৬ সালে কমিশন লাভের পর দক্ষতার সাথে তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে দ্রুত পদোন্নতি পান। তিনি ছিলেন পাকিস্তান বিমানবাহিনীর ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র বাঙালি, যিনি একটি বোম্বার স্কোয়াড্রনের নেতৃত্ব দেন। ১৯৬৯ সালে তিনি ‘তমঘা-ই-বাসালাত’ পদক লাভ করেন।

১৯৭১: বিদ্রোহী কমান্ডার ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর তিনি আর পাকিস্তানি ইউনিফর্মে থাকতে পারেননি। ১৪ মে চরম ঝুঁকি নিয়ে ঢাকা ত্যাগ করে ভারতে পৌঁছান। মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানীর কাছে স্থলযুদ্ধে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে তাকে রংপুর-দিনাজপুর নিয়ে গঠিত ৬ নম্বর সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা হয়েও তিনি স্থলযুদ্ধে যে নেতৃত্ব দেখিয়েছেন তা বিরল। তার নেতৃত্বে ৬ নম্বর সেক্টরের সদরদপ্তর ও কয়েকটি সাব-সেক্টর বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই স্থাপিত হয়, যা পাকিস্তানি বাহিনী দখল করতে পারেনি। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে তিনি ছিলেন “অভিভাবক”।

ভূরুঙ্গামারী আক্রমণের আগের রাতে তিনি বলেছিলেন, “তোমরাই তো এখন আমার আপন পরিবার।” স্বাধীনতার পর তিনি এক অনন্য নজির স্থাপন করেন। সেনাবাহিনীর অনুরোধে রংপুরে ‘৭২ পদাতিক ব্রিগেড’ গঠন করে এর প্রথম কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। যা সামরিক ইতিহাসে বিরল। ১৯৭২ সালে তিনি বিমানবাহিনীতে ফিরে আসেন। ১৯৭৬ সালের মে মাসে এয়ার ভাইস মার্শাল পদে পদোন্নতি পেয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। স্বাধীনতার পর ধ্বংসপ্রায় বিমানবাহিনীকে আধুনিক ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল অগ্রণী।

১৯৭৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর তেজগাঁওয়ে বিমানবাহিনীর উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ স্কুলের উদ্বোধন করেন তিনি। উদ্বোধন শেষে নিজেই একটি প্রশিক্ষণ বিমানে ওড়েন। কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হলে ঘটনাস্থলেই শহীদ হন বীর উত্তম খাদেমুল বাশার ও স্কোয়াড্রন লিডার মফিজুল হক। তার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে ঢাকার তেজগাঁও বিমান ঘাঁটির নামকরণ করা হয় “বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ঘাঁটি বাশার”।

বীর উত্তম এয়ার ভাইস মার্শাল মোহাম্মদ খাদেমুল বাশার প্রমাণ করে গেছেন, দেশপ্রেম থাকলে আকাশও জয় করা যায়, আবার প্রয়োজনে মাটিতেও যুদ্ধ করা যায় বলে জনমতে দেখা যায়।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট