1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
বৃষ্টির অভাব পুড়ে যাচ্ছে চিনাবাদাম ক্ষেত, ক্ষতিগ্রস্তের  আশঙ্কায় পঞ্চগড়ের  কৃষকরা - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
সাইবার আইনে সাংবাদিকদের হয়রানি করা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশে ব্যাপক রদবদল পুজোর আগেই উধাও হবে মেচেতা! জেনে নিন ত্বকের দাগছোপ মোছার আধুনিক থেরাপি নওগাঁর পত্নীতলায় দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ সমাবেশ আড়ানি পৌরসভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জোরদার বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের প্রয়াণে এমপি মিলনের শোক প্রকাশ খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংগ্রহশালা পরিদর্শনে ঝালকাঠির অতিথিরা স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে পোরশায় বিএনপির আলোচনা সভা রূপসায় ভূমিদস্যু ও মামলাবাজদের কবল থেকে রক্ষা পেতে সেনা সদস্যের সংবাদ সম্মেলন রাসিকে জাতীয় নগর নীতি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর সেবা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

বৃষ্টির অভাব পুড়ে যাচ্ছে চিনাবাদাম ক্ষেত, ক্ষতিগ্রস্তের  আশঙ্কায় পঞ্চগড়ের  কৃষকরা

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২০৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ নুরুজ্জামান নুর, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে প্রতিবারের মত এবারও বাদামের প্রচুর আবাদ হয়েছে। তবে বৃষ্টি না হওয়ায় খরতাপে মরে যাচ্ছে বাদামগাছ।বাড়তি খরচ করে সেচ দিতে হচ্ছে শত শত বিঘা চরের জমির বাদাম। এতে ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এ অঞ্চলের কৃষকেরা।

এদিকে খরার কারণে বাদাম উৎপাদন কমার আশঙ্কা করছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। এ অবস্থায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বাদাম চাষিরা। বোদা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উঁচু এবং চরের মধ্যে শতাধিক বিঘা জমিতে চিনাবাদাম রোপণ করা হয়েছে। সেই বাদামের জমির অধিকাংশ বাদাম গাছ রোদের তাপে জড়ো লেগে যাচ্ছে। ফলে জমিতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বাদাম গাছ।

মাড়েয়া ইউনিয়নের কৃষক আসাদ মনোয়ার হোসেন জানান, গত বছর তিনি এক একর জমিতে বাদাম চাষ করেন। ভালো ফলন হওয়ায় এবার করেছেন দুই একর জমিতে। কিন্তু বৃষ্টি না আসায় প্রায় ক্ষেতের অধিকাংশ বাদামগাছ রোদে পুড়ে গেছে। লাভের পরিবর্তে এবার লোকসান গুনতে হবে।

কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের, গোফিপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল আলিম জানান, তারা দুই ভাই মিলে ৩০ শতাংশ জমিতে বাদাম চাষ করেছেন। খরচ হয়েছে প্রায় ৭ হাজার টাকা।এমনিতেই এ বছর শুকনো মাটির কারণে ৩০% বাদাম গজাতে পারেনি। তার উপর বৃষ্টির অভাবে বাকি বাদাম গাছ গুলোও শুকিয়ে বাদাম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে বাদাম ব্যবসায়ি রফিকুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা যায়,গত ৫ বছর যাবৎ বাদামের দাম বেশি থাকায় মানুষ বাদাম চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছে।আমি নিজেও ৫ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছি, বিঘায় (৩৩) শতকে প্রায় ১০/১২ মন বাদাম পাওয়া যায়। প্রতিমণ বাদাম ৩৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।কিন্তু এবছর অনাবৃষ্টিতে বাদ গাছ জ্বলে যাচ্ছে,আমরা সেচের সাহায্যে পানি দিয়ে গাছ গুলো বাচানোর চেষ্টা করছি।এতে গাছ গুলো বাঁচলেও বাদামের তেমন একটা ফলন পাওয়া যাবে না,বাদামের ফলন দিলেও বৃষ্টির অভাবে আর রোদের তাপে চিটার পরিমাণ বেড়ে যাবে।

স্থানীয় কয়েকজন কৃষক এর সাথে কথা বলে জানা যায়, যে পরিমাণ সারের দাম তার উপর সেচের একটা বারতি খরচ দিয়ে এবছর আর বাদামে লাভের মুখ দেখা যাবে না মনে হয়।

বোদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাশেদুন নবী (UAO) বলেন,এ খরার কারণে বাদামগাছ শুকিয়ে যাচ্ছে,কিছুদিন আগে চিন্তায় ছিলাম বাদাম গজানো নিয়ে। এটা প্রাকৃতিক বিষয়। বৃষ্টির পানির বিকল্প নেই। বৃষ্টি না হওয়ায় সৃষ্ঠ খরার কারণে এবার ফলন কম হতে পারে।আমরা কৃষকদের সতর্ক করে যাচ্ছি ১৬ তারিখ পর্যন্ত এই আবহাওয়া থাকতে পারে। #

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট