1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
 শিবগঞ্জের তেলকুপি কলমদর আলিম মাদ্রাসায়  অনিয়মের অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা শিবগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায়  সাইকেল আরোহী নিহত ‎অভয়নগরে ভুয়া দর্জি প্রশিক্ষণের জাল, নিবন্ধনহীন প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ বাণিজ্য ‎ গোদাগাড়ীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জোরদার পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পোরশায় চার মাদক ব্যবসায়ী আটক মায়ের কোল খালি, ছেলের পথচলা থেমে গেল—৩ ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু, পাশাপাশি দাফন ঠাকুরগাঁওয়ে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং  মৃত্যুর পর আমলনামা জারির প্রকৃত মাধ্যম ও প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক, পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে ধান ও আমের মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা বিঘ্নিত দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠিত

রাজশাহী নগরীতে বৃদ্ধার লিজকৃত জমিসহ বাড়ি জবরদখল, প্রশাসন সহযোগিতা করছে না

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২
  • ৩০৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী ………………………………………………………….

রাজশাহী নগরীতে এক বৃদ্ধার লিজকৃত জমিসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ  ঘটনায় ২৪ নভেম্বর  বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী বৃদ্ধা নারী রাজশাহী সংবাদিক ইউনিয়নে সংবাদ সম্মেলন এ অভিযোগ করেন।

 

এসময় তিনি বলেন, মানবিক কারণে আগে থেকে পরিচিত এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারিকে থাকতে দেয়া হয়। এরপর থেকে তিনি বাড়িটি দখল করে নিয়েছেন। এখন সে বাড়িতে ঢুকতেও দিচ্ছেনা আমাকে।

 

অভিযোগকারি বৃদ্ধার নাম সুরাইয়া আখতার (৭৪)। তিনি নগরীর ফুদকিপাড়া এলাকার মৃত আবদুল জাব্বারের স্ত্রী। বর্তমানে নগরীর রাণীনগর এলাকার এক ভাড়া বাড়িতে তিনি থাকছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে বৃদ্ধা সুরাইয়া আখতার বলেন, আমার প্রয়াত স্বামী আবদুল জাব্বার ভূমি অফিসে কর্মরত ছিলেন। ১৯৯৮ সালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ফুদকিপাড়া এলাকায় আড়াই কাঠার একটি জমি ইজারা নেন। সেখানে তিনি টিনশেড একটি বাড়ি তৈরি করেন। ১৯৯৯ সালে তার স্বামী  মারা যান। এরপর  থেকে আমি সেখানে আমার মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছিলাম।

 

২০২০ সালে আমি অসুস্থ হলে আমার দেখাশোনা করার জন্য কেউ না থাকার কারণে আমি বড় মেয়ের কাছে চলে যায়। যাওয়ার আগে  বাড়িটি দেখভালের জন্য, আমার পূর্ব পরিচিত মাইনুল হক মিনুকে থাকতে দেয়। তিন মাস পর আমি ফিরে আসলে তিনি আর আমাকে বাড়িতে উঠতে দেয়নি।

 

তিনি আরো বলেন, মিনুকে বাড়িটি ছেড়ে দেয়ার কথা বললেও তিনি ছাড়তে চাচ্ছেন না। বাড়ি দখলে নেয়ার বিষয়টি স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর, বোয়ালিয়া থানা ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত কেউ ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি।আমি বাড়ির ২০২০ সাল পর্যন্ত ইজারা অর্থ পরিশোধ করেছি।  তাস্বত্বেও বাড়িতে বসবাস করতে পারছি না।

 

আমার বাড়ীটি দখলের জন্য, এখন মাইনুল হক মিনু স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য  ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছে।

 

এবিষয়ে কথা বলার জন্য মাইনুল হক মিনু বলেন, আমি এখানে বসবাস করছি। জায়গাটি আমার। আমি জায়গাটি বরাদ্দ পেতে আবেদন করেছি জেলা প্রশাসকের দপ্তরে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট