1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারকে হামলা চেষ্টা ও ঘুষ দাবির অভিযোগ , প্রকৌশলীর অস্বীকার - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
খুলনার ত্রাস ‘শুটার আরমান’ গ্রেপ্তার: উদ্ধার বিদেশি পিস্তল ও শটগান ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর জোর রাষ্ট্রপতির ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে সামাজিক আন্দোলনের ডাক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর রূপসায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট: এনসি ইউনাইটেডকে হারিয়ে পুটিমারির জয় বদরগঞ্জে আম বাগান থেকে অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত: ক্যানুলা হাতে রাত জেগে রোগীর সেবায় ভোলার দুই চিকিৎসক রাজশাহী তানোরে টানা বৃষ্টিতে মাটির ঘর ধসে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: চাপা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ে ১২৭৫ পিস ট্যাপেনটাডল ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার পোরশায় পুনর্ভবা নদীর তীরে বরশি দিয়ে মাছ ধরার বর্ণিল উৎসব রাজশাহীতে বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন বেকারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারকে হামলা চেষ্টা ও ঘুষ দাবির অভিযোগ , প্রকৌশলীর অস্বীকার

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ২৩৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর বাঘা পৌরসভার এক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে কোভিড-১৯ প্রকল্প ও এডিপির কাজের বিল ছাড় করতে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবি এবং হামলার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন এক ঠিকাদার।

ঘটনাটি জানিয়ে ভুক্তভোগী ঠিকাদার সংবাদিকদের কাছে লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন। লিখিত বিবৃতিতে ঠিকাদার রবিউল ইসলাম দাবি করেন, বাঘা পৌরসভার কোভিড-১৯ প্রকল্পের আওতায় ৪টি প্যাকেজের প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকার কাজ তিনি ৬ মাস আগে শেষ করেছেন। কিন্তু ৫ মাস ধরে বিলের জন্য তাগিদ দিলে পৌরসভার প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম তার কাছে ৩ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের এডিপি প্রকল্পের আওতায় টেন্ডার আইডি ১২৫৮০১৬ এর ২৫০ মিটার রাস্তার কাজ তার সহধর্মিণীর প্রতিষ্ঠান “মায়ের দোয়া কনস্ট্রাকশন” পায়। ০৩/০৬/২০২৬ তারিখে কাজের গাঁথুনি নিয়ে আপত্তি তুলে প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম নতুন করে ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। ভুক্তভোগীর দাবি, ০৪/০৬/২০২৬ তারিখ সকালে বিলের তাগিদে গেলে প্রকৌশলী পূর্বের ৩ লাখ ও নতুন ১ লাখ টাকাসহ মোট ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে অন্য ঠিকাদারদের সামনে তার ফাইল ছুড়ে ফেলে দিয়ে হামলার উদ্দেশ্য চেয়ার তুলেন বলে লিখিত বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

ঠিকাদার রবিউল ইসলাম “হামলাকারী, ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ” প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন , ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের এডিপি প্রকল্পের আওতায় ২৫০ মিটার রাস্তার কাজ সিডিউল মোতাবেক না করার কারণে ঠিকাদার রবিউল ইসলামকে সিডিউল মোতাবেক কাজের তাগিদ দেন। এটিই ছিল আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের মূল কারণ। কাজ ভালো না হলে জনসাধারণ আমাদেরই বলে। আর কাজের ভালো মন্দ দেখভালের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময় অভিযোগের মুখে পড়তে হয়।

কোভিড-১৯ প্রকল্পের আওতায় ৪টি প্যাকেজের প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকার বিল প্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম বলেন, পৌর সভার ফান্ড থেকে ৮০%টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকি ২০%টাকা পিডি অফিস দিবে। সেখানে কাজের গুণগত মানের প্রমাণ সহ ফাইল পাঠানোর পর বিল দেয়।

বাঘা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী আক্তার বলেন , প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে কাজের গুণগত মান নিয়ে তার সাথে বাকবিতন্ডা হয়েছে বলে প্রকোশলী তাকে জানিয়েছেন। #

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট