1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রংপুরের বদরগঞ্জে মুনেশ্বরী নদী থেকে বালু লুটের অভিযোগ, প্রশাসন ব্যর্থ - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
নওগাঁর আত্রাইয়ে কালিকাপুর মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র যেন সাইনবোর্ড সর্বস্ব,  ওষুধের তীব্র সংকট সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে শামীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার দুর্গাপূজার মহাসপ্তমীতে খুলনা নগরীর নিরাপত্তা পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন কেএমপি কমিশনার দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যহানির আশঙ্কা: উপকূলের গভীর নলকূপে ছড়িয়ে পড়ছে নদীর লোনা পানি প্রধানমন্ত্রীর আগমনে রাজশাহীর উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে: রাসিক প্রশাসক শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রাসিক প্রশাসকের শুভেচ্ছা ও বাণী প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী আগমন উপলক্ষে চূড়ান্ত সমন্বয় সভা সম্পন্ন শিক্ষার আয়নায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ: ভবন ও জিপিএ-৫ বাড়ছে, কিন্তু আসল শিক্ষা কোথায়? ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’: কুষ্টিয়ায় লালনের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উদযাপিত না জানিয়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: সৌদি সরকারকে চিঠি পাঠাল ঢাকা

রংপুরের বদরগঞ্জে মুনেশ্বরী নদী থেকে বালু লুটের অভিযোগ, প্রশাসন ব্যর্থ

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
# বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: তীব্র গণ আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের পতন হলেও রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার যমুনেশ্বরী নদীর বালু লুট বন্ধ হয়নি। অভিযোগ উঠেছে সরকার বদলের সাথে সাথে বালু লুটের নেতৃত্বেও পরিবর্তন এসেছে। এলাকার লোকজন জানিয়েছেন- বালু লুট বন্ধে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান চালালেও এতে সফলতা আসছেনা বরং দ্বিগুণ উৎসাহে যমুনেশ্বরী নদীর বালু লুট হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে পুলিশ প্রশাসনহ রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বালু লুটে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
সরেজমিন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, যমুনেশ্বরী নদীর নাটারাম এলাকা থেকে শুরু করে নাগেরহাট ব্রিজ পর্যন্ত মোট ১৭টি পয়েন্ট থেকে বালু লুট করা হচ্ছে। এতে একদিকে ঝঁুকির মুখে পড়েছে আবাদী জমি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি। অপরদিকে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে মিঠাপুকুর-ফুলবাড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের একমাত্র যোগাযোগ রক্ষাকারী নাগেরহাট ব্রিজ। এছাড়া প্রতিদিন সরকার হারাচ্ছে কয়েক লাখ টাকার রাজস্ব। যমুনেশ্বরী বালু লুটের ইতিহাস ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে শুরু হলেও অন্তবর্তী সরকারের আমলেও তা’ থেমে নেই। তবে নেতৃত্বে বদল ঘটেছে। আগে বালু লুটে নেতৃত্ব দিতেন পলাতক আওয়ামী নেতারা। তাদের পলায়নের সুযোগে নেতৃত্ব পায় এনসিপি’র এক কেন্দ্রীয় নেতার কথিত মামা। তবে এলাকার লোকজনের আন্দোলনের মুখে তিনিও নেতৃত্ব থেকে দূরে চলে যান। বর্তমানে বালু লুটে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইউনিয়ন বিএনপি’র প্রভাবশালী তিন নেতা। আর পুরো বিষয়টি দেখভাল করছেন ডলার শাহ নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি।
সরাসরি তার রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া না গেলেও শুধুমাত্র টাকার জোরে তাকে এ দায়িত্ব দিয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপি’র এক প্রভাবশালী নেতা। আর তাকে সর্বদাই সহযোগিতা করে থাকেন অহিদুল নামে আরেক ইউনিয়ন বিএনপিনেতা। ফলে দিনরাত চলে বালু লুটের মহোৎসব। এলাকার লোকজন তাদের বিরুদ্ধে ভয়ে মুখ খুলতে চাননা। তবে সাহস করে এগিয়ে এসেছেন এলাকার শতাধিক তরুণ। তারা বালু লুট বন্ধে এলাকায় মানববন্ধনসহ উপজেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএসএম শাহাদাত হোসেন একাধিকবার অভিযান চালিয়ে বালু পরিবহনে জরিমানাসহ ড্রেজার মেশিন ধ্বংস করেছেন। কিন্তু এতেও কোন কাজ হয়নি বরং দ্বিগুণ উৎসাহে বালু লুটেরারা যমুনেশ্বরী নদীর বালু লুট করেই যাচ্ছেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ- স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের সহযোগিতা ছাড়া যমুনেশ্বরী নদীর বালু লুট করা সম্ভব নয়। কুতুবপুর ইউনিয়নস্থ অরুন্নেছা বাজারের লোকজন জানান, এলাকার জাহাঙ্গীর আলম এবং মোরশেদ আলম এ দু’জন পুলিশ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে বালু লুট করে যাচ্ছেন। তিনি ডজন খানেক চিহ্নিত সন্ত্রাসী দিয়ে নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বিরতিহীনভাবে বালু উত্তোলন করছেন। এ বিষয়ে কথা হলে জাহাঙ্গীর আলম দম্ভভরে বলেন, প্রতিদিন পুলিশকে ম্যানেজ করেই বালুর পয়েন্ট চালাতে হয়। এছাড়া আমি তো একাই নদী থেকে বালু উত্তোলন করছিনা।
 তিনি বলেন, নাগেরহাট এলাকার হাফিজুর মন্ডল, বেশ ক’জন বিএনপিনেতা বালু লুটের সাথে জড়িত। এমনকি বাগানপাড়ার জামায়াতকর্মী আক্কাছ আলী ও সোনারপাড়ার ডজনখানেক চিহ্নিত বালু লুটেরা আজ কোটিপতি হয়েছেন। তাহলে একাজে আমি জড়িত থাকলে সমস্যা কোথায়। এনিয়ে যা খুশি লিখতে পারেন অসুবিধা নেই।
অপরদিকে নাগেরহাট ব্রিজ ঘেঁষে বালু উত্তোলন করছেন স্থানীয় প্রভাবশালী ডলার, সোহাগ, বিপ্লবসহ কয়েকজন। তারা জানান, বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অনেক তো আন্দোলন হল। কিন্তু কি লাভ হয়েছে।  এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএসএম শাহাদাত হোসেন বলেন, বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান রয়েছে। যেখানেই বালু উত্তোলন হবে সেখানেই অভিযান চলবে। রাজনৈতিকনেতা কিংবা জনপ্রতিনিধি কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আঞ্জুমান সুলতানা বলেন, আমরা নাগের হাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছি।অভিযান অব্যাহত থাকবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট