1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
যশোরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে  যাবজ্জীবন কারাদণ্ড  - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
গোদাগাড়ীর গর্বিত পরিবারের আরও এক সদস্য সাবেক আইজিপি ড. এম. এনামুল হক আর নেই তানোরে জমিতে পানি দিতে গিয়ে নিখোঁজ, একদিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ করলেন রাসিক প্রশাসক নাটোরের গুরুদাসপুরে সুরতহাল প্রতিবেদনে বাধার পর পুলিশের ওপর হামলা, আটক ৯ জাতীয় প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন বানোয়াট: কালীগঞ্জ বিএনপি বাগমারায় মাদক সম্রাজ্ঞী ‘ফেন্সি জুলেখা’র গ্রেফতারের দাবিতে বিশাল মানববন্ধন সফল হওয়ার আগে ভালো মানুষ হতে হবে: বোদায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ছুটির দিনেও মাঠে ইউএনও জিল্লুর রহমান, রহনপুর পৌরসভার উন্নয়নকাজে সরেজমিন নজরদারি রাসিক প্রশাসকের সাথে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ: রাজশাহীর সার্বিক উন্নয়নে মতবিনিময় রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি অ্যালামনাই পুনর্মিলনী রেজিস্ট্রেশন শুরু

যশোরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে  যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২
  • ৪৮৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# উৎপল ঘোষ,(ক্রাইম রিপোর্টার)  ………………………………………

 

যশোরে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার স্পেশাল জজ(জেলা জজ) মোহাম্মদ সামছুল হক এ আদেশ দেন। আসামি মোফাজ্জেল হোসেন মন্টু শার্শা উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে। নিহত স্ত্রী সাফিয়া খাতুন দূর্গাপুর গ্রামের হযরত আলীর মেয়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্পেশাল পিপি সাজ্জাদ মোস্তফা রাজা।

 

আদালত সূত্র জানায়, ২০০০ সালে আসামি মোফাজ্জেল হোসেন মন্টু ফুসলিয়ে সাফিয়া খাতুনকে বিয়ে করে। যা সাফিয়ার পরিবারের লোকজন জানতেন না। প্রথমে মেনে না নিলেও এক পর্যায়ে সাফিয়ার পরিবার বিয়ের বিষয়টি মেনে নেয়। এদিকে, বিয়ের কয়েকদিনের মাথায় সাফিয়ার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে মন্টু। পরে সাফিয়া তার পরিবারকে বিষয়টি জানায়।

 

এ বিষয়ে মেয়ের পরিবার নিষেধ করলেও মন্টু সাফিয়ার উপর নির্যাতন অব্যাহত রাখেন । এ বিষয় নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বিচার করা হলেও মন্টু একই কাজ করতে থাকে। এরমাঝে ২০০২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে সাফিয়ার পরিবার জানতে পারে সাফিয়া মারা গেছে। তাৎক্ষনিক মন্টুর বাড়িতে গেলে তাদেরকে জানানো হয় সাফিয়া নিজে আত্মহত্যা করেছে। পরে তার লাশ যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

ময়না তদন্ত শেষে লাশ দাফন করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে আসে সাফিয়া আত্মহত্যা করেনি। তাকে মারপিট করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার পরই সাফিয়ার মা কদবানু বাদী হয়ে ২০০২ সালের ৫ ডিসেম্বর মন্টুর বিরুদ্ধে শার্শা থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলাটি তদন্ত করেন এসআই লিয়াকত হোসেন। তার তদন্তেও উঠে আসে সাফিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ২০০২ সালের ২০ ডিসেম্বর আদালতে মন্টুকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেন। সর্বশেষ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষনা করা হয়। আসামি মন্টু পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে আদালত।#

সান/২৬

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট