1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
নওগাঁ  জেলায় চায়নাজালে মাছ নিধন চলছে অবাধে, হুমকিতে দেশীয় প্রজাতির মাছ - দৈনিক সবুজ নগর
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
এমপি মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় নাচোলে জরাজীর্ণ সড়ক পরিদর্শন, দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস বাগমারায় ইজারা নেওয়া পুকুর দখল ও মাছ চুরির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি ঋণখেলাপির তালিকা থেকে সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম মোল্লার নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশ মির্জাপুরে দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর, হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক মির্জাপুরের হাটুভাঙ্গায় টোল আদায় বন্ধের দাবি, চরম ক্ষোভে স্থানীয় ও পথচারীরা রাসিকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের হাতে আনুতোষিকের চেক তুলে দিলেন প্রশাসক রাজশাহীর চারঘাটে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার শিক্ষার্থীদের মেধার মূল্যায়ন না করলে আন্দোলন তীব্র হবে: রাকসু ভিপি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অ্যানথ্রাক্সের প্রাদুর্ভাব: দুই মাসে ৫৪ জন সংক্রামিত, ঝুঁকিতে গবাদিপশু ও মানুষ শিবগঞ্জে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ১

নওগাঁ  জেলায় চায়নাজালে মাছ নিধন চলছে অবাধে, হুমকিতে দেশীয় প্রজাতির মাছ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৪০৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ ফিরোজ আহমেদ বিশেষ প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় চায়নাজাল ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ নিধন অব্যাহত রয়েছে। নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ও দেশীয় প্রজাতির মাছ এখন চরম হুমকির মুখে।

স্থানীয় জেলেরা জানান, চায়নাজালের মাধ্যমে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরা পড়ে যাওয়ায় মাছের প্রজনন চক্র ভেঙে যাচ্ছে এবং কমে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছের সংখ্যা। চায়নাজাল একটি নিষিদ্ধ জাল, যা অত্যন্ত সূক্ষ্ম ফাঁসযুক্ত হওয়ায় ছোট পোনাও নিস্তার পায় না। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে যখন নদীতে পানি বেড়ে যায়, তখন এসব জাল বসিয়ে রাতভর মাছ ধরা হয়। নদী তীরবর্তী এলাকায় এই জাল দিয়ে মাছ শিকার যেন এখন রুটিন কাজ হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় এক পরিবেশকর্মী বলেন, “চায়নাজাল ব্যবহার শুধু অবৈধই নয়, এটি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আইন প্রয়োগ না হলে আগামীতে আত্রাই নদীতে মাছ বিলুপ্তির পথে যাবে।”

মান্দা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, “আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি, তবে জনবল ও নৌকার সীমাবদ্ধতার কারণে পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। জনসচেতনতা ও স্থানীয় সহযোগিতা ছাড়া এই সমস্যা নিরসন সম্ভব নয়।”

এদিকে স্থানীয় সৎ জেলেরা দাবি করছেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি ও প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় এই চায়নাজাল ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। তারা প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ ও নিয়মিত নজরদারি দাবি করেছেন। আত্রাই নদী শুধু একটি নদী নয়, এটি স্থানীয় মানুষের জীবিকার অন্যতম উৎস এবং পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। চায়নাজালের অবৈধ ব্যবহার রোধ না হলে এটি আগামী প্রজন্মের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে। সময় এসেছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট