1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
অনিয়মঃ তানোরে সওজের সড়ক মেরামত দেড় মাসেই ভেঙে খানাখন্দে পরিণত, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ - দৈনিক সবুজ নগর
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
নওগাঁর পত্নীতলায় নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ সামন্তসেনা মাদ্রাসায় নবীন বরণ ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সৈয়দ মিজানুর রহমানকে অশ্রুসিক্ত বিদায় নওগাঁর আত্রাইয়ে অস্থিতিশীলতার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না: ফজলুল হক মিলন এমপি ভোলায় পারিবারিক বিরোধে স্ত্রীকে এসিড নিক্ষেপ: স্বামী আটক এনসিপির ভোলা জেলার নতুন কমিটি ঘোষণার পরই সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ জলবায়ু পরিবর্তনে ন্যায়বিচার ও ন্যায্য অর্থায়নের দাবি ড. সাইমুম পারভেজের রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে মীরের চক জামে মসজিদ কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সুশৃঙ্খল ও সাশ্রয়ী অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের কর্মকাণ্ডে জাতিসংঘকে পাশে চায় বাংলাদেশ

অনিয়মঃ তানোরে সওজের সড়ক মেরামত দেড় মাসেই ভেঙে খানাখন্দে পরিণত, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৮২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোর থেকে মোহনপুর পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক মেরামতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দেড় মাস না যেতেই সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভেঙে ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগে পড়ছেন ওই অঞ্চলের হাজারো মানুষ।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার এবং পাথর কম দেওয়ায় মেরামতের পর অল্প সময়েই সড়কটি ভেঙে পড়েছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, রিকশাভ্যান, অটোরিকশা ও ট্রাক চলাচলের সময় সড়কের খানাখন্দে আটকে পড়ছে। বিশেষ করে তানোর গোল্লাপাড়া বাজার এলাকায় একটি ড্রেন নির্মাণেও সিডিউল মোতাবেক কাজ না হওয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তানোরের কাশিমবাজার-বায়া পর্যন্ত এলজিইডির সড়ক ভেঙে পড়ায় বিকল্প হিসেবে তানোর-মোহনপুর সড়ক দিয়ে বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। আশির দশকে এই সড়ক দিয়েই মানুষ রাজশাহী শহরে যাতায়াত করতেন। কিন্তু বর্তমানে এটি মূলত বিশেষ প্রয়োজনে ব্যবহৃত হলেও ভাঙাচোরা অবস্থায় দুর্ঘটনা বাড়ছে। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ঝোপঝাড় আর গাছের ডালপালা বেড়ে এক থেকে দেড় ফুট পর্যন্ত রাস্তা ঢেকে ফেলেছে। সেগুলো অপসারণেও কোনো উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এ কারণে প্রতিদিন ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানান স্থানীয়রা।

অন্যদিকে, মোহনপুর উপজেলার খানপুর ও আমরাইল-পুল্লাকুড়ি এলাকায় বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় পানি সরাসরি সড়কের ওপর দিয়ে নামছে। এতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাছাড়া সড়কের ওপর অপরিকল্পিতভাবে বড় বড় ইট ফেলার কারণে অটোভ্যান, উল্কাগাড়ি ও পিকআপ আটকে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

রাজশাহী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সানজিদা আফরিন ঝিনুক জানান, “এই সড়ক মেরামত কাজে কোনো ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এজন্য কোনো অর্থও বরাদ্দ হয়নি। কেবল অফিসের গাড়ি, লোকবল ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে মেরামত করা হয়েছে।” তবে অসমর্থিত একটি সূত্র দাবি করেছে, প্রায় ১২ কোটি টাকার কোটেশন দেখিয়ে গোপনে পছন্দের ঠিকাদার নিয়োগ করা হয় এবং মেরামতের অর্থ তছরুপ করা হয়েছে। এতে নিম্নমানের কাজে দেড় মাসের মধ্যেই রাস্তা ভেঙে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আমরাইল-পুল্লাকুড়ির মজিদ, মহসিন ও মেছের আলী বলেন, “আমরা প্রতিদিন এ সড়ক ব্যবহার করি। রাস্তাটি এখন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। যানবাহন তো দূরের কথা, হেঁটেও যেতে কষ্ট হচ্ছে।” এক ভ্যানচালক রুস্তম আলী অভিযোগ করেন, “প্রায় দেড় মাস আগে গর্তে কিছু পাথর দিয়ে পোড়া মবেলের মতো গন্ধযুক্ত জিনিস ফেলে মেরামত করা হয়েছিল। কয়েকদিনের মধ্যেই সড়কটি আবার ভেঙে পড়ে।”

এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহেদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। পরে নির্বাহী প্রকৌশলী সানজিদা আফরিন ঝিনুক আবারও জানান, “কোনো ঠিকাদার ছাড়াই অফিসের লোকবল দিয়ে কাজ করা হয়েছে। তথ্য জানতে চাইলে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করতে হবে।” এলাকাবাসী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট