1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
সারিয়াকান্দিতে প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
বাঘায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ছাত্রলীগ নেতাসহ ২ জনের কারাদণ্ড টাঙ্গাইলে গৃহবধূ তামান্না হত্যা: অভিযুক্ত স্বামীকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিল জনতা রূপসায় ৩৯ বছরের শিক্ষকতা শেষে লায়লা জেসমিন আখতারীর বিদায়ী সংবর্ধনা কুষ্টিয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার সারিয়াকান্দিতে প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নৈহাটি ইসলামীয়া ক্যাডেট একাডেমির ২য় সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণী নাচোলে বেহাল সড়ক পরিদর্শনে মেয়র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম, দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস বিজিবির উদ্যোগে ভোলাহাট সীমান্তে মাসব্যাপী ‘ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়ারিং’ প্রশিক্ষণ শুরু রাসিক কর্মচারী গিয়াসুজ্জামানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করলেন প্রশাসক ভোলায় অনুমোদনহীন অটোরিকশার দাপট: তীব্র যানজট ও দুর্ঘটনায় নাকাল জনজীবন, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

সারিয়াকান্দিতে প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সারিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাকী মো. জাকিউল আলম ডুয়েলের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তবে কমিটি গঠনের প্রায় এক মাস পেরিয়ে গেলেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অন্যতম গুরুতর অভিযোগ হলো বিদ্যালয়ের পুরোনো বই ও খাতা নিয়মবহির্ভূতভাবে বিক্রি করে দেওয়া। অভিযোগ রয়েছে, কোনো সরকারি নীতিমালা ও নিলাম প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে এবং ক্রয়-বিক্রয় উপ-কমিটিকে না জানিয়ে গত ২৬ মার্চ, ২০২৬ (সরকারি ছুটির দিনে) এসব বই-খাতা বিক্রি করা হয়। এছাড়া বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ না করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অনিয়ম তদন্তে উপজেলা প্রশাসনের গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন: ১. সঞ্জয় কুমার পাল – উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (কমিটি প্রধান)

২. শেখ মো. মাহতাবুর রহমান – উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (সদস্য)

৩. কাজল সরকার – মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার (সদস্য)

কমিটি গঠনের এক মাস পার হলেও তদন্তের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। অভিভাবকদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে সত্য উন্মোচন করা জরুরি। সময়ক্ষেপণ হলে তথ্য-প্রমাণ লোপাট বা বিভ্রান্তি সৃষ্টির আশঙ্কা থাকে।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সঞ্জয় কুমার পাল জানান, “আমাদের তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কাজ শেষ হলেই উপজেলা প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট