
স্টাফ রিপোর্টার | রাজশাহী: আদালতের সুস্পষ্ট রায় ও সরকারি নোটিশ থাকা সত্ত্বেও জমি দখল, হুমকি ও ফসল কেটে নেওয়ার অভিযোগে আরএমপি কমিশনারের নিকট লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী এসএম জিয়াউল কবির। ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ অনুযায়ী ব্যবস্থা ও ক্ষতিপূরণের দাবি।
আদালতের সুস্পষ্ট রায়, নামজারি এবং সরকারি নোটিশ থাকা সত্ত্বেও জমিতে প্রবেশে বাধা প্রদান, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক ফসল কেটে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ন্যায়বিচার, বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এসএম জিয়াউল কবির।
গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আরএমপি কমিশনার বরাবর প্রেরিত আবেদনে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, রাজশাহী মহানগরীর দামকুড়া থানাধীন হরিপুর ও গোপালপুর মৌজার মোট ৪ একর ০৪ শতক জমির মধ্যে তাঁর স্বত্বদখলীয় ৭৩.৫০ শতক এবং অন্য পক্ষের ২৯৩.৪২ শতক জমির সীমানা সরকারিভাবে সুস্পষ্টভাবে নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতের রায় ও সরকারি নোটিশ অনুযায়ী তাঁর স্বত্ব নির্ধারিত থাকলেও প্রতিপক্ষ ও তাদের সহযোগীরা আইন অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দখল এবং ফসলি জমি ভোগদখল করছে।
আবেদনে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, এজাহারনামীয় প্রধান আসামিদের পাশাপাশি তাদের বেশ কয়েকজন সহযোগী বেআইনিভাবে জমিতে অনুপ্রবেশ করছে এবং প্রকাশ্যে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। এ প্রেক্ষিতে তিনি দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারার পাশাপাশি ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩’-এর নির্দিষ্ট ধারা যুক্ত করা এবং নতুন সহযোগীদের চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানান।
ভুক্তভোগী বাদী এসএম জিয়াউল কবিরের দাবি, পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারি আইন ও আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন করে তাঁর বেদখল হওয়া জমির দখল পুনঃউদ্ধার করতে হবে। একই সাথে প্রতিপক্ষ কর্তৃক জোরপূর্বক কেটে নেওয়া ফসলের আনুমানিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার আবেদন জানান তিনি।
উল্লেখ্য, উক্ত লিখিত আবেদনের সঙ্গে জেলা মেজিস্ট্রেটের স্মারক, এডিএম আদালতের রায়ের কপি, এবং ভূমি অফিসের প্রতিবেদনসহ মোট ১৪ পাতার প্রমাণাদিসংক্রান্ত নথিপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।#