1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
মির্জাপুরে গেড়ামারা বাজার–দীঘুলিয়া সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী, ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ - দৈনিক সবুজ নগর
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
টাঙ্গাইল সদরে ৮৫০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কাউন্সিলর প্রার্থী আবু হাশেম নিখোঁজ: স্বজনদের উদ্বেগ মির্জাপুরে বংশাই নদীতে জমজমাট ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাক্তন ব্যাচ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন কুষ্টিয়া-৪ এমপির ভাইয়ের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ রাজশাহীতে সর্প দংশন সচেতনতা দিবসে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভোলায় মাদকসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার, চরপাতা ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে সভা: শিক্ষায় ফিরেছে ৮৭ শিশু রূপসায় কিশোর কল্যাণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মিলনায়তন ও প্রাচীর উদ্বোধন, জাতীয়করণের দাবি সারিয়াকান্দি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি পদ থেকে বিএনপি নেতা অ্যাড. নূর-এ-আজম বাবু অপসারণ

মির্জাপুরে গেড়ামারা বাজার–দীঘুলিয়া সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী, ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৩৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# মো সাইফুল ইসলাম শান্ত, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গেড়ামারা বাজার–দীঘুলিয়া সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের পর কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। উপজেলা প্রকৌশলীর নির্দেশে সাইটে মজুদ রাখা নিম্নমানের খোয়া অপসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়ে নির্ধারিত মানের উপকরণ ব্যবহার করে পুনরায় কাজ সম্পন্নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের গেড়ামারা বাজার–দীঘুলিয়া সড়কের সাব-বেজ নির্মাণকাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কৃষ্ণা স্টুডিও এর প্রতিনিধি বেলাল রাতের অন্ধকারে নিম্নমানের খোয়া সাইটে এনে মজুদ করেন। পরে ওই খোয়া বালুর সঙ্গে মিশিয়ে কাজে ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ‎ ‎বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরার পাশাপাশি এলজিইডি কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পরদিন উপজেলা প্রকৌশলীসহ এলজিইডির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে নিম্নমানের খোয়া মজুদের সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ওই খোয়া ও সংশ্লিষ্ট মালামাল সাইট থেকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। ‎ ‎

এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে শোকজ করা হয়েছে। নিম্নমানের মালামাল অপসারণ করে এলজিইডির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে নির্ধারিত মানের খোয়া দিয়ে সাব-বেজের মিক্সসহ বাকি কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‎ ‎

উপজেলা প্রকৌশলীর স্বাক্ষরিত দাপ্তরিক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী মানসম্মত খোয়া সাইটে মজুদ ও অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত পরবর্তী নির্মাণকাজ বন্ধ থাকবে। নির্দেশনা অমান্য করলে বিল পরিশোধসহ পরবর্তী সব প্রশাসনিক জটিলতার দায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকেই বহন করতে হবে। ‎ ‎স্থানীয়দের মতে, সময়মতো প্রশাসনের হস্তক্ষেপে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার রোধ করা সম্ভব হয়েছে। তারা উন্নয়নকাজে নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ নিশ্চিত করা হয়।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট