1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
শুরু হতে যাচ্ছে  চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্বাদে ভরা আমের বাজার - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
প্রবীণ শিক্ষক আবু সাঈদ মাস্টার আর নেই শাপলা সৃজনমঞ্চ নজরুল উৎসবের উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক রাসিক প্রশাসক রিটন মহিষবাথান পূর্বপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়ন কাজ ও ঈদগাহ পরিদর্শন শিবগঞ্জে পুলিশি অভিযানে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক: উদ্ধার পিস্তল, গুলি ও ম্যাগজিন নওগাঁর পত্নীতলায় নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ সামন্তসেনা মাদ্রাসায় নবীন বরণ ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সৈয়দ মিজানুর রহমানকে অশ্রুসিক্ত বিদায় নওগাঁর আত্রাইয়ে অস্থিতিশীলতার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না: ফজলুল হক মিলন এমপি ভোলায় পারিবারিক বিরোধে স্ত্রীকে এসিড নিক্ষেপ: স্বামী আটক এনসিপির ভোলা জেলার নতুন কমিটি ঘোষণার পরই সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

শুরু হতে যাচ্ছে  চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্বাদে ভরা আমের বাজার

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ১৫৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোহা: সফিকুল ইসলাম, শিবগঞ্জ(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)সংবাদদাতা: আর  ক’দিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে আমের রাজধানীখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ- হচ্ছে প্রতিবছরের ন্যায়  আম মৌসুম। বর্তমানে চলছে  মুহূর্তে  জেলার বিভিন্ন আমবাগানে  পরিচর্যা, আম সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণের প্রস্তুতি।

ব্যবসায়ী ও বাগান মালিকরা জানিয়েছেন, ঐতিহ্য মেনে এবারও পরিপক্ক ও সুস্বাদু আমই ভোক্তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোপালভোগ, খিরসাপাত, রানিপছন্দসহ নানা জাতের আমের স্বাদ নিতে প্রতি বছর অপেক্ষায় থাকেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আর ১৪-১৫দিন পরেই  বাজারে উঠতে শুরু করবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম। স্থানীয় গুটি জাতের আম দিয়েই সাধারণত শুরু হয় জেলার আম মৌসুম। এরপর পর্যায়ক্রমে বাজারে আসে গোপালভোগ, খিরসাপাত, রানিপছন্দ,ন্যাংড়া,ফজলী, বগলাগুঠি, বিভিন্ন জাতের আম।

জিআই সনদপ্রাপ্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আমের সুনাম দেশজুড়ে। অনেকেই এই আমকে ‘হিমসাগর’ নামেও চেনেন। জেলার বিভিন্ন আমবাগান ঘুরে দেখা গেছে, আম সংগ্রহ ও বাজারজাতের প্রস্তুতিতে  ব্যস্ত  সময় পার করছেন শ্রমিক ও বাগান মালিকরা।

শহরের আনসার ক্যাম্প সংলগ্ন এক আমবাগানে কথা হয় আম উদ্যোক্তা সাইদ ইসলাম জাফরের সঙ্গে। তিনি জানান, এ বছর আমগাছে ভালো মুকুল এসেছিল। তবে মাঝে মধ্যে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিছু গুটি ঝরে গেছে। তারপরও গাছে থাকা আম পরিপক্ক হলেই বাজারজাত শুরু করবেন বলে জানান তিনি।সদর উপজেলার মহারাজপুর এলাকার বাগান মালিক সুমন ইসলাম বলেন, “এ বছর প্রায় ৯৫ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছিল। শিলাবৃষ্টি ও প্রাকৃতিক কারণে কিছু ক্ষতি হয়েছে। তারপরও যে পরিমাণ আম রয়েছে, তা নিয়েই আমরা সন্তুষ্ট। এখন শুধু বাজারে ভালো দাম পাওয়ার অপেক্ষা।

শিবগঞ্জের আম ব্যবসায়ী রুবেল জানান,প্রথমে আমের গুঠি ভাল আসলেও বৈরী আবহাওয়ায় আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।তবে যা আছে, ভাল দাম পেলে ও বিভিন্ন হয়রানী থেকে মুক্ত থাকতে পারলে ভালই ফলাফল পাবো। তবে এখন থেকেই যে ধরনের সিন্ডিকেট শুরু হয়েছে তাতে আম ব্যবসায়ীদের হয়রানীর হওয়অল আশংঙ্কা রয়েছে। সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। শিবগঞ্জের আরো অনেক আম ব্যবসায়ী ও আম চাষীদের এক মন্তব্য।”

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ব্যবসায়ী ও বাগান মালিকরা জানান, এ জেলায় বরাবরই পরিপক্ক আম সংগ্রহের ঐতিহ্য রয়েছে। প্রকৃতির নিয়মে আম পরিপক্ক হওয়ার পরই তা সংগ্রহ করা হয়। এ কারণেই এখানে নির্দিষ্ট কোনো ‘ম্যাংগো ক্যালেন্ডার’ অনুসরণ করা হয় না।সদর উপজেলার অনুপনগর ইউনিয়নের শহিন আলী জানান, গাছে পাকার লক্ষণ দেখা দিলেই আম সংগ্রহ করে বাজারে পাঠানো হবে। তিনি বলেন, “আচারের জন্য স্থানীয় গুটি আম কাঁচা অবস্থায় সংগ্রহ করা হলেও গোপালভোগ বা খিরসাপাতের মতো ভালো জাতের আম কখনোই কাঁচা অবস্থায় পাড়া হয় না।”চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বাণিজ্যের একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে ফেসবুকভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তারা। তারা জেলার বিভিন্ন বাগান ও বাজার থেকে আম সংগ্রহ করে কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেন। তবে চলতি মৌসুমে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও পরিবহন সংকটের কারণে কুরিয়ার খরচ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা। পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে প্রশাসনের নজরদারি দাবি করেন এসব উদ্যোক্তা।

নিরাপদ ও পরিপক্ক আম সংগ্রহে বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন ফল বিজ্ঞানীরাও। আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরফ উদ্দিন জানান, পরিপক্ক আম চেনার বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে বাগান মালিকদের সচেতন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “বালাইনাশক ব্যবহারের পর অন্তত দুই সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আম সংগ্রহ করতে হবে। এতে ভোক্তারা নিরাপদ আম পাবেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট