1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
শিবগঞ্জ সীমান্ত থেকে অর্ধগলিত বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ উদ্ধার গাজীপুর জেলা পেশাজীবী সাংবাদিক পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সভাপতি ডাঃ এফ রহমান, সম্পাদক নাসির, সাংগঠনিক সম্পাদক  শুল্কায়ন মূল্য বাড়ায় ১৭দিন যাবত পাথর আমদানী বন্ধ, স্থবির সোনামসজিদ স্থলবন্দর,বেকার হয়ে পড়েছে সহস্রা ধিক শ্রমিক খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর মনোনীত হলেন মোঃ সাদিকুর রহমান পত্নীতলায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলার  আসামী ঢাকা থেকে গ্রেফতার, বিস্ফোরক  দ্রব্য ও হিরোইন উদ্ধার   ফারাক্কার লংমার্চের ৪৯ বছর পরও  চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মা নদী যেন শুকনা চর শিবগঞ্জের  ৫৬ কমিনিটি ক্লিনিকে  ৯মাস থেকে ঔষধ বন্ধ, ভোগান্তিতে সেবা গ্রহিতরা   সরকারের ভিজিএফের চাল পেয়ে দুস্থ পরিবারগুলো আনন্দে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন: ফজলুল হক মিলন এমপি

হারিয়ে যেতে বসেছে গরুর গাড়ি, যান্ত্রিক সভ্যতার চাপে গ্রামীণ ঐতিহ্যের অবসান!

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫
  • ৭২৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন, বিশেষ প্রতিনিধি :

এক সময় বরেন্দ্র অঞ্চলের গ্রামীণ জীবনের অঙ্গ ছিল গরুর গাড়ি। মাঠে-ঘাটে, রাস্তা-ঘাটে গরুর গাড়ির শব্দে মুখরিত হতো গ্রামের সকাল-বিকেল। পণ্য পরিবহন থেকে শুরু করে যাত্রী চলাচলে এই বাহন ছিল কৃষক ও গ্রামবাসীর নির্ভরতার প্রতীক। কিন্তু যান্ত্রিক যুগের বিকাশের সাথে সাথে আজ সেই গরুর গাড়ি যেন কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে।

আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন প্রত্যন্ত গ্রামেও পাওয়া যাচ্ছে মোটরসাইকেল, তিন চাকার অটো গাড়ি, ইজিবাইক ও ট্রাক। দ্রুত গতি ও কম সময়ের কারণে মানুষ ঝুঁকছে এই যানবাহনের দিকে। ফলে একসময়ের জনপ্রিয় গরুর গাড়ি এখন পরিণত হয়েছে শুধু স্মৃতির পাতায়, কিংবা কোনো মেলায় প্রদর্শনীর জিনিসে।

রাজশাহীর তানোর উপজেলার বাসিন্দা ষাটোর্ধ্ব গণেশ বলেন, “আগে দিনে ৩-৪টা করে মালভর্তি গরুর গাড়ি নিয়ে যেতাম বাজারে। এখন কেউ আর ভাড়া করে না। গাড়িও পড়ে আছে এক কোণায়।” তাঁর কণ্ঠে হতাশা আর বুকের ভেতর চাপা বিষণ্নতা স্পষ্ট।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরুর গাড়ি শুধু পরিবহনের মাধ্যমই নয়, এটি ছিল বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি ছিল কৃষকের আত্মপরিচয়, শিশুদের খেলাধুলার স্মৃতি, এবং মাটির ঘ্রাণ মেশানো জীবনের এক নিঃশব্দ সাক্ষ্য। বর্তমানে বৃহত্তর বরেন্দ্র অঞ্চলের কিছু এলাকায় মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি গরুর গাড়ি টিকে আছে। কেউ কেউ শখ করে ব্যবহার করেন, কেউবা সংস্কৃতি ধরে রাখতে ঘরোয়া উদ্যোগ নিচ্ছেন। তবে এর দীর্ঘমেয়াদী টিকে থাকা এখন প্রশ্নবিদ্ধ।

যান্ত্রিকতার গতি জীবনের প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু ঐতিহ্য না থাকলে জাতির শিকড় হয় দুর্বল। হারিয়ে যেতে বসা গরুর গাড়ির এই করুণ পরিণতি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, আমরা কি সত্যিই এগিয়ে যাচ্ছি, নাকি পিছিয়ে পড়ছি মানুষের ছোঁয়া ও প্রকৃতির বন্ধন থেকে?।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট