1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
হারিয়ে যেতে বসেছে গরুর গাড়ি, যান্ত্রিক সভ্যতার চাপে গ্রামীণ ঐতিহ্যের অবসান! - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ৬ বছরে অবিশ্বাস্য ১২ কেজি স্বর্ণ! পোরশায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাবলম্বীতায় পোরশায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ সভা গাছের কাঠ পোড়ানো সব ইটভাটা বন্ধ করা হবে: ড. সাইমুম পারভেজ নাচোলে এ-১ স্পোর্টিং ক্লাবের হাতগোলী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু, সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জনের প্রাণহানি ৫০ থেকে ৫১তম জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত বিএমএসএফ সভাপতি আহমেদ আবু জাফর বাঘায় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চুরি: আলমারি, ফ্যান ও তার চুরি, থানায় অভিযোগবাঘায় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চুরি: আলমারি, ফ্যান ও তার চুরি, থানায় অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে লেবু বাগান থেকে ১৭টি ককটেল উদ্ধার করল পুলিশ ও র‍্যাব

হারিয়ে যেতে বসেছে গরুর গাড়ি, যান্ত্রিক সভ্যতার চাপে গ্রামীণ ঐতিহ্যের অবসান!

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫
  • ৯৯১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন, বিশেষ প্রতিনিধি :

এক সময় বরেন্দ্র অঞ্চলের গ্রামীণ জীবনের অঙ্গ ছিল গরুর গাড়ি। মাঠে-ঘাটে, রাস্তা-ঘাটে গরুর গাড়ির শব্দে মুখরিত হতো গ্রামের সকাল-বিকেল। পণ্য পরিবহন থেকে শুরু করে যাত্রী চলাচলে এই বাহন ছিল কৃষক ও গ্রামবাসীর নির্ভরতার প্রতীক। কিন্তু যান্ত্রিক যুগের বিকাশের সাথে সাথে আজ সেই গরুর গাড়ি যেন কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে।

আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন প্রত্যন্ত গ্রামেও পাওয়া যাচ্ছে মোটরসাইকেল, তিন চাকার অটো গাড়ি, ইজিবাইক ও ট্রাক। দ্রুত গতি ও কম সময়ের কারণে মানুষ ঝুঁকছে এই যানবাহনের দিকে। ফলে একসময়ের জনপ্রিয় গরুর গাড়ি এখন পরিণত হয়েছে শুধু স্মৃতির পাতায়, কিংবা কোনো মেলায় প্রদর্শনীর জিনিসে।

রাজশাহীর তানোর উপজেলার বাসিন্দা ষাটোর্ধ্ব গণেশ বলেন, “আগে দিনে ৩-৪টা করে মালভর্তি গরুর গাড়ি নিয়ে যেতাম বাজারে। এখন কেউ আর ভাড়া করে না। গাড়িও পড়ে আছে এক কোণায়।” তাঁর কণ্ঠে হতাশা আর বুকের ভেতর চাপা বিষণ্নতা স্পষ্ট।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরুর গাড়ি শুধু পরিবহনের মাধ্যমই নয়, এটি ছিল বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি ছিল কৃষকের আত্মপরিচয়, শিশুদের খেলাধুলার স্মৃতি, এবং মাটির ঘ্রাণ মেশানো জীবনের এক নিঃশব্দ সাক্ষ্য। বর্তমানে বৃহত্তর বরেন্দ্র অঞ্চলের কিছু এলাকায় মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি গরুর গাড়ি টিকে আছে। কেউ কেউ শখ করে ব্যবহার করেন, কেউবা সংস্কৃতি ধরে রাখতে ঘরোয়া উদ্যোগ নিচ্ছেন। তবে এর দীর্ঘমেয়াদী টিকে থাকা এখন প্রশ্নবিদ্ধ।

যান্ত্রিকতার গতি জীবনের প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু ঐতিহ্য না থাকলে জাতির শিকড় হয় দুর্বল। হারিয়ে যেতে বসা গরুর গাড়ির এই করুণ পরিণতি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, আমরা কি সত্যিই এগিয়ে যাচ্ছি, নাকি পিছিয়ে পড়ছি মানুষের ছোঁয়া ও প্রকৃতির বন্ধন থেকে?।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট