1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহীর তানোরের চিনাশো মাদরাসায় নানা অনিয়মের অভিযোগ - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
জমি নিয়ে দেওয়ানি মামলা চললেও ভূমি অপরাধের বিচার বন্ধ নয়, জালিয়াতি-জবর দখলে রয়েছে পৃথক আইনি প্রতিকার বাঘায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ সারিয়াকান্দিতে সাংবাদিকদের সাথে এমপি কাজী রফিকুল ইসলামের মতবিনিময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদীচীর ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আত্রাইয়ের ৪ প্রবাসীর দাফন সম্পন্ন রাজশাহীতে মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভাল-২০২৬ উপলক্ষে প্লেয়ার অকশন অনুষ্ঠিত রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাজশাহী সিটি ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বদরগঞ্জে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শিবগঞ্জের কানসাটে ৫.৮৫০ কেজি হেরোইনসহ আটক ১ বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৪.৮৪%, শূন্য পাস ১১ প্রতিষ্ঠানে

রাজশাহীর তানোরের চিনাশো মাদরাসায় নানা অনিয়মের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ মে, ২০২২
  • ৫৮২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

Table of Contents

# মমিনুল ইসলাম মুন ………………………………..

রাজশাহীর তানোরের মুন্ডুমালা পৌরসভার চিনাশো সিনিয়র আলিম মাদরাসায় নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী মাদরাসার বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে গত ১৭ মে মঙ্গলবার ডাকযোগে স্থানীয় সাংসদ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, মাদরাসায় নিয়মিত পাঠদান হয় না।এছাড়াও মাদরাসার অস্থিত্ব ধরে রাখতে অনেক ভুয়া ছাত্র-ছাত্রী দেখানো হয়েছে। এমনকি আলিম বিভাগে ছাত্রছাত্রী ভর্তি দেখানো হলেও কখানো কোনো ক্লাস নেয়া হয় না। জানা গেছে, বিগত ১৯৬৯ সালে উপজেলার পাঁন্দর ইউনিয়নের (ইউপি)(তৎকালীন) চিনাশো গ্রামে চিনাশো এবতেদায়ী মাদরাসা স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে দাখিল ও ১৯৭৭ সালে আলিম বিভাগের স্বীকৃতি অর্জন করে।মাদরাসার প্রায় ১০ একর ফসলী সম্পত্তি রয়েছে। অথচ মাদরাসার সীমানা প্রাচীর নাই, মানসম্মত একাডেমিক ভবন নাই, নাই কমন রুম, বিজ্ঞানাগার, কম্পিউটার ল্যাব ও লাইব্রেরী নাই।

মাদরাসায় আলিম বিভাগে শিক্ষক রয়েছে ৬ জন, দাখিল বিভাগে ১৯ জন ও কর্মচারী রয়েছে ৬ জন। সৃজনশীল বোঝে এবং প্রশ্ন করতে পারে এমন শিক্ষক এখানে নাই। সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও শিক্ষকরা পরীক্ষার প্রশ্ন নিজেরা প্রণয়ন করতে পারেন না। শিক্ষক সমিতি বা বিভিন্ন পেশাদার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রশ্ন কিনে পরীক্ষা নেয়া হয়। আবার অনেক সময় গাইড বই দেখে প্রশ্ন তৈরি করা হয়। অথচ গাইড ও নোটবইয়ের দাপট কমাতে এই পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। একাধিক অভিভাবক বলেন, মাদরাসার বিশাল সম্পত্তির আয়-ব্যয়ের কোনো হিসাব অধ্যক্ষ দেন না। এছাড়াও নৈতিক শিক্ষার নামে জেহাদি বই-পুস্তক পড়ানো হয় এবং শিক্ষক-কর্মচারী সবাই সরাসরি জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ও সক্রিয় রয়েছে।

১৮ মে বুধবার সরেজমিন মাদরাসায় দেখা গেছে, আলিম বিভাগে কোনো ছাত্র-ছাত্রী নাই, দাখিল বিভাগে মাত্র ৫ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে, মাদরাসার মাঠে ধান শুকানো হচ্ছে, আর শিক্ষকরা টেবিলে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছেন।স্থানীয় অভিভাবকগণ সরেজমিন তদন্ত করে মাদরাসার অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা হারুন অর রশিদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি ঢাকায় আছেন। এবিষয়ে সহকারী অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত) আফসার আলী বলেন, এসব অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি বলেন, একটি প্রতিষ্ঠান চালাতে গেলে ছোট-খাটো ক্রটিবিচ্যুতি থাকবে এটা স্বাভাবিক। এবিষয়ে মাদরাসার সভাপতি ও কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন মন্টু বলেন, আগে কি হয়েছে বলতে পারবেন না,তবে তার সময়ে কোনো  অনিযম বা দুর্নীতি হয়নি।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট