1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত গৃহবধূর কান থেকে স্বর্ণের দুল চুরির  অভিযোগ মালির বিরুদ্ধে, তদন্ত কমিটি গঠন আত্রাইয়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ আত্রাইয়ে দুঃস্থদের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ রূপসায় খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত রানীশংকৈলে লুমিনাস গ্রুপের কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দূর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ গোদাগাড়ীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ ভোলা জেলা পুলিশ লাইনে আধুনিকায়িত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মেসের শুভ উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক দুই নদীতে ডুবে তিনজন নিখোঁজ, ৫ ঘণ্টা পর স্কুলশিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার তানোরের চান্দুরিয়া ইউনিয়ন বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা, সচেতনতা ধরে রাখার আহ্বান

সাঘাটায় রূপচাঁদার নামে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ রাক্ষসী বিষাক্ত পিরানহা!

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪১৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মো. শাহাদত হোসেন খোকন/ মোছাঃ শাহরিন সুলতানা সুমা:  সাঘাটা উপজেলার সাঘাটা বাজারে রূপচাঁদার নামে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ হিংস্র -রাক্ষসি বিষাক্ত পিরানহা মাছ। এ মাছ অন্যান্য মাছের তুলনায়  দাম কিছুটা কম হওয়ায় চিনতে না পেয়ে অনেকেই নিষিদ্ধ ওই বিষাক্ত পিরানহা রূপচাঁদা মাছ ভেবে কিনছে। এ মাছের প্রতিকেজির দাম ২০০ টাকা এবং স্বাদ একটু বেশি হওয়ায সাধারণ মানুষের কাছে অনেকটা গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। অনেকের পছন্দের তালিকায় আছে এ মাছ।

স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা পিরানহা মাছকে সামুদ্রিক রূপচাঁদা মাছ হিসেবেই বিক্রয় করে থাকেন। পিরানহা মাছ সাধারণত দুই প্রকার। ব্ল্যাক বেলি পিরানহা (কালো পেটওয়ালা) ও রেড বেলি পিরানহা (লাল পেটওয়ালা)। এ মাছের প্রধান আবাসস্থল দক্ষিণ আমেরিকা, ব্রাজিলসহ কয়েকটা দেশের নদীতে। এ মাছ একটি হিংস্র এবং রাক্ষুসে মাছ। সারা বিশ্বে মানুষখেকো মাছ হিসেবে পরিচিত পিরানহা মাছের মানুষের প্রথম আঘাতের স্থান পায়ের আঙ্গুল। তিন ধরনের শব্দ উৎপন্ন করার মাধ্যমে এদের নিজস্ব একটা ভাষা আছে। জলাশয় বা নদীর অন্যান্য মাছ সমূলে ধ্বংস করে। ক্ষুধার্ত থাকার সময় এক পিরানহা আরেক পিরানহা মাছকেও খেয়ে থাকে। ধারালো দাঁত আর প্রায় মানুষের মতো জিহ্বা থাকার কারণে সে তার লক্ষ্যবস্তুতে শরীরের ১০ গুণ বেশি শক্তিতে কামড় দিতে সক্ষম।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৩০টি মাছ একটি হরিণকে খেতে সময় নেয় মাত্র ১ ঘণ্টা। এ মাছের এমন কিছু বিষক্রিয়া আছে যা আমাদের পাকস্থলি বিনষ্ট করার প্রধান হাতিয়ার। এক বোতল অ্যালকোহলের চাইতেও এ মাছের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি অংশ বেশি ক্ষতিকর। পিরানহা মাছের চর্বি আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করে। এ মাছে থাকা ফসফেট আমাদের মূত্র প্রদাহ সৃষ্টি করে। নববিবাহিত নারীর বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টির অন্যতম কারণ। প্রস্রাবের সঙ্গে শরীর থেকে অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যালসিয়াম ও রক্ত বের করে দেয়। পিরানহা মাছ খেলে মানসিক সমস্যাসহ মানুষের দেহে নানান রোগের সৃষ্টি করে।

আরও জানা যায়, আমাদের এলাকায় মূলত রেড বেলি পিরানহা মাছ বেশি পাওয়া যায়। একটি অসাধু চক্র এই মাছ আমাদের এলাকায় আনার পেছনে দায়ী। বাংলাদেশ সরকার এ মাছকে ২০০৮ সালে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও সেই আইনের প্রতি তোয়াক্কা না করে একটি অসাধু চক্র বেশি লাভের আশায় প্রতিনিয়ত সাঘাটা উপজেলা বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেই চলছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট