1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
গোদাগাড়ীতে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে যুবককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা রাজমিস্ত্রির কাজের প্রলোভন, রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে শিবগঞ্জের ওয়াসিম বাঘায় ভাঙা রাস্তার উঁচু ব্রিজে আম নিয়ে উঠতে গিয়ে ভ্যান উল্টে চালক নিহত, এলাকাবাসীর রাস্তা মেরামতের দাবি রাজশাহীতে রেস্তোরাঁয় ভাঙচুর বোমার বিস্ফোরণ ও লুটপাট, প্রতিবাদে মানববন্ধন রাজশাহী নগরীতে দেয়াল কেটে দোকানে প্রবেশ করে ২০০ভরি স্বর্ণ রুপা ও টাকা লুট কচুয়া কারিগরি ভোকেশনাল স্কুল ও বাণিজ্য মহাবিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি অধ্যাপক মজিবুর রহমান ফলোআপ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ঠেলে পাঠানো ২০ জনকে ফেরত নিল বিএসএফ রূপসায় বিদেশি অস্ত্রসহ যুবক আটক শিবগঞ্জের চৌকা সীমান্তে ২০জনকে পুশইনে বিএস এফের চেষ্টা ব্যার্থ, বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে  উত্তেজনা মসজিদে নামাজ পড়াচ্ছিলেন ইমাম, মোটরসাইকেল নিয়ে গেল চোর

মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চায় পোরশার নজরুল

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩
  • ৩৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

পোরশা(নওগাঁ)প্রতিনিধি…………………………………………………………….

৮৫ বছরে পা রাখলেও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর বাংগালপাড়া গ্রামের মৃত ফজলে রাব্বির ছেলে নজরুল ইসলাম। যুদ্ধকালীন ২২-২৩ বছরের ওই যুবক বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করেও কোন স্বীকৃতি পাননি আজও। বিভিন্ন সময় মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেও কাজ হয়নি। মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে স্বীকৃতির পাওয়ার আশায় এক সময় নওগাঁ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বরাবর আবেদন লিখে একটি চিঠি পেলেও তা দিয়ে কোন কাজ হয়নি।

 

সরজমিনে, নজরুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে কথা হয় তার সাথে। নিজের কোন জমি না থাকায় পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ৫ শতক জায়গার উপর ছোট একটি ঝুপড়ি বাড়িতে স্ত্রী কে নিয়ে থাকেন। ৫ ছেলে ও ২ মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। তারা যে যার মত বসবাস করেন।

 

তিনি জানান, ১৯৭১ সালে যুদ্ধ চলাকালীন সময় তিনি ভারতের তপন থানাধীন দৌড়গঞ্জে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে ৭নং সেক্টরের আওতায় বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরের অধিনে সেকেন্ড ল্যান্ড ফোর্স মোজাহিদ দলে হাবিলদারের দায়িত্ব পালন করেন। এসময় বাংগালী মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে তিনি বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধ করেন। তারপরেও তিনি মুক্তিযোদ্ধার সনদ পাননি।

 

তিনি আরো  বলেন, তৎকালিন পোরশা উপজেলায় নেতৃত্বদানকারি এমএলএ ডাঃ বশিরুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে উপজেলার মিছিরা গ্রামের আব্দুর রহমান, গাঙ্গুরিয়ার আকবর আলী মাস্টার, পোরশার মজিবর রহমান, সাপাহার উপজেলার তিলনা গ্রামের দুই ভাই সাদেক ও মজিবর এক সাথে বিভিন্ন এলাকায় মুক্তি যোদ্ধাদের সাথে যুদ্ধ করেছেন। তিনি ক্ষোভের সাথে জানান, জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর যাদের সাথে যুদ্ধ করেছি। কিন্তু জীবন মরন সন্ধিক্ষণে এসেও মিলেনি মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি। তবে পেয়েছি একটি বয়স্ক ভাতার কার্ড। গরীব নিঃশ হওয়ার কারণে তার কেউ খোঁজ বা তার কথা শোনেনা বলে তিনি দাবি করেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট