1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ঢলন প্রথার ফাঁদে আম বিক্রেতারা,  চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষিত - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
পোরশায় ট্রান্সফরমার পুড়ে যাওয়ার পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল ও চার্জের অভিযোগ, গ্রাহকদের ক্ষোভ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন: বিশ্ব বাস্তবতায় সভাপতির ঘোষিত ৬ অগ্রাধিকার ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ রাসিক বিদ্যুৎ শাখার কর্মকর্তাদের সাথে প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের মতবিনিময় ঠাকুরগাঁওয়ে সেন্ট মাদার তেরেজা স্কুলে বিজ্ঞান মেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত পদ্মা নদীতে নৌকাডুবি: উদ্ধার ১০ বাংলাদেশিকে বিএসএফের হস্তান্তর মির্জাপুরে অটোরিকশা ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় চালককে কুপিয়ে জখম, হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তরুণ বাঘায় খাটের নিচে মিলল ২টি বিদেশি পিস্তল ও গুলি, নারী গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মায় নৌকাডুবি: বিএসএফের উদ্ধার ১০ বাংলাদেশিকে ফেরত আনল বিজিবি পবার হরিপুর ইউপি চত্ত্বরে সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টা ও মানহানির অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে সেন্ট মাদার তেরেজা স্কুলে বিজ্ঞান মেলা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা উদ্বোধন

ঢলন প্রথার ফাঁদে আম বিক্রেতারা,  চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষিত

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫
  • ৮৪৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ আব্দুল বাতেন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট আম হাট বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আমের বাজার। এই হাটে প্রতিদিন প্রচুর আম কেনাবেচা হয়। কিন্তু এখানকার আড়ৎদাররা দীর্ঘদিন ধরে ঢলন ও শোলা প্রথার নামে আমচাষিদের ঠকিয়ে আসছে। প্রশাসন একাধিকবার বৈঠক করেও এ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি। কানসাট আম বাজারের শতাধিক আড়ৎদার নিজেদের মতো করে আম কেনাবেচার নিয়ম চালু করেছেন।

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে কেজি দরে আম কেনার নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা মানছেন না আড়ৎদাররা। নির্দেশনা অনুযায়ী ৪০ কেজিকে এক মণ ধরা হলেও, তারা প্রতি মণ কিনছেন ৫০ থেকে ৫২ কেজি পর্যন্ত। এতে চাষিদের দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১০-১২ কেজি আম—যা ঢলন হিসেবে নেওয়া হয়।

কানসাট আমহাটে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় ফড়িয়া ও আড়ৎদার। তারা চাষিদের কাছ থেকে আম কিনছেন নিজেদের নিয়মে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কার্যত উপেক্ষিত। স্থানীয় আমচাষিরা বলছেন, আমরা একপ্রকার জিম্মি হয়ে পড়েছি। ঢলনের নামে আমাদের থেকে অতিরিক্ত আম নেওয়া হচ্ছে। এতে আমাদের লাভের বদলে ক্ষতিই বেশি হচ্ছে। আড়ৎদারদের ভাষ্য, আম পচনশীল পণ্য। অনেক সময় আম পচে যায় বা ছোট আম বের হয়, তাই ঢলন নিতে হয়।

বিষয়টি নিয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আজহার আলী বলেন, “এখনো পর্যন্ত কেউ অতিরিক্ত ঢলন নেওয়ার লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” চাষি ও বিক্রেতারা বলছেন, প্রশাসনের নজরদারি না থাকলে ঢলনের নামে তাদের ঠকানো বন্ধ হবে না। বাজারে কেজি দরে সঠিকভাবে আম বিক্রির পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট