1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
পশুর চামড়া ছাড়ানো ও সংরক্ষণে বিনামূল্যে কাজ করে প্রশংসা কুড়িয়েছে বাঘার আনসার-ভিডিপির সদস্যরা ভোলাহাটে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’র ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভোলাহাট আম ফাউন্ডেশন’র বাজার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত বাঘা পৌর বিএনপির আয়োজনে জিয়াউর রহমানের শাহাদৎবার্ষিকীতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল বাঘায় জিয়া পরিষদের আয়োজনে জিয়াউর রহমানের শাহাদৎবার্ষিকীতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল আত্রাইয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত ঘোড়ার গাড়িতে রাজকীয় বিদায়, ভালোবাসায় সিক্ত প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জে ROLE_উত্তরিয়’র  ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত  ‌‌ শিবগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. শামীমকে তার নিজ এলাকায় সংবর্ধনা

ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক, পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে ধান ও আমের মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা বিঘ্নিত

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# এম. এস. আই শরীফ, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক! একমাত্র ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনে পর্যাপ্ত তেল না থাকায় ধান ও আমের মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা ভেস্তে যেতে বসেছে! ধান ও আমচাষীগণের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুদৃষ্টি দেয়ার আহবান জানিয়েছেন।

ভোলাহাটে বর্তমান ভরা ধানের মৌসূম। অর্থকরী ফসল বা ফল আমের পরিচর্যায় জ্বালানী তেলের দরকার। এ দুটি ফসলের লক্ষ্যমাত্রাকে সঠিক রাখতে চাষাবাদের পরিচর্যা লক্ষণীয়। পর্যাপ্ত জ্বালানী তেলের অভাবে ধান ও আম চাষাবাদে ব্যাহত হলে আশানুরূপ ফলনও পাবে না চাষীগণ। ধান ও আমফলের চাষাবাদ ও ফসলের লক্ষ্যমাত্রায় রাখতে ও পরিচর্যা করতে প্রয়োজন জ্বালানী তেলের। এ জ্বালানী তেল সংগ্রহে লক্ষাধিক চাষীগণ চাতক পাখির মত চেয়ে থাকেন “ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন” এর দিকে। এখানে চাষীদের চাহিদানুপাতে তেল না পাওয়ায় তারা নানা ধরণের ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে এবং “ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন” টিতে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না হলে চাষীগণ চরম বেকায়দায় পড়বে বলে পরিলক্ষিত হয়েছে।

Open photo NaN

এ ব্যাপারে “ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন” এর স্বত্বাধিকারী মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, বর্তমানে সপ্তাহে তেল পাচ্ছি ২৬/২৭ হাজার লিটার। উপজেলার চাষীদের চাহিদানুপাতে প্রয়োজন সপ্তাহে ৫০/৫৬ হাজার লিটার। ধানের ভরা মৌসূমে ও আমগাছের পরিচর্যার জন্য জ্বালানী তেলের চাহিদা প্রচুর। তাই ধানচাষী ও বিশেষ করে আমচাষীদের প্রচুর জ্বালানী তেলের চাহিদানুপাতে সপ্তাহে আসা উল্লেখিত তেল পর্যাপ্ত নয়। সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ হাজার লিটার তেল সরবরাহ দেয়া হলে ধান ও আমচাষীদের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবো বলে তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট