1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
 চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ, চরম ক্ষোভ  - দৈনিক সবুজ নগর
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
বাঘায় পদ্মায় অবৈধ বালু উত্তোলন: আলাইপুর-গোকুলপুর ঘাটে অভিযানে ২ জনের ২ লাখ টাকা জরিমানা যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বাঘায় হিমেলের গেঞ্জি বিতরণ কালীগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসার-ভিডিপিকে এমপি মিলনের দিক নির্দেশনা দেবহাটায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২ আসামি গ্রেপ্তার কালীগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ স্বামী গ্রেপ্তার, পালালেন স্ত্রী সারিয়াকান্দিতে ২৮টি পূজামণ্ডপে শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক জাকির পোরশায় ৪০ শিক্ষার্থীর কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন, সনদসহ ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা ভাতা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর উপলক্ষে মাদ্রাসা মাঠ পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১১ কেজি গানপাউডার ও ৯২টি ককটেল উদ্ধার করল এসআরবি রাজশাহীতে সড়ক ও জনপথ শ্রমিক ইউনিয়নের আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ, চরম ক্ষোভ 

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪১০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ বাঁশখালীতে তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ৭নং দক্ষিণ সরল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে এক ২৩ বছর বয়সী মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য,ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগী কাশেফা বেগমের অভিযোগ অনুযায়ী, একই এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে ও সুযোগ বুঝে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে স্থানীয় স্বজন ও পরিচিত ব্যক্তিরা জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠায় ঘটনাটি আরও ভয়াবহ ও মানবিক দিক থেকে হৃদয়বিদারক রূপ নিয়েছে।

ভুক্তভোগী কাশেফা বেগম জানান,বাড়ির পাশের টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে গেলে একই এলাকার রিদওয়ান, হামিদু উল্লাহ ও খোরশেদ তাকে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়।এ সময় চিৎকার করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।ভুক্তভোগী আরও জানান, তারা একে একে তার ওপর ধর্ষণ চালায়। ঘটনার পর কাশেফা চরম আতঙ্ক ও মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েন। ঘটনা ঘটে সেই এলাকায়, যেখানে মানুষ একে অপরকে চেনে এবং প্রতিবেশী হওয়া সত্ত্বেও এমন পাশবিক অপরাধের শিকার হতে হয়।

ভুক্তভোগী কাশেফা বেগম আরও অভিযোগ করেন, মাহমুদ উল্লাহ (বয়স আনুমানিক ৪০) নামের এক ব্যক্তি তাকে বিভিন্ন সময় টাকার প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। বাথরুমে যাওয়ার সময়, বাড়ির আশপাশে একা থাকার সুযোগ পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে একাধিকবার ধর্ষণ চালাত।কাশেফা বেগমের ভাষ্য অনুযায়ী, মাহমুদ উল্লাহ তাকে বারবার হুমকি দিত, যদি কেউ বিষয়টি জানে তাহলে তাকে হত্যা করা হবে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী অভিযুক্তরা হলেন রিদওয়ান, হামিদু উল্লাহ, খোরশেদ ও মাহমুদ উল্লাহ। ঘটনার পর ভুক্তভোগী বিষয়টি তার মা-বাবা ও নানানানিকে জানালেও তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। এতে কাশেফা আরও অসহায় হয়ে পড়েন এবং দীর্ঘদিন নীরবে নির্যাতন সহ্য করতে বাধ্য হন। পরে ভুক্তভোগী আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন এবং ন্যায়বিচারের জন্য তদন্ত ও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা বলছেন,একজন মানসিক প্রতিবন্ধী নারীকে এভাবে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ সমাজের নৈতিকতা ও মানবিকতার জন্য ভয়াবহ হুমকি। তারা দাবি করছেন, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, মানসিক প্রতিবন্ধী নারী ও কিশোরীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়। কাশেফা বেগম প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,আমি আমার ওপর হওয়া অন্যায়ের বিচার চাই।যারা আমার সঙ্গে এই কাজ করেছে, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক।এ ঘটনায় স্থানীয় পরিবার, প্রতিবেশী ও সচেতন নাগরিকরা দ্রুত তদন্ত এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য দাবি জানিয়েছে।

ভুক্তভোগীর পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। স্থানীয়দের মতে,যদি দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে অপরাধীরা আরও সাহসী হয়ে উঠবে এবং দুর্বল ও প্রতিবন্ধী নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে।

সমাজকল্যাণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক প্রতিবন্ধী নারী ও কিশোরীদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা দরকার, কারণ তারা সহজে নির্যাতনের শিকার হয়। তারা আরও বলেন, সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনের সক্রিয়তা ছাড়া এমন ঘটনা কমানো সম্ভব নয়। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ধর্ষণ একটি গুরুতর অপরাধ। ভুক্তভোগী যদি মানসিক প্রতিবন্ধী হয়,তাহলে সেটি আরও গুরুতর হিসেবে গণ্য করা উচিত। আদালত ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দ্রুততার সঙ্গে বিষয়টি বিবেচনা করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার,বিচার এবং কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন,ঘটনার পর পুরো ইউনিয়নে নিরাপত্তা ও সামাজিক সতর্কতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে পুলিশি উপস্থিতি বৃদ্ধি, সচেতনতা মূলক শিক্ষা ও সম্প্রদায়ের সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা জরুরি। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরী ও নারীকে সহায়তা ও সুরক্ষা প্রদান না করলে সমাজে অপরাধীদের দৌরাত্ম্য অব্যাহত থাকবে। এই ঘটনায় সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ সরকারের নজরে আনা জরুরি।

স্থানীয়রা আরও বলেন, বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। সমাজের নৈতিকতা ও মানবিক দায়িত্ব রক্ষা করার জন্য রাষ্ট্র ও স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় পদক্ষেপ অপরিহার্য।

ভুক্তভোগী কাশেফা বেগমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি আইনের সর্বোচ্চ সুরক্ষা চাচ্ছেন এবং তার ওপর হওয়া অন্যায়ের বিচার দাবি করছেন। ঘটনার তীব্রতা ও মানবিক দিক বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ এবং মানবাধিকার সংস্থা সমন্বিতভাবে ব্যবস্থা নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। সকলের লক্ষ্য, এমন নৃশংস ঘটনা যেন আর না ঘটে এবং মানসিক প্রতিবন্ধী ও দুর্বল নারী ও কিশোরীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। এই ঘটনায় পুরো সমাজকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট