
মোহা: সফিকুল ইসলাম, শিবগঞ্জ(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)সংবাদদা
সরজমিনে ঘূরে কমিনিটি ক্লিনিক এলাকার অতি দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সাথে কথা বললে ,তারা জানান ,দীর্ঘ নয় মাস থেকে আমরা কমিনিটি ক্লিনিকে কোন ধরনের ঔষধ পাচ্ছি না। আমরা গরীব মানুষ। ঔষধ কিনতেও পারছি না। এধরনের হানিফা বেগম(৭০) একজন অসহায় মহিলা জানান আমি ডায়াবেটিকস ও হাইপ্রেসারের রোগী। গরীব মানুষ। ঔষধ কিনতে পারি না। আগে এ কমিনিটি ক্লিনিকে এসে অল্প অল্প করে ঔষধ পেতাম,সপ্তাহে দুই দিন পেতাম। তাতে আমার চলতো। কিন্তু নয় মাস থেকে কোন ঔষধ পাচ্ছি না। কিনতেও পারছি না। তাই অসহায় জীবন-যাপন করছি।
আদরী বেগম (৪০) নামে আরেক মহিলা জানান, আমার স্বামী বাইরে কামলা খাটে। সে টাকা দিয়ে সংসার ঠিক মত চলে না। তাই মাঝে মাঝে জ¦র,সর্দি কাশি হলে কমিনিটি ক্লিনিক হতে হালকা কিছু ঔষধ পেতাম। নয় মাস থেকে কোন ঔষধ পাই না। গরীব মানুষ ঔষধ কিনতেও পারছি না। একই ধরনের কথা উপজেলার সব এলাকার বিশেষ করে গরীব ও অসহায় শত শত নারী পুরুষের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কমিনিটি ক্লিনিকে একজন সি এইচ সিপি জানান প্রতিদিন কমিনিটি ক্নিনিকে আসা অনেক অসহায় নারী পুরুষ ঔষধ দিতে না পারায় নিজেকেই খুব খারাপ লাগে। কিন্তু আমাদের করার কিছু নেই।
এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পণা অফিসার ডা: কামাল উদ্দিন বলেন,আগে অপারেশন প্লান্ট নামে একটি প্রজেক্টের মাধ্যমে শিবগঞ্জে মোট ৫৬টি কমিনিটি ক্লিনিকে ৩৭ ক্যাটাগরির ঔষধ আসতো। পরে কমিয়ে ২২ ক্যাটাগরির ঔষধ আসতো। সেটাও জুলাই আন্দোলনে ৫ আগস্টের পর থেকে সে প্রজেক্টটি বন্ধ হয়ে গেছে। তারপরও কিছুদিনঔষধ সরবরাহ ছিল। কিন্তু ৯ মাস থেকে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ আছে। প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিকে সি এইচ সিপি পদে একজন করে কর্মচারী আছে। তিনি আরো জানান কমিনিটি ক্লিনিকে ঔষধ সরবরাহের জন্য ৫ আগস্টের আগে একটি অপারেশন প্লান্ট প্রজেক্টটি , শুধু কমিনিটি ক্লিনিকের জন্যই কাজ করতো। বর্তমানে বন্ধ আছে। তবে একটি ট্রাস্টের মাধ্যমে চালু করার চেষ্টা চলছে। চালু হলে আবারো ঔষধ আসতে পারে। আমরা সং্িশ্লষ্ট দপ্তরকে বার বার অবহিত করছি। আশা করি খুব শীঘ্রই ্ঔষধ সরবরাহ হবে ।#