1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের বেহাল দশা, সংস্কারের অপেক্ষায় যাত্রীরা রানীশংকৈলে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে পঞ্চম শ্রেণীতে ‘ক্লাস পার্টি দিনভর চলল নাচ-গান ও আড্ডা  ফলোআপ: শিবগঞ্জে  চাঞ্চল্যকর গৃহপরিচালিকা নয়নী হত্যাকান্ডের মূল আসামী মেহেবুব এ খোদা নোমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ   লালপুরের পদ্মা নদীতে স্পীডবোটের মধ্যে গুলিবিদ্ধ যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালীগঞ্জে বসত বাড়ীতে হামলা করে স্বর্ণালংকারসহ ২৫ লাখ টাকার মালামাল লুট কাশিমাড়ী ইয়ুথ সোসাইটির উদ্যোগে যুবকদের সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত বাঘায়  বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের  স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন উদ্বোধন তানোরে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ  আপন চাচার বিরুদ্ধে তালার নুরু বিশ্বাস ও সাবেক যুব জামায়াতের নেতা ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে  অবৈধভাবে দখলের অভিযোগে  রাজশাহীতে দ্বিতীয় দিন কর্মবিরতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৭২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট