1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু - দৈনিক সবুজ নগর
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
দেয়াল কেটে জুয়েলার্সে চুরি: খুলনা ও ঢাকা থেকে ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৮, টাকা ও স্বর্ণ উদ্ধার রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে ফেল থেকে পাস ১১১, নতুন জিপিএ-৫ পেলেন ৭৭ জন হাটহাজারীতে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় দুর্ঘটনা, নিহত ২: পবার রিফাতের অকাল মৃত্যু দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ চট্টগ্রামে ট্যাংক গোলা বিস্ফোরণে সেনাসদস্য রিফাত নিহত, রাজশাহীর বাড়িতে শোকের ছায়া রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ৫০০ বস্তা সার অবৈধ মজুত: ডিলার সোলাইমান পাটোয়ারীর ১ মাসের কারাদণ্ড রাজশাহীতে মাদরাসা নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে শিক্ষক আটক মিরপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে জার্সি উপহার দিলেন প্রেসক্লাব সভাপতি মারফত আফ্রিদী লালপুরের দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মুক্তার কাঁচপুর-ভোলা ফেরি সার্ভিস উদ্বোধন ২০২৬: ঢাকা-ভোলা রুট, সময়সূচি ও গুরুত্ব

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট