1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
বাঘায় অন্যের নামে স্ট্যাম্প তুলে মসজিদের ইমাম নিয়োগ, জানতে গিয়ে সংবাদকর্মীর উপর চড়াও - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
জমি নিয়ে দেওয়ানি মামলা চললেও ভূমি অপরাধের বিচার বন্ধ নয়, জালিয়াতি-জবর দখলে রয়েছে পৃথক আইনি প্রতিকার বাঘায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ সারিয়াকান্দিতে সাংবাদিকদের সাথে এমপি কাজী রফিকুল ইসলামের মতবিনিময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদীচীর ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আত্রাইয়ের ৪ প্রবাসীর দাফন সম্পন্ন রাজশাহীতে মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভাল-২০২৬ উপলক্ষে প্লেয়ার অকশন অনুষ্ঠিত রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাজশাহী সিটি ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বদরগঞ্জে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শিবগঞ্জের কানসাটে ৫.৮৫০ কেজি হেরোইনসহ আটক ১ বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৪.৮৪%, শূন্য পাস ১১ প্রতিষ্ঠানে

বাঘায় অন্যের নামে স্ট্যাম্প তুলে মসজিদের ইমাম নিয়োগ, জানতে গিয়ে সংবাদকর্মীর উপর চড়াও

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি: অন্যোর নামে স্ট্যাম্পে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের ফতেপুর বাউসা বাজার জামে মসজিদের ইমাম নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়টি জানতে গিয়ে স্থানীয় এক সংবাদকর্মীর সাথে মারমুখী আচরণ ও করা হয়েছে।

জানা গেছে, নজরুল ইসলামের নামে কেনা ৫০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প কিনে স্থানীয় মসজিদের ইমামকে নিয়োগ দেন গ্ৰামের আব্দুর রাজ্জাক। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা সমালোচনা ও অসন্তুষ্টি দেখা দেয়। তবে নজরুল ইসলামের নামে স্ট্যাম্প কিনে ইমাম নিয়োগের বিষয়টি স্বীকার করেছেন আব্দুর রাজ্জাক। তিনি জানান স্ট্যাম্পটি আগেই কেনা হয়েছিল , এনিয়ে ঝামেলা হবে বুঝতে পারিনি। কাজটি আইনগতভাবে ঠিক হয়নি বলেও জানান তিনি। শুক্রবার (২৪ জুলাই) জুমার নামাজ শেষে মসজিদ-সংক্রান্ত আলোচনায় ইমামের স্বাক্ষর করা অঙ্গীকারনামাটি জনসম্মুখে উপস্থাপন করেন নজরুল ইসলাম। তখন স্থানীয় মুসল্লীরা স্ট্যাম্পে ব্যবহৃত নাম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

বিষয়টি জানতে চাইলে স্থানীয় সংবাদকর্মীর সাথে মারমুখী আচরণ করেন আব্দুর রাজ্জাক। সংবাদকর্মী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর রাজশাহী সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের একজন স্ট্যাম্প ভেন্ডারের মাধ্যমে কেনা ৫০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বাউসা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের নাম ও গ্রামের পরিচয় ব্যবহার করা হয়। নজরুল ইসলাম দাবি করেন, স্ট্যাম্প কেনা বা অঙ্গীকারনামা তৈরির বিষয়ে তাকে কিছুই জানানো হয়নি এবং তার কোনো সম্মতিও নেওয়া হয়নি। তিনি জানান,দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটির কোনো কার্যকর কমিটি না থাকায় নানান মতবিরোধের কারণে আগের ইমাম দায়িত্ব ছেড়ে চলে যান। পরে নতুন ইমাম নিয়োগের উদ্যোগ নেন গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক। এ সময় ইমাম নিয়োগের শর্তাবলি উল্লেখ করে একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর নেওয়া হয়। নজরুল ইসলামের দাবি এতে তার ও পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই নকল কাজ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর আগেও একটি ঘটনা ঘটেছিল।

Open photo

তখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ভুল স্বীকার করায় বিষয়টি আর বাড়াইনি। মসজিদের ইমাম হাফেজ রুহুল আমিন বলেন, অঙ্গীকারনামার বিষয়টি সম্পর্কে আমার তেমন ধারণা ছিল না। ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর আব্দুর রাজ্জাক আমাকে জরুরি ভিত্তিতে রাজশাহীর পুঠিয়ায় ডেকে নিয়ে একটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করতে বলেন। তাদের কথায় বিশ্বাস করে আমি স্বাক্ষর করি। পরে জানতে পারি, স্ট্যাম্পটি নজরুল ইসলামের নামে কেনা হয়েছিল, অথচ আগে বিষয়টি জানতেন না। বর্তমানে ওই অঙ্গীকারনামার বিভিন্ন শর্ত মেনে পরিবার নিয়ে চলা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সে সময় মসজিদে কোনো ইমাম না থাকায় এলাকার স্বার্থ বিবেচনা করে নজরুল ইসলামের নামে স্ট্যাম্পটি কিনেছিলাম। তিনি আমার ঘনিষ্ঠ মানুষ হওয়ায় তার নাম ব্যবহার করেছি। তবে আইনগতভাবে এটি ঠিক হয়নি। আব্দুর রাজ্জাক দাবি করেন, আমার ভাতিজা মোস্তাফিজুর রহমান জুয়েল, ভাই রব্বেল, এলাকার বাসিন্দা জেনেটসহ আরও কয়েকজন সম্পৃক্ত ছিলেন। #

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট