1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
আগামীর নির্বাচন: প্রত্যাশা ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নওগাঁয় পুলিশের কড়া বার্তা অনিয়ম হলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা রাজশাহী-৬ আসন ঃ ১১৯ কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ৪২টি, উৎসবমুখর পরিবেশে প্রচার প্রচারনা শেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোনামসজিদ বন্দরে ৩ দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ শিবগঞ্জের মাসুদপুর সীমান্তে ২ বিদেশি পিস্তলসহ গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার নওগাঁয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি টহলদল কর্তৃক অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ ​নাম, পরিচয় ও কর্মের দায়বদ্ধতা: একটি বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় র‍্যাব-৬ এর মোতায়েন  যারা জীবনবাজি রেখে গণতন্ত্র, বহু দলীয় গণতন্ত্র এবং পার্লামেন্টরী গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিল তাদের সম্মুখ সারিতে ছিলেন ফজলুল হক মিলন: ড. আব্দুল মঈন খান

বিএমডিএ চূড়ান্ত প্রার্থীদের বাদ দিয়ে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৭২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন, বিশেষ প্রতিনিধি: গভীর নলকূপ অপারেটর নিয়োগের প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা থেকে সাড়ে ৪ হাজার প্রার্থীকে বাদ দিয়ে নতুন করে সমপরিমাণ লোক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। শুধু তাই নয়, নতুন করে নিয়োগের জন্য পেছনের তারিখ দিয়ে আবেদনপত্র জমা নিয়েছে সংস্থাটি।

অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক চাপের মুখে এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে বিএমডিএ। শিগগিরই সংশোধিত নিয়োগ কমিটি গঠন করে দলীয় সুপারিশের ভিত্তিতে তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে।

বিএমডিএর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়া মেনে ইতোমধ্যে ১৬ হাজার ৭৮৯ জন অপারেটর নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকা সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে। তবে চাপের মুখে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ পাওয়া সাড়ে ৪ হাজার অপারেটর বাদ পড়বেন। বিষয়টি জানাজানির পর নিয়োগপত্রের অপেক্ষায় থাকা প্রায় সব প্রার্থীর মধ্যেই ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ কেউ জানে না, কারা বাদ পড়বেন।

সূত্র জানিয়েছে, রাজনৈতিক চাপে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন বিএমডিএর কর্মকর্তারা। অভিযোগ উঠেছে, একটি রাজনৈতিক দলের কতিপয় নেতা গভীর নলকূপ অপারেটর নিয়োগ কেন্দ্র করে ব্যাপক নিয়োগবাণিজ্য শুরু করেন। কোনো কোনো নেতা ২০০ থেকে ২৫০ জনের জন্য লিখিত সুপারিশ দিয়েছেন। ছোট নেতারা সুপারিশ দিয়েছেন ৫ থেকে ৭ জনের। অপারেটর নিয়োগের জন্য কতিপয় নেতা ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব নেতা প্রতিদিন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে নিজেদের তালিকা জমা দিচ্ছেন। এর ফলে বিএমডিএর নিয়োগসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন।

পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কারও তালিকা ফিরিয়ে দিতে পারছেন না বা মুখের ওপর না-ও বলতে পারছেন না। ফলে অপারেটর নিয়োগ নিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিএমডিএর অপারেটর নিয়োগসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, শুরু থেকেই রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে যোগ্যদের বাছাই করে অপারেটর নিয়োগের চেষ্টা তারা করেছিলেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা যোগ্যদেরই নির্বাচিত করে চূড়ান্ত তালিকাও প্রকাশ করেন। কিন্তু এখন রাজনৈতিক চাপে তারা অনেকের নিয়োগ বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছেন। রাজনৈতিক চাপের কারণে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দুই সপ্তাহ পরও এখন পর্যন্ত কাউকে নিয়োগপত্র না দেওয়ার কারণও এটি। নিয়োগপত্রের জন্য নির্বাচিতরাও ঘুরছেন বিএমডিএতে।

বিএমডিএ সূত্র জানায়, দেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ১৬ হাজার ৭৮৯টি গভীর নলকূপ রয়েছে। গত অক্টোবরে গভীর নলকূপের অপারেটর নিয়োগের নোটিশ জারি করা হয়। গত বছরের ৩ থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত ২৩ হাজার ৭৫০টি আবেদন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে ধারাবাহিকভাবে ২৩ হাজার ৭২১ জনের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচিত অপারেটরদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর থেকে দলীয় তালিকা অনুযায়ী রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে বিএমডিএ অফিসের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন দলীয় নেতাকর্মীরা। তারা নির্বাচিত তালিকা বাতিল করে দলীয় লোকদের নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে থাকেন। এমন পরিস্থিতিতে বিএমডিএর মাঠপর্যায় ও জোনাল কার্যালয়গুলোর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় বিএমডিএর কর্মকর্তারা দলীয় নেতাদের বুঝিয়ে নতুন করে আবেদন দিতে বলেন। এখন দলীয় সুপারিশগুলো থেকে সাড়ে ৪ হাজার জনকে নতুন করে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে দলীয় সুপারিশে পেছনের তারিখ দেখিয়ে সাড়ে ৪ হাজার আবেদনপত্র নতুনভাবে জমা নেওয়া হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেশি দলীয় সুপারিশ এসেছে রাজশাহীর তানোর, গোদাগাড়ী ও পবা থেকে। কিছু সুপারিশ এসেছে নওগাঁর নিয়ামতপুর, মান্দাসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল ও সদর উপজেলা থেকেও রাজনৈতিকভাবে সুপারিশ দিয়ে নতুন তালিকা জমা করা হয়েছে। এগুলো বর্তমানে যাচাই-বাছাই করছেন কর্মকর্তারা। সাক্ষাৎকার ছাড়াই তাদের নিয়োগের প্রস্তুতি নিয়েছে বিএমডিএ।

সূত্র জানিয়েছে, রাজশাহীর পবায় নতুন করে ২৮৩টি দলীয় আবেদন জমা হয়েছে। তানোর উপজেলার ৩১৭টি নতুন আবেদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তানোর উপজেলার একটি দলের এক নেতা একাই ২০০ জনের আবেদনে সুপারিশ দিয়ে তালিকা দিয়েছেন বিএমডিএতে। দলটির তানোর উপজেলা শাখার আরেক সাবেক নেতা ১১৭ জনের আবেদনে দলীয় সুপারিশ করেছেন। এসব নেতা প্রতিদিন বিএমডিএর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে গিয়ে তাদের তালিকা মোতাবেক অপারেটর নিয়োগের জন্য কর্মকর্তাদের চাপ দিচ্ছেন।

কৃষকরা অভিযোগ জানিয়েছেন, ৫ আগস্টের পর উত্তরাঞ্চলজুড়ে বিএমডিএর অধিকাংশ গভীর নলকূপ দখল করে নেন একটি রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। যদিও গভীর নলকূপগুলোর চাবি এখনও দখলদারদের থেকে উদ্ধার করতে পারেনি বিএমডিএ। ফলে মাঠপর্যায়ে নিবিড় সেচ প্রদানে চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

বিএমডিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, অপারেটর নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর বিভিন্ন এলাকা থেকে আপত্তি আসে। ফলে নিয়োগের তালিকা পুনর্বিবেচনা ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। নতুন করে সাড়ে ৪ হাজার আবেদন নেওয়া হয়েছে। এ জন্য নতুন করে একটি সংশোধিত নিয়োগ কমিটি গঠনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট