1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহীর বাগমারার মির্জাপুরে বারনই নদীর অভয়ারণ্যে রহস্যজনকভাবে মাছ চোরকে ছেড়ে দিলেন মৎস্য কর্মকর্তা - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
হঠাৎ বন্ধ পাগলা নদীর সেতুর নির্মাণকাজ—দুর্ভোগে শিবগঞ্জের লাখো মানুষ আত্রাইয়ে হাটকালুপাড়া-কালিকাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কাজীহাটা ১ নং পুরাতন জামে মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীর বিদায়ী বিভাগীয় কমিশনারকে রাসিকের বিদায় সংবর্ধনা রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হলো ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ সরকারি রাস্তা কেটে পাইপ স্থাপন, শ্যামনগরে ভেটখালী উত্তর পাড়ায় যেন মরণফাঁদ রূপসায় উপজেলা ইজিবাইক মালিক এবং শ্রমিক সমিতির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত আয়ান শর্মা একা নন, পাশে আছেন শত শত সাংবাদিক, চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ পরকীয়ার অভিযোগে এক বাসা থেকে বিদ্যালয়েয় আয়া- প্রধান শিক্ষক আটক, আদালতে সোপর্দ সাতক্ষীরায় তেল-গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে জেলা গণসংহতি আন্দোলনের মানববন্ধন

রাজশাহীর বাগমারার মির্জাপুরে বারনই নদীর অভয়ারণ্যে রহস্যজনকভাবে মাছ চোরকে ছেড়ে দিলেন মৎস্য কর্মকর্তা

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪
  • ২৭২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# আশরাফুল ইসলাম ফরাশী, বাগমারা প্রতিনিধি……………………………………………………….

রাজশাহীর রাগমারার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের তালতলীর উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বারনই নদীর অভয়ারণ্যে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে মাছ চুরি করে ধরা পড়ার পরেও জাল সহ মাছ চোরকে ছেড়ে দিলেন বাগমারার মৎস্য কর্মকর্তা।

এব্যাপারে অত্র এলাকার সাধারণ জনগন এই প্রতিবেদককে জানান, মির্জাপুর গ্রামের তালতলীর জুয়েল ও তার স্ত্রী, সারু সহ আরও কয়েকজন প্রায় ৭ দিন থেকে বারনই নদীর অভয়ারণ্যে প্রকাশ্যে প্রত্যেক দিন ৩ থেকে ৪ মণ মাছ কাউকে না জানিয়ে চুরি করে মাছ মেরে বিক্রয় করে  আসছিল। আজ বুধবার এলাকার জনসাধারনের অভিযোগে বাগমারার মৎস্য কর্মকর্তার হাতে নাতে ধরার পড়ার পরেও রহস্যজনক কারণে মাছ চোরকে চুরি করা মাছ এবং জালসহ ছেড়ে  দিলেন।

এব্যাপারে এলাকার জন সাধারণ ও সচেতন মানুষ জানান, কি কারণে চোরকে হাতে নাতে ধরার পরও ছেড়ে দিলেন মৎস্য কর্মকর্তা তা সবার অজানা।  মৎস্য কর্মকর্তা মোটা ধরণের উৎকোচের বিনিময়ে তাদেরকে (চোর) ছেড়ে দিয়েছে কি না তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে অনেকে মনে করেন। সরিষার মধ্যে ভুঁত আছে কিনা সেটা দেখার জন্য উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে জরুরি পদক্ষেপ কামনা করছেন এলাকার সচেতন মানুষ।

এব্যাপারে বাগমারার মৎস্য কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তারা গরিব মানুষ তাই ছেড়ে দিয়েছি। এব্যাপারে বাগমারার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার মোবাইলে বার বার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এব্যাপারে মোবাইল  রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়। অপরাধী যেই হোক তার শাস্তি হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট