1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহীর বাঘার ইদগাহে এবারও জেলার অন্যতম বড় ঈদ জামাত - দৈনিক সবুজ নগর
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
 তারেক রহমানের ভারত সফর এখনো অনিশ্চিত—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন হয়নি? নওহাটা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা শরীফের উঠান বৈঠক সাবেক উপসচিব আবু হেনা মোস্তফা কামালের মৃত্যুতে রাসিক প্রশাসকের শোক কাজলা বড় জামে মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় ও নির্মাণাধীন মসজিদ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন দলের জার্সি উন্মোচন ও বিতরণ সারের বেশি দাম ও অব্যবস্থাপনায় জরিমানা গুনলেন বিসিআইসির ডিলার আশা ও মদিনা ট্রেডার্স চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই কোটি ৩২লাখ টাকার হিরোইন ও মটরসহ আটক ২  নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাসিকের প্রশাসকের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত হওয়ায় এ্যাড. রুহুল কবির রিজভীকে রাসিক প্রশাসকের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বাঘায় ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ চলমান 

রাজশাহীর বাঘার ইদগাহে এবারও জেলার অন্যতম বড় ঈদ জামাত

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৪০৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# বিশেষ প্রতিনিধি……………………………………………………………….

প্রাচীনকালের বহুল আলোচিত রাজশাহীর বাঘা মাজার ঈদগাহে এবারও জেলার অন্যতম বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আনুমানিক ১০/১৫ হাজার মুসল্লি­ জামাতে নামাজ পড়েন। কিন্তু এবার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এবার আবহাওয়া ছিল পরিষ্কার, তাপমাত্রাও ছিল সহনীয়। ফলে মুসল্লিদের ভোগান্তি কম হয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে জামাত সম্পন্ন হয়েছে। বড় জামায়াতে নামাজ আদায় করলে প্রচুর সোয়াব পাওয়া যায়, দোয়া কবুল হয়, নেক মকছুদ পূর্ণ হয়- এমন বিশ্বাস থেকে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে আসেন উপজেলা সদরে বাঘা মাজার ঈদগাহ মাঠে।

উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক,জনপ্রতিনিধি সহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিক ও ধর্শপ্রাণ মুসলানরা ছাড়াও ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের জন্য দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকেও অনেক মুসল্লি সমবেত হন রাজশাহীর ঐতিহাসিক বাঘার এই ঈদগাহ মাঠে। নামায আদায়ের জন্য আসেন নারিরাও।

দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় হযরত শাহদৌলার স্মৃতি বিজড়িত এ ঈদগাহ মাঠের সুনাম ছড়িয়ে পড়ায় প্রতিবছরই বাড়ছে মুসল্লির সংখ্যা। দেশের দূরদূরান্ত থেকে আসা মুসলিল্গরা ২/১ দিন আগে এসে উঠেন আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি, মাজার প্রাঙ্গন,কিংবা স্কুল কলেজের বরান্দায়। ঈদুল ফিতরের এদিন জামাত শুরু হয় সকাল ৮টায়। কিন্তু সকাল ৬টা থেকেই ঈদগাহমুখী প্রতিটি রাস্তায় ছিল জনস্রোত। সকাল ৮টার মধ্যেই পুরো মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

জামাতের আগে মাজার কমিটির সহ সভাপতি,উপজেলা নির্বাহি অফিসার তরিকুল ইসলাম সমবেত মুসুল্লিদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন এবং সবাইকে ঈদ মোবারক জানান। ইমামতি করেন উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ । নামাজ শেষে ইমাম আবুল কালাম আজাদ তার মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য দোয়া করেন। তিনি বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সকল শহীদ সদস্য এবং মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সাফল্য কামনা করেন। জীবিত সকল মানুষের সুস্থতা ও হেদায়েত কামনা করেন।

রাজশাহী জেলা শহর থেকে ৪৮ কিঃ মিঃ পূর্ব-দক্ষিনে বাঘা উপজেলা সদরে হযরত শাহদৌলা (রহঃ)এর মাজার ও শাহী মসজিদের উত্তর-পশ্চিম কোণে এ মাঠ। প্রাচীন কাল থেকেই ঈদগাহ মাঠে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠানের উল্লেখ পাওয়া গেলেও হযরত শাহদৌলা (রহঃ) এর বাঘায় আগমনের পর প্রায় ৫শত বছর ধরে এ মাঠে ঈদের জামায়াত অনুষ্টিত হয়ে আসছে বলে জানা গেছে।

বাঘা ওয়াকফ এষ্টেটের মোতয়াল্লির দেওয়া তথ্য মতে, হযরত শাহদৌলা (রহঃ) এর পুত্র হযরত শাহ আব্দুল হামিদ দানিশ মন্দ (রহঃ) এর মৃত্যুর পর তাঁর তৃতীয় পুত্র মাওলানা শাহ আব্দুল ওয়াহাব (রহঃ) বাঘার খানকার দায়ীত্বভার গ্রহণ করেন। ওই সময় দিল্লির সম্রাট শাজাহানের প্রেরিত শাহী ফরমান যোগে ৪২টি মৌজা মদদ মাস স্বরূপ দান লাভ করেন (১০৩০ হিজরী)। তখন শালিমানা ছিলো ৮ হাজার টাকা। হযরত আব্দুল ওয়াহাবের মৃত্যুর পর তার দুই পুত্রের মধ্যে হযরত শাহ মোহম্মদ রফিক (রহঃ) ১০২৮ হিজরী সনে ২০৩৭/আনা শালিআনার সম্পত্তি ওয়াকফ করেন। এ সম্পত্তিতেই এ ঈদগাহ মাঠ।

ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব খন্দকার মুনছুরুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর বাঘার ঈদগাহে আসা মুসল্লির সংখ্যা বাড়ায়, মাঠের সম্প্রসারন করে মাঠের পশ্চিম পার্শ্বের পুকুর ভরাট করে মাঠের পরিধি বাড়ানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহি অফিসার তরিকুল ইসলাম জানান,বাড়তি নিরাপত্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণসহ সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হয়েছিল।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট