1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
নারী নির্যাতন মামলায় লালপুরের ৫ জনের ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড - দৈনিক সবুজ নগর
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
 তারেক রহমানের ভারত সফর এখনো অনিশ্চিত—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন হয়নি? নওহাটা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা শরীফের উঠান বৈঠক সাবেক উপসচিব আবু হেনা মোস্তফা কামালের মৃত্যুতে রাসিক প্রশাসকের শোক কাজলা বড় জামে মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় ও নির্মাণাধীন মসজিদ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন দলের জার্সি উন্মোচন ও বিতরণ সারের বেশি দাম ও অব্যবস্থাপনায় জরিমানা গুনলেন বিসিআইসির ডিলার আশা ও মদিনা ট্রেডার্স চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই কোটি ৩২লাখ টাকার হিরোইন ও মটরসহ আটক ২  নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাসিকের প্রশাসকের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত হওয়ায় এ্যাড. রুহুল কবির রিজভীকে রাসিক প্রশাসকের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বাঘায় ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ চলমান 

নারী নির্যাতন মামলায় লালপুরের ৫ জনের ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩১ জুলাই, ২০২৩
  • ২৭৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# মেহেরুল ইসলাম মোহন(লালপুর)নাটোর………………………………….

নাটোরের লালপুরে শ্লীলতাহানি এবং মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় আনোয়ার হোসেন ওরফে আনার আলী, আমিরুল ইসলাম, সাজদার রহমান, আনছার আলী, শাবান আলী নামের ৫ জনের প্রত্যেককে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত। সোমবার(৩১শে জুলাই-২৩)দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। অপর আসামী আশরাফুল ইসলাম দোষী সাব্যস্ত না হওয়ায় আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেন।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়,২০১০ সালের ১৫ জুলাই সকাল ১০ টার দিকে লালপুর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের কাবিল হোসেনের স্ত্রী রিতা খাতুনকে জাপটে ধরে একই এলাকার আকবর মিস্ত্রির ছেলে আনোয়ার হোসেন আনার। তাকে সহযোগিতা করে একই এলাকার আমিরুল ইসলাম, সাজদার রহমান, আনছার আলী এবং শাবান আলী। এই ঘটনায় রিতা খাতুন চিৎকার করলে লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এই ঘটনায় এলাকায় একটি শালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। শালিসে আসামিদের শাসন গর্জন করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

পরবর্তীতে ওই বছরেরই ২০ সেপ্টেম্বর রাত্রি ৯ টার দিকে আসামিরা কাবিল হোসেনের অনুপস্থিতিতে আবারো রিতা খাতুনের ঘরে ঢুকে তাকে মুখ চেপে ধরে বাড়ির পাশে আখ ক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে তার শ্লীলতা হানির চেষ্টা করে তারা। সে সময় রিতা খাতুনের চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসলে আবারো তাকে ছেড়ে আসামীরা পালিয়ে যায়। পরে আসামীর রিতা খাতুনের নামে নানা অপবাদ দিতে থাবে। এমন অপবাদ এবং শ্লীলতা হানির এমন ঘটনা সহ্য করতে না পেরে ঐদিন রাত্রিবেলা রিতা খাতুন বিষ পানে আত্মহত্যা করে। এই ঘটনায় রিতার স্বামী বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট