1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহীর বাগমারায় মৃত স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পতি আত্মসাতরে চষ্টো, আদালতে মামলাদায়রে গৃহবধুর - দৈনিক সবুজ নগর
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
ব্রিটিশ হাইকমিশনারের নৈশভোজে রাসিক প্রশাসক, ১০০ দিনের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরা নওগাঁর পত্নীতলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ জন গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার বাঘায় ১২৫ বোতল ফেয়ারডিলসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার পত্নীতলায় তিন দিন ধরে নিখোঁজ ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার রূপসায় ৩.৬৬ কোটির সড়ক নির্মাণে চরম অনিয়ম: কাজ শেষ হওয়ার আগেই ফেটে চৌচির, হাত দিয়েই উঠছে পিচ! রাজশাহীতে এনজিওর কিস্তির টাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব: স্ত্রীকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করল স্বামী ভোলায় ইলিশের চড়া দাম: ভরা মৌসুমেও স্বাদ থেকে বঞ্চিত স্বল্প আয়ের মানুষ পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে পদ্মাপাড়ের নিম্নাঞ্চলে বন্যা: তালাইমারিতে ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্যসামগ্রী ও জরুরি ওষুধ দিলেন রাসিক প্রশাসক রিটন তানোরে ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাসুদ নামে এক যুবক আটক রূপসায় কাজদিয়া স্কুলে স্পিড ব্রেকারের দাবিতে মানববন্ধন ও ইউএনওকে স্মারকলিপি

রাজশাহীর বাগমারায় মৃত স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পতি আত্মসাতরে চষ্টো, আদালতে মামলাদায়রে গৃহবধুর

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২২
  • ৪৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

রাজশাহী প্রতিনিধি………………………………………………………….

মৃত স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পতি প্রভাবশালী ভাইদের কাছে পাত্তা না পেয়ে মামলাসহ বিভিন্ন মহলে অভিযোগ করে নাবালক ছেলেসহ অতিকষ্টে জীবন যাপন করছেন সাথী বেগম নামের এক গৃহবধু। অভিযোগ উঠেছে মৃত স্বামীর রেখে যাওয়া জমি,মুদি দোকান ও ওয়ার্কশপ জোর পুর্বক ভাসুর,দেবর,ননদের স্বামী সহ পরিবারের লোকজন জবর দখল করে নিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহীর বাগমারা থানা মোড়ের পুর্বপাড়ায়। এঘটনায় গৃহবধু সাথী বেগম নিরুপায় হয়ে রাজশাহীর বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দাযের করেছেন। যাহার মামলা নাম্বার ২৭১ সি/২০২১ ইং (বাগমারা)।

 

আদালতে দাযেরকৃত মামলা ও এলাকাবাসি সুত্রে জানাগেছে,বাগমারা উপজেলার গণিপুর ইউনিয়নে অবস্থিত বাগমারা পুর্বপাড়ায় গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে মৃত মাহাবুর রহমান থানা মোড়ে দির্ঘ কয়েক বছর যাবত ধরে ফ্লেক্সিলোড,বিকাশ মুদি দোকান, ওয়ার্কশপের দোকান করে আসছিলেন। হঠাৎ তিনি গত ২৪/০৮/২০২০ ইং তারিখে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু বরন করেন। তার মৃত্যুর পর গৃহবুধ সাথীর উপর শুরু হয় মধ্যযুগীয় শারীরিক ও মাসসিক নির্যাতন। যে স্বামীর ইনকামে চলতে গোটা পরিবার। সেই স্বামীর মৃত্যুর পর তার স্বামীর পরিবারের লোকজনদেও কাছে সাথী বেগম যেন ঘৃণার পাত্রে পরিনত হয়। তাকে আর এক মুহূর্ত সহ্য করতে পারছে না ভাসুর, দেবর,ননদ ও সৎ শ্বাশুড়ী। এবং ভাসুর,দেবর, শ্বাশুড়ী ও ননদের স্বাসী মিলে সাথীকে গৃহছাড়া করতে শুরু করে গভীর ষড়যন্ত্র ও নির্যাতন।

 

তারা সাথীকে এক প্রকার জিম্মী করে তার কাছে থাকা ফ্লেক্সিলোড,বিকাশ মুদি দোকান, ওয়ার্কশপের দোকান,স্বামীর লিজকৃত জমির কাগজপত্র ও স্বর্ণলংকারসহ সবকিছুই ছিনিয়ে নেয় একে পর এক। গৃহবধু সাথী বেগম জানান, আমাকে তারা দিনের পর দিন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। সামান্য এক কাপড়ে ছেলেকে নিয়ে আমার বাবার বাড়িতে এসে একমাস অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী ছিলাম। আমি আমার বাবার টাকায় চিকিৎসা করে সুস্থ হয়ে উঠি। এরপর আমি সু বিচারের জন্য অনেকের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোথাও বিচার পায়নি। তাই নিরুপায় হয়ে ওই বছরই রাজশাহীর বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভাসুর সেনাবাহিনীর সদস্য মাসুদ রানা,ননদের স্বমী পুলিশ সদস্য আসাদ আলী ও দেবর জাহিদ হাসানকে বিবাদি করে একটি মামলা দায়ের করি এবং নিরাপত্তার জন্য থানায় একটিসাধারন ডাইরী করেছি। তবে মামলা দায়ের করায় পর থেকে সাথী বেগমকে নানান ভাবে অপবাদ ও প্রাননাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন তারা।

 

তিনি আরও জানান,মামলা করে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছি। প্রথমে মামলা করতে বাগমারা থানায় গেলে দেবর সেন্াবাহিনীর সদস্য, ননদের স্বামী পুলিশ সদস্য হওয়ায় বাগমারা থানা পুলিশ আমাকে ফিরিয়ে দেয়। পরে আদালতে মামলা দায়ের করলে সেটিরও তদন্ত আসে বাগমারা থানায়। এরপর থানার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল মালেক আমাকে চরম হতাশ করেন। তিনি আমার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে এবং সাক্ষীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ না করে গোপনে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে আমি আবারও আদালতে নারাজি দাখিল করে আমার নাবালক ছেলেকে নিয়ে মহামান্য আদালতে উপস্থিত হলে আদালত আমাদের উপর দয়াপরবশ হয়ে মামলাটি পূনঃতদন্তের জন্য বাগমারা উপজেলা সমাজ সেবা দপ্তরে পাঠায়। এর্বং সমাজ সেবা দপ্তর থেকে এখনো আদালতে পূনঃতদন্তের প্রতিবেদন দেয়নি। বর্তমানে আমি সন্তানকে নিয়ে অতি কষ্টে জীবন জাপন করছি।

 

এ ব্যাপারে বাগমারা থানায় যোগাযোগ করা হলে তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল মালেক থানায় না থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে থানার কর্তব্যরত এসআই ফরিদা ইয়াসমিন জানান, তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল মালেক স্যারকে থানা থেকে ডি.এসবিতে বদলী করা হয়েছে। বাগমারায় অতিরিক্ত দায়িত্ব থাকা সমাজ সেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইউসুফ রাজশাহীর আদালতের একটি নোটিশ এসেছে, বিষয়টি তদন্তের জন্য উভয় পক্ষকে নোটিশ জারির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট