1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলের তাল গাছে গাছে ঝুলছে বাবুই পাখির বাসা - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
অপপ্রচার চালিয়ে জনগণের দৃষ্টি উন্নয়ন থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে: রুহুল কবির রিজভী এমপি চাঁদকে সংবর্ধনা দিল মনিগ্রাম কলেজ; শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় দুই আসামির জামিন: আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তীব্র বিক্ষোভ শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবারো অনিয়ম ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, ম্যানেজের চেষ্টার অভিযোগ নাচোলে কৃষি ডিপ্লোমা কলেজ জামে মসজিদে ওযুখানা ও টয়লেট নির্মাণকাজের উদ্বোধন পোরশায় নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস উৎপাদনে কসাইদের প্রশিক্ষণ রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফের উরস শরীফ ২০২৭ উপলক্ষ্যে কালীগঞ্জে দাওয়াতী জলসা অনুষ্ঠিত দেবহাটায় ৮৭ শিশুকে শিক্ষায় ফিরিয়ে শিশুশ্রম ও ঝরেপড়ামুক্ত উপজেলা ঘোষণা রাজশাহীতে ক্রীড়া ও কারাতে প্রসারে রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কারাতে রেফারি কমিশনের বৈঠক

রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলের তাল গাছে গাছে ঝুলছে বাবুই পাখির বাসা

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০২২
  • ২৮৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আবুল কালাম আজাদ ……………………………..

 

রাজশাহীর প্রত্যন্ত গ্রাম এলাকায়,, বিশেষ করে বরেন্দ্র জনপদ এলাকায  তাল ও নারিকেল গাছে গাছে ঝুলছে বাবুই পাখির বাসা। জেলার বিভিন্ন এলাকায় আগের মতো পর্যাপ্ত তালগাছ না থাকায় নারিকেল গাছে বাবুই পাখি বাসা বাঁধতে শুরু করেছে। বিশেষ করে জেলার  গোদাগাড়ী, তানোর, কাকনহাট, মোহনপুর  এলাকায় তালগাছ ও নারিকেল গাছে বাবুই পাখির বাসা দেখা যায়।

 

“বাবুই পাখিরে ডাকি, বলিছে চড়াই, কুঁড়ে ঘরে থেকে কর শিল্পের বড়াই, আমি থাকি মহা সুখে অট্টলিকা পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি ঝড়ে। বাবুই হাসিয়া কহে, সন্দেহ কি তাই? কষ্ট পাই, তবু থাকি নিজের বাসায়।” বাবুই পাখির সেই দৃষ্টিনন্দন বাসা গ্রামে-গঞ্জের উঁচু তালগাছে দেখা যেত। কিন্তু সময়ের বিবর্তন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে হারিয়ে যেতে বসেছে সেই বাবুই পাখির বাসা।

 

শুধু বাবুই পাখিই নয়, প্রায় সব ধরনের পাখিই আজ হারিয়ে যাচ্ছে। আর হারিয়ে যাওয়ার এই দুঃসময়েও বাবুই পাখির কলরবে মুখরিত হয়ে উঠছে জেলার বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রত্যন্ত মাঠে মাঠে। এই এলাকায় যেসব অতিথিরা আসেন, তারা বাবুই পাখি আর প্রকৃতির এই সৌন্দর্য় উপভোগ করেন।

 

তানরের বীর মুক্তিযোদ্ধা আলমাস জানান, এক সময় এলাকায় গাছ-গাছালিতে পাখিদের কলরবে এই এলাকা মুখরিত থাকতো। আগের সেই কলরব এখন নেই বললেই চলে। তবে কিছু তাল গাছে বাবুই পাখির অসংখ্য বাসা রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে তারা বাসা তৈরি করে বসবাস কর আসছে। তালগাছে বাবুই পাখির দৃষ্টিনন্দন বাসা ও বিচরণ খুবই আনন্দ দেয়।

 

বৃক্ষ নিধন, জলবায়ুর পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে বাবুই পাখির বাসা এখন আর তেমন একটা চোখে পড়ে না। এলাকার সচেতন ব্যক্তিরা মনে করছেন, মানুষের মধ্যে সচেতনতা আগের চেয়ে অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে ফলে পাখি শিকারিদের দৌরাত্ম অনেকটাই কমে গেছে। এখন বড় বড় তালগাছের অভাবে এই পাখিগুলো নারিকেল গাছে বাসা বাঁধছে।

 

পাখিদের উপযুক্ত পরিবেশ ও বেশি বেশি তাল গাছ রোপণ করা হলে অনায়েসে দেখা মিলবে বিভিন্ন প্রজাতির বাবুই পাখি। গ্রামাঞ্চলে এই পাখি ‘বাউই’পাখি নামে পরিচিত। বাবুই পাখি বেশ দৃষ্টি নন্দন পাখি। এদের বাসার গঠন বেশ জটিল।

 

বাবুই পাখি খড়, কচিপাতা ও কাশবনের লতাপাতা দিয়ে বাসা তৈরি করে। তাই বাবুই পাখিকে অনেকেই শিল্পী বলে ডাকেন। এরা দলবদ্ধ আর কলোনি করে জীবনযাপন করতে অভ্যস্ত। বাংলাদেশে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের বাবুই দেখা যায়। এদের মধ্যে দেশি বাবুই, দাগি বাবুই ও বাংলা বাবুই। বাসা দেখতে উল্টানো কলসির মতো। বাসা বানানোর জন্য এই পাখি খুবই পরিশ্রম করে। ঠোঁট দিয়ে ঘাসের আস্তরণ ছাড়ায়। পরে সেই আবরণ যত্ন করে পেট দিয়ে ঘষে গোলাকৃতিটি মসৃণ করে। বাসায় শুরুতে দুটি নিম্নমুখী গর্ত থাকে। ডিম পাড়ার সময় একদিক বন্ধ করে দিয়ে জায়গা তৈরি করে। অন্যদিকটি লম্বা করে প্রস্থান ও প্রবেশ পথ তৈরি করে। বাবুই পাখি সাধারণত উঁচু তালগাছের পাতা, নারিকেল গাছ, খেজুর গাছ ও কড়ই গাছে বাসা বাঁধে। তাদের শিল্প চিন্তা খুবই নিপুণ। প্রবল ঝড়-তুফানও বাসার কোনো ক্ষতিসাধন করতে পারে না।

 

এরা সাধারণত বিভিন্ন ধরনের বীজ, ধান, পোকা, খেয়ে জীবনধারণ করে। মে থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এদের প্রজননকাল। স্ত্রী বাবুই দুই থেকে চারটি ডিম পাড়ে। সেই ডিম ফুঁটতে প্রায় দুই সপ্তাহ সময় লাগে। বাবুই ছানা এক মাসেই উড়তে শিখে বলে জানা যায়।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট