1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহীর তানোরে পল্লী বিদ্যুতের ঘুষ বাণিজ্যে - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
না জানিয়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: সৌদি সরকারকে চিঠি পাঠাল ঢাকা একাদশে ভর্তির শেষ ধাপের আবেদন ২৬ ও ২৭ অক্টোবর সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখতে দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা বাড়ানোর আহ্বান রুহুল কবির রিজভীর সিদ্ধিরগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক স্থায়ী বহিষ্কার বাঘায় ৪৭ বোতল নিষিদ্ধ ইস্কাফ সিরাপসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার, স্বামী পলাতক দুর্গাপূজা ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ও সাইবার নজরদারি বাড়াল এসআরবি-৬ পোরশায় শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করলেন ১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আরিফুল ইসলাম নাচোলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে দুঃস্থ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে এমপি সানজিদা ইয়াসমিন তুলির শাড়ি বিতরণ শ্যামনগরে আদিবাসীদের ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত রূপসায় ‘লোক কৃষ্টি’ সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

রাজশাহীর তানোরে পল্লী বিদ্যুতের ঘুষ বাণিজ্যে

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৪২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মমিনুল ইসলাম মুন……………………………………………………..

রাজশাহীর তানোরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একশ্রেণীর কর্মকর্তা ও কথিত লাইনম্যানের (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টেকনিশিয়ান) বিরুদ্ধে বে-পরোয়া ঘুষ বাণিজর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ হাজার থেকে লাখ টাকার বিনিময়ে অবৈধ মটরে বিদ্যুৎ সংযোগ দিচ্ছে।

 

এদিকে এসব অবৈধ মটরে সেচ বাণিজ্য করায় ভূগর্ভস্থ পানির লেয়ার সংকট দেখা দিয়েছে। এতে বিএমডিএ’র গভীর নলকুপ সেচ প্রকল্প হুমকির মুখে পড়েছে। আবার মটর মালিকগণ কৃষকদের জিম্মি করে সেচ চার্জ আদায়ের চাঁদাবাজি করছে। জানা গেছে, বিগত ২০২১ সালের ৮ নভেম্বর গভীর নলকুপ অপারেটর বিজেন কর্মকার বাদি হয়ে অবৈধ মটরের সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য বিএমডিএ তানোর জোনের সহকারী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

 

অভিযোগে বলা হয়, কৃষি মন্ত্রণালয় ও সেচ নীতিমালা লঙ্ঘন করে জেল নম্বর ৮৫ ও ৮৮ নম্বর দাগে অবস্থিত গভীর নলকুপ স্কীমের ভিতরে (কমান্ড এরিয়ায়) ৫ হর্স পাওয়ারের অবৈধ মটর স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে সেচ বাণিজ্যে করছে তানোর শিবতলা গ্রামের বাসিন্দা লুৎফর রহমানের পুত্র গোলাম রাব্বানী ওরফে লেলিন। তিনি পল্লী বিদ্যুতের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লাইনম্যান ও দালাল হিসেবে পরিচিত। তবে অনিয়মের অভিযোগে তার মটরের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও রাতারাতি ফের সংযোগ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও তালন্দ ইউপির কালনা গ্রামের আনোয়ার হোসেন কালনা মাঠে অবৈধ মটরে সেচ বাণিজ্য করছে।

 

অন্যদিকে দুবইল মাঠে জালাল উদ্দিন দুটি,শফিকুল ইসলাম দুটি, ডাম্ফু দুটি ও আশরাফুল ইসলাম একটি অবৈধ মটরে সেচ বাণিজ্য করছে।তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) নারায়নপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত আবের গাইনয়ের পুত্র সাবের আলী গ্রামের বটপুকুর মাঠে সেচ নীতিমালা লঙ্ঘন করে বিএমডিএ’র গভীর নুলকুপের কমান্ড এরিয়ায় ৫ হর্স পাওয়ারের অবৈধ সেচ মটর স্থাপন করেছেন। আবার পল্লী বিদ্যুতের কতিপয় কর্মকর্তা কথিত লাইনম্যানের (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টেকনিশিয়ান) মাধ্যমে বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়ে অবৈধ মটরে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে। তানোর পৌর এলাকার বেল পুকুরিয়াগ্রামের ন্যাশনাল ব্যাংক নওগাঁ শাখায় কর্মরত শফিকুল ইসলাম। তিনি আম বাগানের নামে বাণিজ্যিক ভাবে ৫ হর্সের মটর স্থাপন করেন কালনাশু কানদিঘি সেও কৃষি জমিতে দাপটের সঙ্গে সেচ দিচ্ছেন। অনিয়মের অভিযোগে তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও রাতারাতি ফের সংযোগ দেয়া হয়েছে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মটর মালিক বলেন, প্রতি মাসে পল্লী বিদ্যুতকে জরিমানার নামে রশিদ ছাড়াই দেড় হাজার টাকা করে দিতে হয়। এছাড়াও সংযোগ নিতে দিতে হয়েছে মটর প্রতি লাখ টাকা। এদিকে অবৈধ অনেক মটরের বিদ্যুৎ সংযোগ একবার বিচ্ছিন্ন করা হলেও আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে পরের দিনেই গোপণে ফের সংযোগ দেয়া হয়েছে। অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা না হলে যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বা খুন-জখমের মতো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারে বলে কৃষকরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছে অন্যদিকে শফিকুল ও লেলিনের অবৈধ মটরের সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও পুনঃরায় সংযোগের ঘটনায় ডিজিএম-এজিএম, পরিদর্শক ও লাইনম্যান চতুরমুখী দন্দে জড়িয়ে পড়েছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

 

এবিষয়ে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, মুরগী খামারের মটর থেকে ফসলী জমিতে সেচ দেয়া হয় এমন অভিযোগ তিনি পাননি। তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে।

 

এবিষয়ে বিএমডিএ তানোর জোনের সহকারী প্রকৌশলী মাহাফুজুর রহমান বলেন, গভীর নলকুপের কমান্ড এরিয়ায় সেচ মটর স্থাপনের কোনো সুযোগ নাই, বিদ্যুৎ সংযোগের তো প্রশ্নই উঠেনা। তিনি বলেন, অবৈধ মটরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পল্লী বিদ্যুৎকে বলা হয়েছে।

 

এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা (এজিএম) কামাল হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব বিষয়ে ডিজিএম স্যার ভাল বলতে পারবেন। এক বার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে আবার কেনো সংযোগ দিলেন এই প্রশ্নের কোনো সদোত্তর না দিয়ে এড়িয়ে গেছেন। এবিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ তানোরের ডিজিএম জহুরুল ইসলাম বলেন, শফিকুল ও লেলিনের মটরের বিষয়ে তারা কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

এবিষয়ে গোলাম রাব্বানী লেলিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মুরগী খামার করে ব্যবসা হচ্ছে না, তাই অল্প কিছু জমিতে সেচ দিচ্ছি। তবে মটর স্থাপনে অনুমতি নিয়েছেন কি না সেই প্রশ্নের কোনো সদোত্তর না দিয়ে কৌশলে এড়িয়ে গেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট