
নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘বৃক্ষ রোপণে সাজাবো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাজশাহী জেলার প্রাণিসম্পদ প্রতিষ্ঠানসমূহে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে নগরীর তালাইমারীস্থ মেট্রো প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা হয়।
অনুষ্ঠানের অতিথি ও প্রধান দিকসমূহ
কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. শাহজামান খান। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা প্রাণিসম্পদ প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তাদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন: সবুর আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), রাজশাহী, রেজাউল করিম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন, ড. আনন্দ কুমার অধিকারী, পরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর (রাজশাহী বিভাগ) ও মো. আতাউর রহমান, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, রাজশাহী।
দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান গড়ার অঙ্গীকার
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে এবং দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ঘোষিত রূপরেখার অধিকাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে। আমরা জনগণের জন্য কাজ করে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই।”
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও গ্রীন কভারেজ বৃদ্ধি
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে রাসিক প্রশাসক আরও বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই। বৃক্ষ কেবল প্রকৃতিকে সুরক্ষা দেয় না, মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গেও এটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রাণিসম্পদ প্রতিষ্ঠানগুলোর খালি জায়গায় পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন বাড়ানোর পাশাপাশি ক্যাম্পাসগুলোকে নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব করা সম্ভব।”
কর্মসূচির আওতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
এই বিশেষ উদ্যোগের আওতায় রাজশাহী জেলার সবকটি প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের আঙিনা এবং খালি জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, প্রাতিষ্ঠানিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং সবুজায়ন কার্যক্রমকে গতিশীল করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।#