1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহীতে খেয়াঘাটের মাশুল আদায় নিয়ে জেলে ও ইজারাদারের তীব্র বিরোধ - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
রাজশাহীতে খেয়াঘাটের মাশুল আদায় নিয়ে জেলে ও ইজারাদারের তীব্র বিরোধ পূর্ণভবা নদীতে অবৈধ সুতি জালে ধাক্কা লেগে নৌকাডুবি, শিশুসহ ১০৯ যাত্রী উদ্ধার কুষ্টিয়ায় বন্যার পানিতে ডুবে স্কুলছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু ভোলায় পোস্টকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যা: প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ২ এমপি আবু সাইদ চাঁদের প্রচেষ্টায় বিএসএফের হাত থেকে মুক্তি পেলেন বাঘার ৫ বাংলাদেশী বদরগঞ্জে পাঁচ শতাধিক চারা গাছ বিতরণ ও পোনা অবমুক্ত করলেন প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান শিবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন রূপসায় নৌকা বাইচ কালীগঞ্জে বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এমপি মিলনের মতবিনিময়: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গঠনমূলক সমালোচনার আহ্বান দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

রাজশাহীতে খেয়াঘাটের মাশুল আদায় নিয়ে জেলে ও ইজারাদারের তীব্র বিরোধ

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

প্রতীকী ছবি

নাজিম হাসান, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি: রাজশাহী মহানগরীর বড়কুঠি এলাকায় পদ্মা নদীর খেয়াঘাটে দুর্গম চরাঞ্চলের মৎস্যজীবী ও জেলেদের সাথে ইজারাদারের মাশুল আদায়কারীদের প্রতিনিয়তই সৃষ্টি হচ্ছে চরম বিরোধ। জেলেদের অভিযোগ, ব্যাগ বা থলে প্রতি জোরপূর্বক অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং প্রতিবাদ করলে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। অন্যদিকে, ইজারাদারের লোকজনের দাবি—দীর্ঘদিনের পুরোনো মাশুল তালিকার সঙ্গে বর্তমান ইজারার বাস্তবতার সমন্বয় না থাকায় এই হট্টগোল তৈরি হচ্ছে।

ব্যাগপ্রতি অতিরিক্ত মাশুল ও হেনস্থার অভিযোগ

পদ্মার ওপর পারের চর খানপুর ও চর মাজারদিয়ার দরিদ্র মৎস্যজীবীদের দাবি, তারা নদী থেকে সামান্য পরিমাণ (আধা কেজি থেকে এক-দুই কেজি) মাছ ধরে শহরের সাহেব বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে ঘাটে নামলেই ইজারাদারের লোকজনের রোষানলে পড়েন।

  • অতিরিক্ত ফি: ব্যাগ বা থলে প্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে।

  • হুমকি ও ভয়ভীতি: অতিরিক্ত মাশুলের প্রতিবাদ করলেই জেলেদের ওপর ক্ষিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

মানবন্ধনে বাধা ও বাকবিতণ্ডা

ইজারাদারের ইচ্ছেমতো মাশুল আদায়ের প্রতিবাদে গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগী শ্রমজীবী জেলেরা বড়কুঠি খেয়াঘাটে মানববন্ধনের প্রস্তুতি নিলে ইজারাদারের লোকজন তাদের বাধা প্রদান করে। উপস্থিত স্থানীয় পর্যটক ও সাংবাদিকদের সামনেই জেলেদের হুমকি-ধমকি দেওয়া ও হেনস্থা করার অভিযোগ ওঠে। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

প্রতিবাদে অংশ নেন আলিফ, আমিরুল, মোজাহার, বাক্কার ও সামালসহ প্রায় ৫০ জন ভুক্তভোগী জেলে।

১০ বছর পুরোনো মাশুল তালিকা বনাম বর্তমান বাস্তবতা

ঘাটের মাশুল আদায়ের দায়িত্বে থাকা ইজারাদারের প্রতিনিধি সেরাজুল ইসলাম (সেরআলী) জানান, বিষয়টি নিয়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনকে (রাসিক) অবগত করা হলে তারা ১০ বছর আগের একটি পুরোনো তালিকা সম্বলিত সাইনবোর্ড পুনরায় স্থাপন করে গেছে।

রাসিক কর্তৃক স্থাপিত সাইনবোর্ডের তথ্য অনুযায়ী:

  • তালিকার মেয়াদ: বাংলা ১৪২৩ সন (২০১৬ খ্রিস্টাব্দ) থেকে কার্যকরী।

  • সেবার ধরন: সর্বমোট ৪২টি দফায় মাশুল নির্ধারণ করা আছে।

  • নিয়মাবলী:

    • ২২ নম্বর দফা: খালি মালের বস্তা প্রতি মাশুল ৬ টাকা।

    • ২৩ নম্বর দফা: এক মণ বা সমতুল্য মালামালসহ বস্তার মাশুল ৭ টাকা।

বর্তমান বাংলা ১৪৩৩ সনে এসে নতুন করে খেয়াঘাটটি ইজারা দেওয়া হলেও আধুনিক বা সমন্বয়কৃত কোনো নতুন মাশুল তালিকা ঘাটে স্থাপন করেনি রাসিক কর্তৃপক্ষ।

রাসিক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালে মো. নুর-ঈ সাইদ জানান:

“খেয়াঘাট ইজারা প্রশাসন শাখার মাধ্যমে টেন্ডারে দেওয়া হয় এবং ইজারাসংক্রান্ত বিষয়গুলো তারাই মনিটরিং করে। নির্ধারিত তালিকার বাইরে অতিরিক্ত মাশুল আদায়ের অভিযোগ থাকলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট