1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
বাঘায় মসজিদে আযান দেওয়ার দ্বন্দ্বে হামলায় আহত ২ - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
প্রবীণ শিক্ষক আবু সাঈদ মাস্টার আর নেই শাপলা সৃজনমঞ্চ নজরুল উৎসবের উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক রাসিক প্রশাসক রিটন মহিষবাথান পূর্বপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়ন কাজ ও ঈদগাহ পরিদর্শন শিবগঞ্জে পুলিশি অভিযানে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক: উদ্ধার পিস্তল, গুলি ও ম্যাগজিন নওগাঁর পত্নীতলায় নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ সামন্তসেনা মাদ্রাসায় নবীন বরণ ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সৈয়দ মিজানুর রহমানকে অশ্রুসিক্ত বিদায় নওগাঁর আত্রাইয়ে অস্থিতিশীলতার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না: ফজলুল হক মিলন এমপি ভোলায় পারিবারিক বিরোধে স্ত্রীকে এসিড নিক্ষেপ: স্বামী আটক এনসিপির ভোলা জেলার নতুন কমিটি ঘোষণার পরই সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

বাঘায় মসজিদে আযান দেওয়ার দ্বন্দ্বে হামলায় আহত ২

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ জুলাই, ২০২৪
  • ৩২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ বিশেষ প্রতিনিধি……….

রাজশাহীর বাঘায় মসজিদে আযান দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ২ জন আহত হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার (৭ জুলাই) দুপুরে আড়ানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাদহ পশ্চিমপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, আড়ানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাদহ পশ্চিমপাড়া গ্রামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মহিদুল ইসলাম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক নের্তৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠুর ভাতিজা জিনারুল ইসলাম রোববার যোহরের নামাজের আযান দিতে আসেন। এ নিয়ে ইমামের সাথে তর্ক লাগে। এক পর্যায়ে মসজিদের ইমাম মাইকে প্রচার করে কিছু লোকজন হামলা করতে এসেছে। তার কথায়, মসজিদের সদস্য শহিদুল ইসলাম সেন্টু ও মানিক হোসেন এগিয়ে আসেন। এ সময় মিজানুর রহমান মিঠুর লোকজন লোহার রড়, বাঁশের লাঠি, বালিট, হাসুয়া নিয়ে শহিদুল ইসলাম সেন্টু ও মানিকের উপর হামলা করে। এ হামলায় তারা নাকে,মুখে মাথায় লেগে গুরুতর আহত হন। সজ্ঞাহীন অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মসজিদ কমিটির সভাপতি মহিদুল ইসলাম ও স্থানীয় সেলিম উদ্দিন বলেন, মসজিদকে কেন্দ্র আবদুর রশিদ, ফজল হোসেন, মসলেম উদ্দিন, মিজানুর রহমান মিঠু দীর্ঘদিন থেকে ফ্যাসাত করে আসছে। সমাজের ১১০ পরিবার একত্রিত হয়ে তাদের সমাজ থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে তারা আরো বেপরোয়া হয়ে মসজিদে গিয়ে সময়ে অসময়ে দ্বন্দ্ব লাগায়।

মসজিদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু বলেন, তারা এককভাবে সমাজকে নেতৃত্ব দিতে চায়। প্রতিবাদ করায় তারা একত্রি হয়ে আমদের সমাজ থেকে আলাদা করে রেখেছে। আমার ভাতিজা আযান দিতে গেলে তারা আযান নিতে বাধা দেয়। এ দিয়ে ইমামের সাথে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।

মসজিদের ইমাম সামসুল ইসলাম বলেন, আমি বাইরে থেকে এখানে এসে ইমামতি করি। যখন তখন এসে সময় হওয়ার আগে জিনারুল মসজিদে এসে আযান দেয়। এ নিয়ে নিষেধ করায় আমাকে আক্রমন করে। আমি বাধ্য হয়ে মাইকে প্রচার করি। তার কথা শুনে দুই সদস্য এগিয়ে আসলে তাদের উপর হামলা করে।

এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর জানার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে দিয়েছি। তবে এ বিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট