1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
পোরশায় অধিকাংশই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে শহীদ মিনার নেই - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
মির্জাপুরে বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, অন্তঃসত্ত্বা ৫ মাসের হঠাৎ বন্ধ পাগলা নদীর সেতুর নির্মাণকাজ—দুর্ভোগে শিবগঞ্জের লাখো মানুষ আত্রাইয়ে হাটকালুপাড়া-কালিকাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কাজীহাটা ১ নং পুরাতন জামে মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীর বিদায়ী বিভাগীয় কমিশনারকে রাসিকের বিদায় সংবর্ধনা রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হলো ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ সরকারি রাস্তা কেটে পাইপ স্থাপন, শ্যামনগরে ভেটখালী উত্তর পাড়ায় যেন মরণফাঁদ রূপসায় উপজেলা ইজিবাইক মালিক এবং শ্রমিক সমিতির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত আয়ান শর্মা একা নন, পাশে আছেন শত শত সাংবাদিক, চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ পরকীয়ার অভিযোগে এক বাসা থেকে বিদ্যালয়েয় আয়া- প্রধান শিক্ষক আটক, আদালতে সোপর্দ

পোরশায় অধিকাংশই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে শহীদ মিনার নেই

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৭১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

পোরশা(নওগাঁ)প্রতিনিধি…………………………………………..

নওগাঁর পোরশা উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে শহীদ মিনার নেই। ফলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসে শহীদ মিনারের তাৎপর্য সম্পর্কে অকিবহাল নয় অনেক শিক্ষার্থী।

এ উপজেলায় ৬টি কলেজ, ২৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৩টি মাদ্রাসা ও ৮৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। শহীদ মিনার রয়েছে ৫টি প্রতিষ্ঠানে। এর মধ্যে ২টি কলেজ, ৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার রয়েছে। আর মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটিতেও শহীদ মিনার নেই। পোরশা সরকারি কলেজ, গাঙ্গুরিয়া ডিগ্রি কলেজ, শিশা উচ্চ বিদ্যালয়, কড়িদহ উচ্চ বিদ্যালয় ও নিস্কিনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার থাকলেও নিজ অর্থায়নে নির্মিত শহীদ মিনারগুলোর প্রায় সব গুলোই অরক্ষিত রয়েছে। প্রতিবছর শহীদ দিবসে এগুলো ধুয়ে মুছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান শহীদ দিবস পালন করেন বলে জানাগেছে।

কাতিপুর কালিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি একরামুল হক শাহ্ জানান, তাদের আন্তরিক ইচ্ছা থাকা সত্তেও প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে তারা স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করতে পারছেন না। তিনি জানান, এ কারণে তারা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এবং তাৎক্ষনিক নিজ নিজ বিদ্যালয়ে কৃত্তিমভাবে শহীদ মিনার তৈরী করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং শহীদ দিবস পালন করেন। তিনি প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান।

উপজেলা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ জানান, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের পত্রের আলোকে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জায়গায় শহীদ মিনার নির্মাণ করার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠানে জায়গার অভাব ও অর্থাভাবে তা করতে পারছেন না বলে বিদ্যালয় প্রধানগণ জানান।

তারপরেও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার স্থাপন করতে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। আর শহীদ মিনার নির্মাণ করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত দেওয়া হয়। তবে শহীদ মিনার নির্মাণের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে বলে তারা জানান। #

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট