1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ধুপি পিঠার ধুম পড়েছে গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে। - দৈনিক সবুজ নগর
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
 তারেক রহমানের ভারত সফর এখনো অনিশ্চিত—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন হয়নি? নওহাটা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা শরীফের উঠান বৈঠক সাবেক উপসচিব আবু হেনা মোস্তফা কামালের মৃত্যুতে রাসিক প্রশাসকের শোক কাজলা বড় জামে মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় ও নির্মাণাধীন মসজিদ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন দলের জার্সি উন্মোচন ও বিতরণ সারের বেশি দাম ও অব্যবস্থাপনায় জরিমানা গুনলেন বিসিআইসির ডিলার আশা ও মদিনা ট্রেডার্স চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই কোটি ৩২লাখ টাকার হিরোইন ও মটরসহ আটক ২  নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাসিকের প্রশাসকের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত হওয়ায় এ্যাড. রুহুল কবির রিজভীকে রাসিক প্রশাসকের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বাঘায় ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ চলমান 

ধুপি পিঠার ধুম পড়েছে গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে।

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৫২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
৥ আঃ রহমান মানিক সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার….
পৌষ মাঘে শীত জমে বসে গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে। বাড়ি বাড়ি শুরু হয়ে যায় ঢেঁকি কুটা আটা দিয়ে শীত কালিন শীতের পিঠা পুলি তৈরী মেয়ে জামাইকে দাওয়াত দিয়ে শীতের পিঠা না খাওয়ালে যেন বড় একটি কর্মসূচি পালনই হয়না। সকল জামাই মেয়ে শীতের পিঠার দাওয়াতের জন্য শ্বশুর বাড়ির দিকে চাতকের মত চেয়ে থাকে। মেয়েরা বার বার ফোন করে মায়ের কাছে কখন তারা দাওয়াত দিবে। অনেক দিন হলো মায়ের বাড়ি যাওয়া হয়নি। পিঠা খাওয়ার দাওয়াতে কদিনে বেড়িয়ে আসা হবে।আর যাদের মা বাবা নেই তারা নিরবে চোখের জলে বুক ভাসায়। স্বামী
ধনকে চোখে জলে শান্তনা দেয়। তেমনি এক হতভাগী মেয়ে সাকিলা। বাবার বাড়ি সে ভালোই ছিল। দু’বছর হলো বাবা মারা গিয়ে এতিম হয়ে গেছে। দুবোনকে নিয়ে তার মা অতি কষ্টে সংসার চালাই।সাকিলা গ্রামের স্কুলে ক্লাস অষ্টম শ্রেনীতে। এমন সময় তার বিয়ে হয়।এত অল্প বয়সে সে কিছুই বুঝতে পারেনা।তবে তার শ্বাশুড়ি তাকে অনেক ভালোবাসে তাই কিছু বুঝতে দেয়না।এমন কত দুঃখী সংসার যে আছে।
বরেন্দ্র অঞ্চলের গ্রামে পাড়ায় পাড়ায় ঢেঁকিতে চলে ধুপ ধাপ আটা কুটার শব্দ। রাতে চলে শীতের পিঠা তৈরির আসর। বাড়ির বারান্দায় বসে মেয়েরা সারা রাত মনের আনন্দে নানা রকম পিঠা পুলি তৈরী করে।তানোর,নাচোল,নিয়ামতপুরের গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে দিনে ঢেঁকিতে আটা কুটা এবং রাতে শীতের পিঠা তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন গ্রামের গৃহবধূরা। অনেক দরিদ্র নারীরা সকাল সন্ধ্যায় গ্রামের মোড়ে মোড়ে ধুপির জমজমাট ব্যাবসার পশারী নিয়ে বসে।এদিয়েই চলে তাদের জীবন। বর্তমানে শহরেও এ পেশায় জড়িয়ে ছে শহরের গরীব মেয়েরা।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট