1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ডাকাতির প্রকোপে দিশেহারা ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা     - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
বাঘায় মাদক, সন্ত্রাস ও নারী নির্যাতন বিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: প্রধান আলোচক ডিআইজি আশিক সাঈদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রয়াত শিক্ষকের পরিবারকে শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ তহবিলের অর্থ প্রদান পোরশায় সরকারি অনুদানের সাইকেল ও সেলাই মেশিন পেলেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাগর-রুনি হত্যার বিচার ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে রাজশাহী প্রেসক্লাবের মানববন্ধন বাংলাদেশ পুলিশে গঠিত হচ্ছে আলাদা সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লালপুরে ১০ বোতল ফেয়ারডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী রনি আটক দেবহাটায় ৫০ বছরের বসতভিটা দখল: খোলা আকাশের নিচে ৭০ বছরের সুভদ্রা রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত মির্জাপুরে দুই সন্তান ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যুবকের সাথে গৃহবধূ উধাও শিক্ষার্থী নিয়ে ‘উধাও’ হওয়ার খবর কাল্পনিক, হেয় করার চক্রান্ত: আইএইচটি শিক্ষক অসীম কুমার

ডাকাতির প্রকোপে দিশেহারা ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা    

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৫৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
৥ সাব্বির আলম বাবু, ভোলা প্রতিনিধিঃ মহিষ ডাকাতির প্রকোপে উদ্বিগ্ন ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা। রাতের আঁধার নামলেই ভোলার চরাঞ্চলজুড়ে শুরু হয় আতঙ্কের রাজত্ব। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা ছোট-বড় ৮৫টি চরে এখন শুধুই হাহাকার। চোর আর ডাকাত সিন্ডিকেটের তাণ্ডবে চরাঞ্চলের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি মহিষের বাতানগুলো আজ ধ্বংসের মুখে। একের পর এক মহিষ চুরির ঘটনায় নিস্ব হয়ে পড়ছেন উপকূলের খামারিরা, অথচ প্রশাসন যেন দেখেও দেখছে না!
জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন চরে বর্তমানে ১ লাখ ২৪ হাজারেরও বেশি মহিষ লালন-পালন করা হয়। এসব বাতান থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ টন দুধ উৎপাদন হয়, যা ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষের দই শিল্পের প্রধান জোগান। তবে এই সম্ভাবনাময় শিল্পটি এখন চোর চক্রের পেটে চলে যাচ্ছে। দুর্গম চরাঞ্চলের সুযোগ নিয়ে কোনো না কোনো বাতানে হামলা চালাচ্ছে সংঘবদ্ধ চোর সিন্ডিকেট। ট্রলার নিয়ে এসে রাতের আঁধারে সাবাড় করে দেওয়া হচ্ছে পুরো খামার।
মাসুম নামের এক খামারী হতাশ হয়ে বলেন, “বলে আর কী হবে ভাই! গত রাতেও আমার মহিষ চুরি হয়ে গেছে। কোটি টাকার ক্ষতি হলো, এখন আমরা বাঁচব কীভাবে?
খামারিদের চরম ক্ষোভ, ঘটনা ঘটার পর থানা-পুলিশের দরজায় ঘুরেও কোনো সুফল মিলছে না। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও মেলেনি উদ্ধার হওয়া মহিষ, ধরা পড়েনি কোনো চোর। প্রশাসনের এই ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ ভূমিকার কারণেই দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে চোর চক্র।
ভোলাবাসীর প্রাণের দাবি অবিলম্বে চরাঞ্চলে নৌ-পুলিশের বিশেষ টহল জোরদার করতে হবে এবং রাতারাতি খামারিদের নিঃস্ব করা এই চোর সিন্ডিকেটকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে অচিরেই ধসে পড়বে ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষ ও দই শিল্প।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট