1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
ডাকাতির প্রকোপে দিশেহারা ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা     রাসিক প্রশাসক এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎবগুড়া জেলা সমিতির প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অবশেষে মনপুরা-চরফ্যাশনের তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ হচ্ছে মির্জাপুরে ডাকাতি চেষ্টাকালে গণপিটুনিতে ডাকাতের মৃত্যু চরফ্যাশন ইউএনওর ব্যাতিক্রমী দৃস্টান্ত, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন খাল খননের অবশিষ্ট ১ কোটি ২ লাখ টাকা  রাসিক প্রশাসকের আসাম কলোনী বায়তুল আমান জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় ও ১৮নং ওয়ার্ডের আসাম কলোনী এলাকা পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার স্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, রাজশাহীতে গ্রেফতার ১ রাতের অন্ধকারে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, ৭ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ মির্জাপুরে সনাতনী যুবক অনিক কর্মকারের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ শিবগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের তিন সদস্য গ্রেপ্তার

ডাকাতির প্রকোপে দিশেহারা ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা    

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
৥ সাব্বির আলম বাবু, ভোলা প্রতিনিধিঃ মহিষ ডাকাতির প্রকোপে উদ্বিগ্ন ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা। রাতের আঁধার নামলেই ভোলার চরাঞ্চলজুড়ে শুরু হয় আতঙ্কের রাজত্ব। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা ছোট-বড় ৮৫টি চরে এখন শুধুই হাহাকার। চোর আর ডাকাত সিন্ডিকেটের তাণ্ডবে চরাঞ্চলের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি মহিষের বাতানগুলো আজ ধ্বংসের মুখে। একের পর এক মহিষ চুরির ঘটনায় নিস্ব হয়ে পড়ছেন উপকূলের খামারিরা, অথচ প্রশাসন যেন দেখেও দেখছে না!
জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন চরে বর্তমানে ১ লাখ ২৪ হাজারেরও বেশি মহিষ লালন-পালন করা হয়। এসব বাতান থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ টন দুধ উৎপাদন হয়, যা ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষের দই শিল্পের প্রধান জোগান। তবে এই সম্ভাবনাময় শিল্পটি এখন চোর চক্রের পেটে চলে যাচ্ছে। দুর্গম চরাঞ্চলের সুযোগ নিয়ে কোনো না কোনো বাতানে হামলা চালাচ্ছে সংঘবদ্ধ চোর সিন্ডিকেট। ট্রলার নিয়ে এসে রাতের আঁধারে সাবাড় করে দেওয়া হচ্ছে পুরো খামার।
মাসুম নামের এক খামারী হতাশ হয়ে বলেন, “বলে আর কী হবে ভাই! গত রাতেও আমার মহিষ চুরি হয়ে গেছে। কোটি টাকার ক্ষতি হলো, এখন আমরা বাঁচব কীভাবে?
খামারিদের চরম ক্ষোভ, ঘটনা ঘটার পর থানা-পুলিশের দরজায় ঘুরেও কোনো সুফল মিলছে না। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও মেলেনি উদ্ধার হওয়া মহিষ, ধরা পড়েনি কোনো চোর। প্রশাসনের এই ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ ভূমিকার কারণেই দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে চোর চক্র।
ভোলাবাসীর প্রাণের দাবি অবিলম্বে চরাঞ্চলে নৌ-পুলিশের বিশেষ টহল জোরদার করতে হবে এবং রাতারাতি খামারিদের নিঃস্ব করা এই চোর সিন্ডিকেটকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে অচিরেই ধসে পড়বে ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষ ও দই শিল্প।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট