1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
চারঘাটে চালকের বেতন তুলছেন নৈশ প্রহরী উজ্জ্বল - দৈনিক সবুজ নগর
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
কাগজের চিরকুট’: এক অবিনাশী স্বপ্নের পুনর্জন্ম ও দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল রাজশাহীর বাঘায় ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা শুরু, প্রধান আকর্ষণ লক্ষ টাকার প্রাইজমানি মা ইলিশ সংরক্ষণের প্রথম দিনেই বাঘায় ২ লাখ টাকার চায়না দুয়ারি জাল জব্দ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা: প্রধান অতিথি ভূমিমন্ত্রী আত্রাইয়ে ভিডিপির ১০ দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষ, বৃক্ষরোপণ অভিযান কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা চালিয়েছে ‘ছোট ভাই’: ছাত্রদল নেতা নিশাত রামেবি ভিসিকে অবরুদ্ধের পর ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কাটা হলো ঘরের তালা ভোলায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের প্রথম দিনেই ৬ হাজার মিটার জাল জব্দ শিবগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তিতে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

চারঘাটে চালকের বেতন তুলছেন নৈশ প্রহরী উজ্জ্বল

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৮২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ ​লিয়াকত হোসেন, রাজশাহী : রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে কাগজে-কলমে শিপুল দাশ নামে একজন চালক কর্মরত থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব নেই। অথচ গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিতভাবে তার নামে বেতন-ভাতা উত্তোলন করা হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, শিপুল দাশ নামের ওই ব্যক্তি চারঘাটেই থাকেন না, বরং তার নাম ব্যবহার করে সরকারি অর্থ পকেটে ভরছেন কার্যালয়ের নৈশপ্রহরী উজ্জ্বল হোসেন। ​শিপুল দাশের খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার বাড়ি রাজশাহী নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা ভূমি অফিসের পাশেই।

শিপুলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “আমি চারঘাটে কোথাও চাকরি করি না। তবে চারঘাটে আমার উজ্জ্বল নামে এক চাচা চাকরি করেন। আমার নামে বেতন তোলা হয় কি না, সেটা আমার জানা নেই।” ​

অভিযুক্ত নৈশপ্রহরী উজ্জ্বল হোসেন দীর্ঘ দেড় বছর ধরে ইউএনওর গাড়ি চালাচ্ছেন বলে স্বীকার করেছেন। শিপুল দাশের নামে টাকা উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে উজ্জ্বল বলেন, “আমি চারঘাট ইউএনও অফিসে নাইট গার্ডের চাকরি করি। অফিসে কোনো ড্রাইভার না থাকায় দেড় বছর ধরে আমিই স্যারের গাড়ি চালাচ্ছি। গাড়ি চালালে স্যার কিছু টাকা দেন, কিন্তু ইউএনও স্যার এক আনা পয়সাও খান না।” ​তিনি আরও যোগ করেন, “আমি যেহেতু নাইট গার্ড পদে আছি, তাই নিজের নামে ড্রাইভারের বিল তুলতে পারি না। এ কারণেই শিপুল দাশের নাম ব্যবহার করে বেতন উত্তোলন করা হচ্ছে।”

​উপজেলা পর্যায়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার কার্যালয়ে কীভাবে বছরের পর বছর ধরে ভুয়া নামে ভাউচার করে টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে, তা নিয়ে স্থানীয় মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী, নৈশপ্রহরীর গাড়ি চালানোর বা অন্য কারো নামে ভুয়া বিল করার সুযোগ নেই। এই প্রক্রিয়ায় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের যোগসাজশ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, নাইট গার্ড এবং ড্রাইভার দুই পদে উজ্জ্বলের কাজ করার বিষয় টি স্বীকার করেন তবে উজ্জ্বল ড্রাইভার তার ভাতিজা সিপুল দাশের নামে বেতন উত্তোলন করেন সেই বিষয় অস্বীকার করে বলেন,আমি যেভাবে এসে পেয়েছি সেভাবেই চলছে। শিপুল দাসের নামে বেতন উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা নেই খতিয়ে দেখব। আপনার সিগনেচারে বিল ভাউচার উত্তোলনের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আফিয়া আকতার বলেন, বিষয় টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট