1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বন্যা কবলে রোপা-আমন বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি - দৈনিক সবুজ নগর
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
 তারেক রহমানের ভারত সফর এখনো অনিশ্চিত—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন হয়নি? নওহাটা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা শরীফের উঠান বৈঠক সাবেক উপসচিব আবু হেনা মোস্তফা কামালের মৃত্যুতে রাসিক প্রশাসকের শোক কাজলা বড় জামে মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় ও নির্মাণাধীন মসজিদ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন দলের জার্সি উন্মোচন ও বিতরণ সারের বেশি দাম ও অব্যবস্থাপনায় জরিমানা গুনলেন বিসিআইসির ডিলার আশা ও মদিনা ট্রেডার্স চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই কোটি ৩২লাখ টাকার হিরোইন ও মটরসহ আটক ২  নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাসিকের প্রশাসকের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত হওয়ায় এ্যাড. রুহুল কবির রিজভীকে রাসিক প্রশাসকের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বাঘায় ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ চলমান 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বন্যা কবলে রোপা-আমন বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ জুন, ২০২২
  • ৩২৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# আরিফুল ইসলাম জয় কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি………………………

 

টানা বৃষ্টিতে আসন্ন রোপা আমন মৌসুমের বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে চরম হতাশায় পড়েছেন কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কৃষকরা। এ বছর কয়েক দফা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ইরি-বোরো মৌসুমে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বোরো চাষিরা। সেই ক্ষতিকে পুষিয়ে নিতে এবার আগাম রোপা আমন ধানের বীজতলা তৈরি করে বীজ বপন করেন কৃষকরা। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে সে সব বীজতলা পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। কোন কোন কৃষক একাধিকবার আমন বীজ বপন করলেও তা নষ্ট হয়ে গেছে। বারবার প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আমন আবাদ নিয়ে চরম হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন এ অঞ্চলের চাষিরা।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার শিলখুড়ি, তিলাই, পাইকেরছড়া, চরভূরুঙ্গামারী ও আন্ধারিঝাড় ইউনিয়নের প্রায় ২২ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ওই সব গ্রামের কৃষকদের বীজতলার ধানের চারা পচে নষ্ট হয়ে গেছে।

 

উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের কৃষক সামছুল হক জানায়, পাঁচ বিঘা জমিতে চারা লাগানোর জন্য বীজতলায় বীজ বপন করেছিলাম। যেসব চারা গজিয়েছিলো একটানা বৃষ্টিতে সেসব চারা পানিতে ডুবে নষ্ট হয়ে গেছে। পানি না কমলে নতুন করে বীজতলা তৈরি করা সম্ভব না। এভাবে ফসল নষ্ট হয়ে গেলে আমরা কি খেয়ে বাঁচবো ভেবে পাচ্ছি না।

 

নলেয়া গ্রামের কৃষক মোরারক হোসেন জানায়, বীজতলার চারা টানা বৃষ্টিতে একবার নষ্ট হয়েছে। দ্বিতীয়বার লাগানো ধানের চারা পানির নিচে। চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের কৃষক মজিবর রহমান, বলেন আমন বীজতলা তৈরি করেও বৃষ্টি আর বন্যার কারণে চারা বুনতে পারিনি। পানি কমলে পুনরায় জমি চাষ করে বীজতলা তৈরি করতে হবে।

 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, আসন্ন রোপা আমন মৌসুমে উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের ৮৫০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫১০ হেক্টর জমিতে কৃষক বীজতলা তৈরি করেছেন। টানা বৃষ্টি আর বন্যায় ৪৫ হেক্টর বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানায়, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে কিছু বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। পানি নেমে গেলে আশা করি চারা দ্রুত রিকোভার হবে।#

সান/০৬

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট