
এডভোকেট হেদায়েত-উল হক/জলিলুর রহমান : ঈশ্বরদী সলিমপুর ইউনিয়নের মানিক নগর পূর্বপাড়্রা আকমল মালিথা, ফজলু প্রামানিক, আল্লেক প্রামানিক,ওবায়দুল প্রামানিক,চাঁদা মুন্সি ও উজ্জ্বল গং কর্তৃক মৃত আব্দুর রশিদ সরদারের ছেলে রঞ্জু সরদারের ২একর ১২ শতাংস জমির ফলনশীল লিচুবাগানের লিচু লুটপাট করে বিক্রি করা,হত্যাসহ নানা প্রকার ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট পাবনার আদেশ অমান্য করে চারদিন ধরে লিচু লুটপাটের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি প্রদানের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনায় সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার রাতে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রেসক্লাবে ক্ষতিগ্রস্থ রঞ্জু সরদারের পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে রঞ্জু সরদারের অনুমতিক্রমে তার ছেলে রুহুল আমিন অনিক লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
অনিকের লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ক্ষতিগ্রস্থ রঞ্জু সরদার অভিযোগ করে বলেন, আমি একজন নিরীহ ও ট্যাক্স প্রদানকারী সম্মানীয় হলুদ ও ধনিয়াসহ বিভিন্ন প্রকার ভ’সি মালের ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন থেকে এসব ব্যবসা করে সুনাম অর্জন করেছি। এঅবস্থায় গত ২১.০৫.২০২৬ ইং ভোর থেকে আকমল মালিথা, ফজলু প্রামানিক, আল্লেক প্রামানিক,ওবায়দুল প্রামানিক,চাঁদা মুন্সি ও উজ্জ্বল গং আমার লিচু বাগানের লিচু লুট করা শুরু করে। বাধা নিষেধ করলে তারা উল্টো আমাকেই হত্যাসহ নানাভাবে জীবননাশের হুমকি ধামকি দিতে থাকে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আমি সলিমপুরের চেয়ারম্যান মহির উদ্দিনসহ রাজনৈতিক নেতাদের কাছে গিয়েও কোন সমাধান না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে পাবনা জেলার বিজ্ঞ অতিরিক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের স্বরণাপন্ন হয়ে আমার জমি ও ফলনশীল লিচু বাগানসহ সম্পদের রক্ষনাবেক্ষনের জন্য ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনে ১৪৫ (৮) ধারা মোতাবেক রিসিভার নিয়োগর জন্য আবেদন করি।
এমতাবস্থায় নিম্ন তপশীল বর্ণিত সম্পত্তির উপরিস্থ আম, লিচু বাগান ও অর্থকারী মেহগনি বাগান আমি বাদী ও বাদীর স্ত্রীর ভাইয়ের খরিদা স্বত্ত্ব দখলিয় রোপনকৃত সম্পত্তি । উক্ত তপশীল বর্ণিত সম্পত্তি ও তদুপরিস্থ আম লিচু বাগান বাবদ বিবাদীপক্ষ নিঃস্বত্ত্ববান ও দখল শুন্য ব্যক্তি । চলতি মৌশুমে প্রচুর লিচু ও আম ফলিয়াছে। উক্ত ফল বিক্রয় করিয়া আমার স্ত্রী ও স্ত্রীর ভাইয়ের পরিবারের জীবন রক্ষার একমাত্র উৎস। আম ও লিচু বর্তমানে পুষ্ট হইয়া পাকিয়া খাওয়ার ও বিক্রয়ের উপযোগী হয়েছে ও হইতেছে। উপরে উল্লেখিত দূর্দান্ত বিবাদীপক্ষ উক্ত ফলমূল জোর পূর্বক পাড়িয়া অন্যত্র বিক্রয় করার জন্য ও নষ্ট করার জন্য গতকাল ২২/০৫/২০২৬ তারিখ ঘোষনা দিয়ে গত ২১.০৫.২০২৬ ইং তারিখ থেকেই তারা আমার বাগানের লিচু লুট করা শুরু করেছে।
এ পরিস্থিতির আলোকে প্রায় দশ লক্ষাধিক টাকা মূল্য সমমানের লিচুসহ উক্ত ফলমুল দেখা শুনা রক্ষনাবেক্ষণ ও বিক্রয় এর জন্য প্রশাসনিক ভাবে অফিসার ইনচার্জ ঈশ্বরদী থানাকে রিসিভার নিয়োগ করা আবশ্যক। নতুবা বাদী পক্ষের অপূরনীয় ক্ষতির কারন হইবে। উক্ত ফলমুল পচনশীল। বিধায় প্রার্থনা তপশীল বর্ণত সম্পত্তির উপর থাকা আম লিচু গাছ ফলমূল রক্ষনা বেক্ষণ ক্রয় বিক্রয় এর জন্য অফিসার ইনচার্জ ঈশ্বরদী থানা কে রিসিভার নিয়োগ দিয়া আম লিচু বিক্রয় করিয়া তাহার অর্থ তাহার হিসাব বিজ্ঞ আদালতে জমা দেওয়ার আদেশ দানে মর্জি হয় মর্মে মক্কেলের পক্ষে আইনজীবি আবেদন করলে তপশীল বর্ণিত সম্পত্তির উপর থাকা আম ও লিচু গাছের রক্ষনাবেক্ষনের জন্য বিক্রয় ও বৃক্ষাদী রক্ষনাবেক্ষনের জন্য ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনে ১৪৫ (৮) ধারা মোতাবেক রিসিভার নিয়োগর জন্য আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয় দরখাস্ত দ্বারা দরখাস্তকারী বাদীপক্ষের বিনীত নিবেদন এই যে, নিম্ন তপশীল বর্ণিত সম্পত্তির উপরিস্থ আম, লিচু বাগান ও অর্থকারী মেহগনি বাগান বাদী, বাদীর স্ত্রী ও বাদীর স্ত্রীর ভাইয়ের খরিদা স্বত্ত্ব দখলিয় রোপনকৃত সম্পত্তি বটে। উক্ত তপশীল বর্ণিত সম্পত্তি ও তদুপরিস্থ আম লিচু বাগান বাবদ বিবাদীপক্ষ নিঃস্বত্ত্ববান ও দখল শুন্য ব্যক্তি বটে। চলতি মৌশুমে প্রচুর লিচু ও আম ফলিয়াছে। উক্ত ফল বিক্রয় করিয়া বাদী তাহার স্ত্রী ও স্ত্রীর ভাইয়ের পরিবারের জীবন রক্ষার একমাত্র উৎস। আম ও লিচু বর্তমানে পুষ্ট হইয়া পাকিয়া খাওয়ার ও বিক্রয়ের উপযোগী হইয়াছে ও হইতেছে। দূর্দান্ত বিবাদীপক্ষ উক্ত ফলমূল জোর পূর্বক পাড়িয়া অন্যত্র বিক্রয় করার জন্য ও নষ্ট করার জন্য গতকাল ২২/০৫/২০২৬ তারিখ ঘোষনা দিয়াছে। সে কারনে উক্ত ফলমুল দেখা শুনা রক্ষনাবেক্ষণ ও বিক্রয় এর জন্য প্রশাসনিক ভাবে অফিসার ইনচার্জ ঈশ্বরদী থানাকে রিসিভার নিয়োগ করা আবশ্যক। নতুবা বাদী পক্ষের অপূরনীয় ক্ষতির কারন হইবে।
উক্ত ফলমুল পচলশীল। বিধায় প্রার্থনা তপশীল বর্ণত সম্পত্তির উপর থাকা আম লিচু গাছ ফলমূল রক্ষনা বেক্ষণ ক্রয় বিক্রয় এর জন্য অফিসার ইনচার্জ ঈশ্বরদী থানা কে রিসিভার নিয়োগ দিয়া আম লিচু বিক্রয় করিয়া তাহার অর্থ তাহার হিসাব বিজ্ঞ আদালতে জমা দেওয়ার আদেশ দানে মর্জি হয়। আইনজীবির আবেদনের বিষয়টি বিচার বিশ্লেষন করে বিজ্ঞ বিচারক নিম্নোক্ত আদেশ জারি করেন। এম আর মামলা নং-৪৩/২৬ (ঈশ্বরদী),পিটিশন মামলা নম্বর ৩১৩/২০২৬ (ঈশ্বরদী)ফৌঃকাঃবি: ১৪৫ ধারা আদেশের অনুলিপি,বাংলাদেশ ফরম নং-৩৮৯০,সুপ্রীম কোর্ট (হাইকোর্ট বিভাগ) ক্রিমিনাল ফরম নং (এম) ১০৬,ম্যাজিস্ট্রেটের রেকর্ডের জন্য আদেশনামা,( ১৮৮৮ সালের ১১ ই জুলাই এর ১ নম্বর পরিপক্ষ যাহা ১৯০১ সালের ১৮ নভেম্বরের ৬ নম্বর পরিপক্ষ দ্বারা পুন: প্রবর্তিত), জেলা পাবনা এর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত,রঞ্জু সরদার বনাম আকমল মালিথা দিং,আদেশের ক্রমিক নং ০১,তারিখ -২৩.০৫.২০২৬, আদেশ/স্বাক্ষর/ভাতিরিক্ত/২৩-০৫-২৬,অদ্য বাদী রঞ্জু সরদার আদালতে হাজির হয়ে বিবাদী আকমল মালিথা সহ ১১ (এগারো) জনের বিরুদ্ধে ফৌ: কা: বি: আইনের ১৪৫ ধারায় অভিযোগ দাখিল করেছেন। দেখলাম। বাদীর আরজী পড়লাম। বাদীপক্ষের বিজ্ঞ কৌসুলি জানান যে, নালিশী জমিতে লিচু পাঁকতে শুরু করে।#